২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জঙ্গী দমনে বিএনপির জাতীয় ঐক্যের আহ্বান!

  • একে মোহাম্মাদ আলী শিকদার

গত ৮ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জঙ্গী দমনে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। আপাতদৃষ্টিতে এই ইস্যুতে এর থেকে উপযুক্ত কথা আর হতে পারে না। রাজনীতিতে বাগাড়ম্বরের একটা জায়গা আছে। কিন্তু ধর্মান্ধ উগ্রবাদী জঙ্গী গোষ্ঠী দমনের মতো জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে বিএনপির মতো বড় একটা দল থেকে মানুষ বাগাড়ম্বরতা নয়, আন্তরিকতা প্রত্যাশা করে। বিএনপি যদি সত্যিকার অর্থে আন্তরিকভাবে ধর্মান্ধ জঙ্গী গোষ্ঠীর নির্মূল চায়, তাহলে সেটা শুধু জঙ্গী দমন নয়, রাজনীতিতে রাষ্ট্রীয় মৌলিক আদর্শের জায়গায় যে চরম বিভাজন বিরাজ করছে, তারও অবসান হবে। বাংলাদেশ হবে বিশ্বের অন্যতম স্থিতিশীল রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক পরাশক্তি ও আঞ্চলিক বড় শক্তিগুলো জাতীয় রাজনীতির চরম বিভাজনের সুযোগে বাংলাদেশের কাছ থেকে যেভাবে অতিরিক্ত এবং বৈষম্যমূলক সুবিধা আদায় করতে চায়, তা আর পারবে না। রাষ্ট্রের মৌলিক আদর্শের জায়গায় এমন বিপরীতমুখী অবস্থান বিশ্বের দ্বিতীয় আর কোন দেশে দেখা যায় না। এ প্রসঙ্গে অনেক বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজন সমঝোতার কথা বলেন। এ কথাটিও আপাতদৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য। কিন্তু সমঝোতারও একটা ভিত্তি দরকার, একটা কমন প্ল্যাটফরম দরকার। যেখানে সবাই এসে দাঁড়াতে পারে এবং পরস্পরের সঙ্গে কথা বলতে পারে, ভাবের আদান-প্রদান করতে পারে। সেই কমন প্ল্যাটফরমটি সর্বাগ্রে চিহ্নিত হওয়া দরকার। সব দেশের মতো বাংলাদেশের জন্যও স্বাধীনতা প্রাপ্তি আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে। আলাপ-আলোচনা, অথবা কোন শান্তি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আসেনি। ২৩ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিটি বাঁকে সংঘটিত চিরন্তন অনুপ্রেরণাদায়ী নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ এবং সর্বশেষ একাত্তরে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাই বলা হয়, মুক্তিসংগ্রামের এক পর্যায়ে সংঘটিত হয় মুক্তিযুদ্ধ। তাই ২৩ বছরের সংগ্রামের যথার্থ মূল্যায়ন ব্যতিরেকে শুধু ৯ মাসের যুদ্ধ ভিত্তিহীন হয়ে যায়, অসম্পর্ণ থাকে। তবে মুক্তি সংগ্রামের সবচাইতে বড় ক্যানভাস নিঃসন্দেহে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীনতা অর্জন মানে মুক্তি সংগ্রামের শেষ নয়। মুক্তির মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য যেতে হবে বহু দূরে। সেই দীর্ঘ পথের পাথেয় হিসেবে ২৩ বছরের সংগ্রামের মাধ্যমে সৃষ্ট নক্ষত্রকে ঢেকে রাখলে নির্ঘাত আমরা পথ হারাব। বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ মার্চের ভাষণের শেষ দিকে বলেছেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। কারণ, তিনি বুঝেছিলেন, স্বাধীনতা অর্জন ব্যতীত বাঙালীর মুক্তি সংগ্রামকে এগিয়ে নেয়া যাবে না। যাক, সেটি অন্য প্রসঙ্গ। আজ আর ওদিকে যাব না। মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি। এর পরেও কেউ হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন, জাতীয় ঐক্যের প্ল্যাটফরম কোন্টি, তার বৈশিষ্ট্য কি। এই প্রশ্নের কারণে এ প্রসঙ্গে আরও একটু ব্যাখ্যা দেব।

স্বাধীনতা প্রাপ্তি যদি শ্রেষ্ঠ অর্জন হয়ে থাকে, মুক্তিযুদ্ধ যদি আমাদের সংগ্রামের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় হয়ে থাকে, তাহলে এই দুইয়ের ভিত্তি এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল ঘটনা, উপাদান, নীতি, আদর্শ, ইতিহাস, ইতিহাসের ব্যক্তিত্ব- সবকিছু মিলেই হবে আমাদের সেই কমন প্ল্যাটফরমের জায়গা। অর্থাৎ ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, সত্তরের নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণ, একাত্তরের পয়লা মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বে নজিরবিহীন অসহযোগ আন্দোলন, ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ, এই সব ঘটনার নির্যাস থেকে তৈরি রাষ্ট্রের মূল দর্শন বাহাত্তরের মূল সংবিধান। তাই উল্লিখিত সব ঘটনা এবং বাহাত্তরের সংবিধান বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি এবং কমন প্ল্যাটফর্মের বৈশিষ্ট্য। এটা কোন দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়, সমগ্র বাঙালী জাতি এর মালিক। এগুলোই আমাদের সমস্ত মতপার্থক্য দূর করার ভিত্তি এবং গাইডলাইন হবে। সুতরাং এই জায়গায় সবাইকে আসতে হবে। আন্তরিক শ্রদ্ধা নিয়ে সকলে এই জায়গায় এসে দাঁড়ালে বাকি সব বিভাজন সমঝোতার মাধ্যমে দূর করা কষ্টকর হবে না। এই জায়গাগুলো সম্পর্কে কোন বাগাড়ম্বর চলবে না। উল্লিখিত ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং মৌলিক দর্শনের ওপর কোন সমঝোতার সুযোগ নেই। এই জায়গায় ‘গিভ এ্যান্ড টেক’- এই সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না। এখনও বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের দর্শনের পক্ষে বড় রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগ। হাইপথেটিক্যালি যদি ধরে নিই যে, আওয়ামী লীগ কোন কারণে উল্লিখিত মৌলিক দর্শনের জায়গায় ছাড় দিয়ে অন্যদের সঙ্গে সমঝোতার একটা উদ্যোগ নিল, তাহলে সেই উদ্যোগ কি সফল হবে? অসম্ভব। কোনদিনও সেটি বাংলাদেশে সফল হতে পারবে না। মুক্তিযোদ্ধারা এখনও জীবিত আছে। আর মুক্তিযোদ্ধাদের পরে ইতোমধ্যে লক্ষ-কোটি নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা এবং মুজিব সন্তানের সৃষ্টি হয়েছে। কোনভাবেই এই ধরনের সমঝোতা মেনে নেয়া হবে না। কেউ সেটা পারবে না। বন্দুক দিয়ে বাঙালী জাতিকে দাবিয়ে রাখা যাবে না, সেটি প্রমাণিত হয়েছে। দুই সামরিক শাসক সেই চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।

২৩ বছরের সংগ্রামের বাঁকে বাঁকে প্রতিষ্ঠিত বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মৌলিক কথা হলো- বাংলাদেশে ধর্মাশ্রয়ী ও সামরিক সংস্কৃতির রাজনীতি চলবে না। একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-মুসলিম লীগের রাজনীতি বাংলাদেশের জন্য শুধু ক্ষতিকর নয়, ভয়ঙ্কর। সুতরাং বিএনপিকে এই স্বতঃসিদ্ধ ও সত্যকে উপলব্ধি করতে হবে। তাই জামায়াত, হেফাজত, উগ্রপন্থী ইসলামিস্ট দলসহ- ‘আমরা সবাই তালেবান বাংলা হবে আফগান’ সেøাগানধারী ইসলামী ঐক্য জোটের সঙ্গে মিত্রতা বজায় রেখে বিএনপি যখন জঙ্গী দমনে জাতীয় ঐক্যের কথা বলে, তখন সেটাকে প্রহসন ও স্রেফ বাগাড়ম্বরই মনে হয়। মিত্রতার মূল কথা হলো একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করা। তাই মিত্রতা বজায় রাখলে তাদের স্বার্থও বিএনপিকে দেখতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং বিএনপির সঙ্গে যতদিন ওই মৌলবাদী উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর মিত্রতা বজায় থাকবে, ততদিন জঙ্গী দমনে বিএনপি কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না, বরং উল্টোটি হবে। তাতে দেশের মানুষ বিভ্রান্ত হবে এবং জঙ্গী দমনে প্রকৃতপক্ষে যা করা দরকার সেটা করা যাবে না, বাধাগ্রস্ত হবে। বিএনপি ব্যারেল ফাঁকা আকাশের দিকে ঘোরাতে চাইবে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্থানীয় যে সব জঙ্গী সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য গ্রেফতার হয়েছে, তাদের পূর্ব রাজনৈতিক রেকর্ড, স্বীকারোক্তি, বই, প্রচারণার কাগজপত্র এবং ডকুমেন্ট ইত্যাদির মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। এরা সবাই জামায়াত এবং অন্যান্য উগ্র ইসলামিস্ট দলের সশস্ত্র ফ্রন্ট হিসেবে কাজ করছে। এর বহু প্রমাণ নাম-ধাম, ঘটনার দিন-তারিখসহ ব্যাপকভাবে পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। নতুন করে তা লিখে কলামের স্পেস নষ্ট করতে চাই না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস কমিটি থেকেও একই কথা বলা হয়েছে।

বিএনপির কিছু নেতা ও বুদ্ধিজীবী মাঝে মধ্যে বলেন, সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করলেই তো পারে। তা না করে সরকার বিএনপির ওপর দায় চাপাতে চায় কেন? এটা দায় চাপানোর কথা নয়। দল হিসেবে বিএনপিকে কেউ ছোট করে দেখে না। তারা জামায়াতের মিত্রতা ত্যাগ করুক, জোট থেকে বের করে দিক। তারপর এ দেশের মানুষ যা করার তা করবে। আরও কথা আছে। বাংলাদেশে জঙ্গী তৎপরতার অন্যতম যোগানদাতা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তান দূতাবাসের কর্মকর্তা মাযাহার খান জঙ্গী তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়ে এবং পাকিস্তানে ফেরত যেতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এক সময়ে পাকিস্তানের সংযোগ ও কার্যক্রমের এক নম্বর স্তম্ভ ছিল সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধরী। এই সাকা চৌধুরী যুদ্ধাপরাধের দায়ে গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত, সর্বোপরি বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন সব অবমাননাকর কথা বলেছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এহেন সাকা চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধের দায়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত ফাঁসির দ- বহাল রাখার পর বিএনপি দলীয়ভাবে ওই বিচারকে রাজনৈতিক হত্যাকা- বলার মতো চরম আদালত অবমাননাকর কথা বলতেও দ্বিধা করেনি। কয়েকদিন আগে জেলের অভ্যন্তরে সাকা চৌধুরীকে মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয়েছে। তাই ফাঁসি কার্যকরকে প্রলম্বি^ত করার জন্য সরকারের ওপর বিদেশী শক্তির চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং সরকারকে অস্থিতিশীল করতে সাকা চৌধুরীর ক্যাডার বাহিনী সিজার তাভেলাকে হত্যা করেছে কিনা, সেই সন্দেহও অনেকের মনে প্রবলভাবে কাজ করছে। তাই সাকা চৌধুরী সম্পর্কে আগের অবস্থান বজায় রেখে জঙ্গী দমনে ঐক্যের কথা বললে তার বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে না। সুতরাং রাষ্ট্রের মৌলিক আদর্শের জায়গায় বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে রাজনীতির চরম বিভাজন দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন ইস্যুতেই জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না। এই জায়গায় বিএনপিকে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। মুক্তিসংগ্রামের ঐতিহ্য এবং বাঙালী সংস্কৃতির সহজাত শক্তি আজ অনেক বড়-বিশাল মহীরুহ হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। এই শক্তির বলেই শত প্রতিকূলতাকে ডিঙ্গিয়ে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ ইতিবাচক একটি টার্নিং পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। এই টার্নটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে, যার সম্ভাবনা ক্রমশই উজ্জ্বল হচ্ছে, ধর্মাশ্রয়ী ও সামরিক সংস্কৃতির রাজনীতি এবং উগ্রবাদী জঙ্গী গোষ্ঠী কোণঠাসা হয়ে প্রান্তিক অবস্থানে চলে যাবে। তবে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়টি কতটুকু লম্বা হবে সেটাই এখন বড় কথা। এই সময়ে ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক পক্ষ এবং তাদের সশস্ত্র ফ্রন্টের আক্রমণে আরও কত রক্তক্ষরণ হবে, সেটাও এখন বড় আশঙ্কা এবং দুশ্চিন্তার জায়গা। মূল কথা এখানেই। বিএনপি জামায়াত ধর্মান্ধদের ত্যাগ করে প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে ফিরে এলে বাংলাদেশের এই টার্নিংটা কম রক্তক্ষরণে সম্পন্ন হওয়ার আশা করা যেত। বিশ্ব সভ্যতার ক্রমবিকাশের ইতিহাস, যুগে যুগে জনপদের, রাষ্ট্রের মুক্তিসংগ্রামের শিক্ষা যদি সত্যি হয়, তাহলে বাঙালী জাতির ২৩ বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম এবং একাত্তরে ৩০ লাখ মানুষের জীবন বিসর্জন বৃথা হয়ে যেতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিসংগ্রামভিত্তিক সকল অর্জন বিসর্জন দেয়ার জন্য, সব কিছুকে ভুলিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে দুই সামরিক শাসক এবং তাদের প্রতিভূরা নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা করেছে। কিন্তু পারেনি। আগামীতেও পারবে না। বাংলাদেশকে কেউ ধর্মান্ধ জঙ্গী রাষ্ট্র বানাতে পারবে না। সুতরাং জাতীয় ঐক্য চাইলে বিএনপিকে একাত্তরের পরাজিত এবং ধর্মান্ধ উগ্রবাদীদের ত্যাগ করতে হবে।

লেখক : ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক