২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সৌদিতে শিয়াদের ওপর হামলায় নিহত পাঁচ

  • আইএসের দায়িত্ব স্বীকার

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সাইহাতে শুক্রবার শিয়া মুসলিমদের একটি বৈঠকের সময় উপস্থিত লোকদের ওপর হামলাকারী ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বহিনীর সদস্যরা। বন্দুকধারী ব্যক্তিটি গুলি চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছে। আল আরাবিয়া টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। খবর ওয়েবসাইটের

পাঁচজনকে গুলি করে হত্যার পর বন্দুকধারী ব্যক্তিটি পুলিশের গুলিতেই মারা যায়। আইএস জঙ্গী দলের সঙ্গে জড়িত একটি সংগঠন এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছে, গুলিতে নিহত পাঁচজনের মধ্যে একজন নারীও রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও নয়জন। তিনি বলেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটার দিকে অস্ত্র হাতে ওই ব্যক্তিকে দেখা যায়। শিয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান আশুরার জন্য ব্যবহৃত একটি ভবনকে লক্ষ্য করে হামলাকারী একের পর এক গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশের গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হয়। হামলাকারীর পরিচয় জানা যায়নি। সৌদি আরবের সরকারী টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ওই বন্দুকধারীর বয়স আনুমানিক ২০ বছর।

আইএস জঙ্গী দলের সঙ্গে জড়িত ইসলামিক স্টেট-বাহরাইন স্টেট হামলার দায় স্বীকার করেছে। এক ইশতেহারে তারা বলেছে, সুগহা আল দোসারি নামে তাদের এক যোদ্ধা ওই হামলা চালিয়েছে ও নিহত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দিশিবিরে অনশনে ৪৪ বাংলাদেশী

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের এল পাসো ডিটেনশন সেন্টারে থাকা ৬৪ বাংলাদেশীর মধ্যে ৪৪ জন অনশন করছেন। দেশটিতে বসবাসের অনুমতি দেওয়ার পরিবর্তে বহিষ্কারের নির্দেশ জারির পর বুধবার সকাল থেকে তারা অনশন শুরু করেন বলে অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দেশিজ রাইজিং আপ এ্যান্ড মুভিং (ড্রাম)’ এর সংগঠক কাজী ফৌজিয়া।

ফৌজিয়া বলেন, ন্যাশনাল লইয়ার্স গিল্ড এবং নো ওয়ান মোর ডিপোর্টেশন নামে দুটি সংস্থার পক্ষ থেকে অনশনতদের খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। অনশনরত বাংলাদেশিদের মধ্যে মাহবুবুর রহমান নামে একজন বলেন, শামসুদ্দিন নামে একজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। অন্যদের নানা লোভ দেখানো হচ্ছে অনশন ভাঙতে। সিলেটের বিয়ানীবাজারের মাহবুব ছয় মাসের বেশি সময় ধরে ওই বন্দিশিবিরে আছেন। তিনি বলেন, আমরা সবাই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেছি। কারও আবেদনই গ্রাহ্য করা হচ্ছে না। উপরন্তু আমরা যারা বিএনপির কর্মী/সংগঠক হিসেবে আবেদন করেছি, তারা সকলেই নাকি সন্ত্রাসী, এমন মন্তব্য করেছেন ইমিগ্রেশন কোর্টের জজ।

-ওয়েবসাইট