২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আগস্টে সঞ্চয়পত্রে বিক্রি আড়াই হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ লাগাম টানতে সুদের হার কমানো হলেও গেল অর্থবছরজুড়ে রেকর্ড পরিমাণে বিক্রি হয়েছে সঞ্চয়পত্র। বিক্রির এই ধারাবাহিকতা চলতি অর্থবছরেও দেখা গেছে। অর্থবছরের দ্বিতীয় আগস্ট মাসে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি এসেছে, যা গত অর্থবছরের জুলাই মাসের তুলনায় ১৮০ কোটি টাকা বেশি।

জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদফতরের সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের আগস্ট মাসে এ খাতে নীট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৬৫১ কোটি ২৮ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ১৮০ কোটি টাকা বেশি। গত অর্থবছরের জুলাই মাসে সঞ্চয়পত্রে নিট বিক্রি আসে ২ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। তার আগের দুই মাস জুন ও মে মাসে বিক্রির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ১৭০ কোটি এবং ২ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। গত বছরের আগস্টে ২ হাজার ৪৭১ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ৪ হাজার ৬২৭ কোটি ১৯ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৩২৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

জীবনমান উন্নয়নে আয় বৈষম্য কমানোর তাগিদ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কালের বিবর্তনে মানুষের বেড়েছে আয়, উন্নত হয়েছে জীবনযাত্রার মান। তারপরও দারিদ্র্যতার অভিশাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি অনেকে। অর্থনীতিবিদদের মতে, দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের নানা কল্যাণমুখী প্রকল্প থাকলেও কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে সুবিধাবঞ্চিত হয়ে আছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী। এছাড়া দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আয় বৈষম্য কমানোর প্রতিও জোর দেন অর্থনীতিবিদরা।

সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অগ্রগতির সর্বশেষ প্রকাশিত সরকারী প্রতিবেদনে ২০১৫ সালে দারিদ্র্যের হার ২৪.৮। ২০১০ সালে ৩১.৫। ২০০০ সালে ৪৯ শতাংশ। হালিমা বেগম। বয়স নব্বইয়ের ঘরে। জীবনের ক্রান্তিলগ্নে এসেও ক্ষুধার তাড়নায় প্রতিদিনই জীবিকার সন্ধানে রাস্তায় বের হন তিনি। সুবিধাবঞ্চিত গ্রামাঞ্চলের অনেকেই ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় কাজের সন্ধানে ঠাঁই নেন রাজধানীতে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, দৈনিক ১০০ টাকার কম আয়ের মানুষকে দরিদ্র বলা হয়। খেটে খাওয়া মানুষদের অনেকের আয় এর থেকে বেশি হলেও বাস্তবতাই বলে দেয় তারা দরিদ্র। দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারী নানা কল্যাণ তহবিল থাকলেও তা থেকে বঞ্চিত অনেকে। তবুও জীবনের চাকা চলেছে আপন গতিতে।

ভারতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানের রোড শো

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ভারত থেকে লগ্নি টানতে ‘রোড শো’য়ের জন্য গত শুক্রবার কলকাতায় পা রাখল মার্কিন প্রতিষ্ঠান সিলেক্ট ইউএসএ’র প্রতিনিধি দল। যাদের মূল কাজই হলো আমেরিকাকে বিদেশী বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিভিন্ন দেশের সামনে তুলে ধরা এবং সেই লগ্নির পথ মসৃণ করা। এ দিন সিলেক্ট ইউএসএ’র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বিনয় থুম্মালাপলি বলেন, ভারতে এটিই তাদের প্রথম রোড শো। উল্লেখ্য, এ তালিকায় দিল্লী, মুম্বাই ও চেন্নাই থাকলেও শুরুতে বাদ পড়েছিল কলকাতা। পরে দলটিকে রাজ্যে আনতে উদ্যোগী হয় বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স।