১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জামালপুরে সুশিক্ষায় বেড়ে উঠছে বস্তি শিশু

নিজস্ব সংবাদদাতা, জামালপুর, ১৭ অক্টোবর ॥ জামালপুরে সুশিক্ষায় বেড়ে উঠছে ১৫৪ জন বস্তি শিশু। বাবা-মায়ের আদরবঞ্চিত এসব শিশু এখন সুশিক্ষায় শিক্ষিত। শহরের বজ্রাপুর এলাকায় ২০০২ সালে দাতা সংস্থা ইতালির তেরে দেশ হোমস্-এর আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অপরাজেয় বাংলাদেশ। আবাসিকে সর্বক্ষণিক অবস্থান করে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠছে এসব বস্তি শিশু।

আবাসিক সমাজকর্মী তানজুন নাহার জানান, জামালপুর শহরের ১৫৪ বস্তি শিশু এ শাখার তত্ত্বাবধানে শিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠছে।

এখানে আকলিমা খাতুন নামের এক শিক্ষিকা ডে নার্সারি টিচার হিসেবে ৩ থেকে ৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে সকাল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত পাঠদান করেন। এছাড়াও আব্দুল মোতালেব ও আল আমিন নামের দুইজন শিক্ষক কোচিং টিচার হিসেবে আবাসিকে অবস্থানরত প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পাঠদান করেন। আবাসিকে কর্মরত ১৩ জন সমাজকর্মী ওই সব বস্তি শিশুদের শিক্ষাদানসহ সর্বক্ষণিক দেখাশোনা করছেন।

অপরাজেয় বাংলাদেশ জামালপুর শাখার তত্ত্বাবধানে ১৫৪ জন বস্তি শিশু শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করছে। ওই শিশুদের মধ্যে ৭ জন ২০১৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে কলেজে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। আবাসিক সমাজকর্মী তানজুন নাহার আরও জানান, ইতালির সাহায্য সংস্থা টিডিএস ১৪ বছর ধরে আর্থিক সহায়তা দিয়ে জামালপুরের বস্তি শিশুদের লালনপালন করে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করছে। তবে এই শিশুদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠতে দীর্ঘদিন যাবত জামালপুর শহরে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন এ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ, জামালপুরের পৌর মেয়র এ্যাডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেছ আলী মামুন, সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা, মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম ও ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকেই।

সাভারে অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু ॥ তদন্ত কমিটি

নিজস্ব সংবাদদাতা, সাভার, ১৭ অক্টোবর ॥ সাভার থানা রোডে অবস্থিত বেসরকারী চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ‘প্রাইম হাসপাতাল’ এ ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই প্রসূতিকে প্রাইম হাসপাতাল থেকে এনাম মেডিক্যাল কলেজ এ্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনিবার সকালে সেখানে তার মৃত্যু ঘটে।

নিহত প্রসূতির নাম আরিফা বেগম (৩৫)। সে পৌর এলাকার বক্তারপুর মহল্লার মাংস বিক্রেতা হানিফ মিয়ার স্ত্রী। এ সময় নিহত আরিফার স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে প্রাইম হাসপাতাল ভাংচুরের চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ডাঃ খালেদা খাতুন (এ্যানি) জানান, সন্তান প্রসবের পর থেকে আরিফা খাতুনের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (ডিআইসি) হতে থাকে। কোনভাবে তার রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রসূতির শারীরিক অবস্থা আরও খারাপের দিকে যেতে থাকলে হাসপাতালে আইসিও বিভাগ না থাকায় তাকে এনাম মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।