১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিশু নির্যাতনকারীদের বিচার করবই: প্রধানমন্ত্রী

  • # শিশুদের চোখে রাসেলের প্রতিচ্ছবি দেখি

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিনে বাংলাদেশকে ‘প্রত্যেক শিশুর নিরাপদ আবাস’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতনের কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, আমি বুঝি না মানুষ কীভাবে পারে ছোট্ট শিশুকে নির্যাতন করতে! যারা নির্যাতন করবে তাদের বিচার নিশ্চয়ই করব। যে করবে তার বিচার করবই। কাজেই এ ঘটনা যেন বন্ধ হয়।

১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই রাসেল, শিশু বয়সেই ঘাতকের বুলেটে যার মৃত্যু হয়েছিল।

তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার সকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে যদি একটা ঘটনা ঘটে তাহলে একের পর এক একই ঘটনা ঘটতে থাকে। আমি জানি না এটা আমাদের প্রবণতা কি না। আমি আহ্বান জানাই, শিশুদের ওপর নির্যাতন যেন বন্ধ হয়।

সমাজের অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিশুদের অবহেলা না করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুযোগ দেওয়া হলে এই শিশুরাও দেশের সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে প্রতিটি শিশুর জন্য একটি নিরাপদ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে শিশু রাসেলকেও হত্যা করে ঘাতকরা। সে সময় ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত ১১ বছরের রাসেল।

দেশের বাইরে থাকায় সেদিন প্রাণে বেঁচে যান রাসেলের দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘাতকের বুলেট নিষ্পাপ শিশু রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। তাকেও কেড়ে নিয়েছে। আর যেন কোনো শিশুর ভাগ্যে এমন না ঘটে সেটাই আমাদের কাম্য।

ছোট ভাইয়ের কথা মনে করে শেখ হাসিনা বলেন, রাসেল বেঁচে থাকলে এখন তার বয়স হত ৫১ বছর।

“এখন ভাবি, রাসেল বেঁচে থাকলে কেমন দেখতে হত। শিশুদের চোখে রাসেলের প্রতিচ্ছবি দেখি।”

শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে শেখ রাসেলসহ ১৫ অগাস্টে নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শুরু হয়েছে দিনের কর্মসূচি।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনব্যাপী কোরানখানি এবং আছরের পর দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির বাইরে কেক কেটে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন করেছে।