২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কলেরা পোলিও ম্যালেরিয়ার মতো ডেঙ্গুও একদিন নির্মূল করা যাবে

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশাবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কলেরা, পোলিও ও ম্যালেরিয়ার মতো বাংলাদেশ থেকে একদিন ডেঙ্গুকে দূর করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এজন্য বর্তমান সরকার অতি গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। আমরা দেশ থেকে বিভিন্ন প্রকার রোগ চিরতরে বিদয় জানাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছি। তবে ডেঙ্গু দূর করতে সবার আগে প্রয়োজন মানুষের সচেতনতা। রবিবার রাজধানীর গুলশান ইউথ ক্লাব মাঠে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আয়োজিত এক ডেঙ্গুবিরোধী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি ডাক্তার নই, কিন্তু দুই বছরে হাফ এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে গেছি। অনেকটা মুন্না ভাই এমবিবিএসের মতো। তাই আমি জানি কিভাবে ও কোন পদ্ধতিতে ডেঙ্গুভীতি দূর করা সম্ভব। এ সময় অনুষ্ঠানে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া অনেকখানি মুক্ত হয়েছে। একদিন পুরোপুরি ডেঙ্গুমুক্ত হবে। ডেঙ্গুজ্বর হলে ভয়ের কিছুই নেই। এটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগ হলে প্যারাসিটামল ছাড়া এন্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। আমরা সচেতন হলে ডেঙ্গু নিধন সম্ভব। এছাড়া ঘরের ফুলের টব, গ্যারেজের টায়ার-টিউব ইত্যাদিতে জমে থাকা পানির মধ্যে ডেঙ্গু মশা জন্মায়। আপনাদের বলব, সচেতন হোন। একমাত্র সচেতনতাই পারে ডেঙ্গু রোধ করতে। আমরা এজন্য রেডিও টিভিতে প্রচার চালাচ্ছি। কমিশনার সাহেবরা তাদের প্রতিটি পাড়া মহল্লায় প্রচার চালাবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক বলেন, আমরা চাইলে সবকিছু করতে পারি না। কারণ, বসুন্ধরা, বনশ্রী ও উত্তরার হরিরামপুরসহ বহু এলাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় নয়। এসব এলাকায় ব্যাপক মশা জন্মায়। সে কারণে রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। তবে আমরা তা প্রতিরোধে কাজ করছি। এছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের আমরা হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। প্রতিটি রোগীর বাড়ির আশপাশে গিয়ে মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। আমরা মশা নিধনের জন্য অতিরিক্ত পরিমাণ ওষুধ স্টক রেখেছি।

মেয়র বলেন, ১০ বছর আগে ডেঙ্গু ছিল এক আতঙ্কের নাম। ক্যান্সার রোগী মরতে সময় লাগে, কিন্তু ডেঙ্গু হলে ৩ দিনেই মৃত্যু ঘটে। আমরা অন্তত এ থেকে মুক্তি পেয়েছি। ডেঙ্গু এখন নরমাল একটি জ্বর। আমাদের কর্মীরা সব এলাকায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ওষুধ দিচ্ছে।

নির্বাচিত সংবাদ