২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সোনামসজিদ বন্দরে ৪০ পণ্যের আমদানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ সোনামসজিদ স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণার প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য আমদানির ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। যার কারণে বন্দরটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দরের মর্যাদা পেলেও প্রত্যাহার করা হয়নি নিষিদ্ধ বেশকিছু পণ্য, যার সংখ্যা প্রায় ৪০টি অথচ সোনামসজিদ পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর। এখানকার বন্দর দিয়ে এসব পণ্য আসা নিষিদ্ধ হলেও বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আসা পণ্য সোনামসজিদ দিয়ে এলে রাজস্বর পরিমাণ বেশি হবে। রাজস্ব নির্ধারণের ব্যাপারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ। তারা এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত না নেয়ার পরেও ডুপ্লেক্স বোর্ড, নিউজপ্রিন্ট ক্রফট পেপার, সিগারেট পেপারসহ সব ধরনের পেপার, সুতা, গুঁড়োদুধ, জুস, টবেকো, রেডিও টিভি যন্ত্রাংশ, সাইকেল, মোটরসাইকেল যন্ত্রাংশ, ফরমিকা শিট, সিরামিক ওয়্যার, মিক্সড ফেব্রিক্স ইত্যাদি ৪০টি পণ্য সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ রয়েছে। তাই বলে বন্ধ নেই আসা এসব পণ্য। বর্তমানে বৈধ পণ্যের আড়ালে এসব নিষিদ্ধ পণ্য আসা অব্যাহত রয়েছে। মাঝখান থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব হতে। লাভবান হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে ম্যানেজ কর্তৃপক্ষ। ৪০টি অত্যাবশীয় পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ থাকায় সোনামসজিদ এখন রূপান্তরিত হয়েছে পাথর ও পাথর কয়লা এবং ফল আসা বন্দর হিসেবে। যার কারণে বহু আমদানিকারক এই বন্দর ছেড়েছে। পাশাপাশি ধস নেমেছে রাজস্ব আদায়ে। বার বার সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন প্রকাশ্যে ও স্থানীয় রাজস্ব বিভাগ গোপনীয় চিঠিতে অন্য সব বন্দরের মতো সকল পণ্য আমদানির অনুমতি দিতে রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানানোর পরেও তা গ্রাহ্য করা হয়নি। বন্দরটির একটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। উপেক্ষা না করে ধৈর্যসহকারে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলে অদূরভবিষ্যতে ফল অনেক ভাল হবে। বন্দরের প্রাণ সঞ্চার হবে। অবৈধ আমদানিপ্রবণতা কমে আসবে। ইতোপূর্বে যে কয়বার রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান বন্দরে এসেছেন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানি প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কথা বলেছেন।