২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২৫টির ওপর নজরদারি ভারতে আইএস সমর্থক দুটি ওয়েবসাইট ব্লক

ভারতে ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মৌলবাদী চিন্তাধারা ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে এ সপ্তাহেই দুটি ওয়েবসাইট ব্লক করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ নিয়ে এই ধরনের প্রায় ৬০টি ওয়েবসাইট ভারতে বন্ধ করা হলো। যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এদেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর কাজে সক্রিয় ছিল। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

ওয়েবসাইটে জঙ্গী মতবাদ প্রচার ছাড়াও কীভাবে বোমা বানিয়ে নাশকতা ঘটানো যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছিল। গত কয়েক মাস ধরে অব্যাহত নজরদারির পর ওয়েবসাইট দুটি ব্লক করা হলো। দুটি ওয়েবসাইটের ওপর নজর রেখেছিল ইন্টারনেটে নজরদারি করার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’ (সিইআরটি)। তাদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জিহাদের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগে দুটি ওয়েবসাইট ব্লক করে দেয়। একই কারণে জম্মু-কাশ্মীরের এক ব্যক্তির ফেসবুক এ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হয়েছে। সেটির মাধ্যমেও আইএসের ভাবধারা প্রচার করা হচ্ছিল। এছাড়াও এ ধরনের প্রায় ২৫টি ওয়েবসাইটের ওপরে নিয়মিত নজরদারি করছে সিইআরটি। ওয়েবসাইটগুলো বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা জানান, জঙ্গীদের মূল লক্ষ্য মুসলমান সমাজের কিশোর ও তরুণ। সিইআরটি সূত্র বলছে, অসম, জম্মু-কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র বা গুজরাটের মতো রাজ্যগুলোতে ওয়েবসাইটগুলো সব থেকে বেশি দেখা বা লিঙ্ক শেয়ার করা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে চেষ্টা করা হয়েছে মুসলমান সমাজের মধ্যে যত বেশি সম্ভব তা ছড়িয়ে দেয়ার। আর এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ফেসবুককেও।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়েবসাইটগুলোর বক্তব্যকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে রয়েছে সংগঠনের মৌলবাদী চিন্তাধারা। আইএস কী এবং কেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা। সেই সূত্র ধরেই ভারতে মুসলমানরা কীভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে এবং তার প্রতিবাদে দিল্লীর বিরুদ্ধে জিহাদে নামা উচিত সেই যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে রয়েছে, কীভাবে সহজলভ্য জিনিসের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো যায়। সহজে বোমা বানানোর কৌশল, কীভাবে এক বা দুজনের মাধ্যমে বিস্ফোরণ বা হামলা চালানো যায় তার বিবরণ।