২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যাত্রী বৃদ্ধি পেলেও সেবা নিম্নমুখী

  • ঢাকা-রাজশাহী ট্রেন

মামুন-অর-রশিদ, রাজশাহী ॥ দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় রাজশাহী-ঢাকা রুটে চলাচলকারী তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন জৌলুস হারাচ্ছে। আন্তঃনগর সিল্কসিটি, ধূমকেতু ও পদ্মা এক্সপ্রেসের সাধারণ শোভন চেয়ারের পাশাপাশি তাপানুকূল বগিগুলোর এখন করুণদশা। নিরাপদ ও উন্নত ট্রেন যোগাযোগের লক্ষ্য নিয়ে রাজশাহী থেকে পর্যায়ক্রমে এ তিনটি ট্রেন চলাচল শুরু হলেও এখন সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল। ট্রেনে উঠে আয়েশের বদলে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। ক্রমেই রাজশাহী-ঢাকাগামী যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও নিম্নমুখী হয়েছে যাত্রীসেবা। ফলে অনেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন আন্তঃনগর ট্রেন থেকে।

বাসের চেয়ে ট্রেন ভ্রমণ আরামদায়ক হওয়ায় গত কয়েক বছরের ব্যবধানে মানুষ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ট্রেনকেই বেছে নেয়। তবে হালে ট্রেনগুলোর ভেতরের অবস্থা এতটাই নাজুক যে যাত্রীরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের মধ্যে পড়ছেন। এছাড়া মাঝে মাঝেই সিডিউল বিপর্যয় যাত্রী ভোগান্তির আরেকটি কারণে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি রাজশাহী-ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ভ্রমণে গিয়ে দেখা যায়, ট্রেনের করুণ পরিণতি। তাপানুকূল বগির একটিও সিট ঠিক নেই। ফোল্ডিং নষ্ট, হাতল নেই বেশিরভাগ সিটের। ছেঁড়াফাটা সিটকভার। পাদানি নেই। জানালার পর্দাগুলোর বেশিরভাগই নোংরা,অপরিষ্কার। টয়লেটগুলোর অবস্থা আরও করুণ। যেন তাপানুকূল ও সাধারণ চেয়ারের মধ্যে কোন তফাত নেই। ওই ট্রেনের পুরো বগি ঘুরে দেখা গেছে সবগুলোর একই অবস্থা। সাধারণ চেয়ারগুলোর বেশিরভাগই নড়বড়ে। শুরুর দিকে যেভাবে যাত্রীরা আরামে যাতায়াত করতেন ট্রেন যাত্রায় এখন সে তুলনায় অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জনপ্রিয় ট্রেন তিনটি এখন জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার প্রকৌশলী মহিউদ্দিন ট্রেনের বগি ও সিটগুলোর নাজুক পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে বলেন, শিগগিরই এসব ট্রেনের আসন (চেয়ার) পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে একটি করে বগি সৈয়দপুরে (রেলওয়ে কারখানা) নিয়ে সংস্কার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বগি সঙ্কটের কারণে একসঙ্গে সব বগির সংস্কার সম্ভব হচ্ছে না।

নির্বাচিত সংবাদ