২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীর ১৪ পৌরসভায় আগাম নির্বাচনী হাওয়া

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ তফসিল ঘোষণা না হলেও নির্বাচনী প্রচারণায় সরব হয়ে উঠেছে রাজশাহীর ১৪টি পৌরসভা। আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের একাধিক সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী ইতোমধ্যেই নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। প্রার্থীদের রঙিন পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পৌরসভার বিভিন্ন মোড় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। পৌরসভার হাট-বাজার ও বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ছাড়াও মোটরসাইকেল শো-ডাউন করেও অনেকে জানান দিচ্ছেন নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি।

তবে এবার প্রতিটি পৌরসভায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এগিয়ে রয়েছেন তরুণ মুখ। রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠে অবস্থিত পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভায় এবার প্রার্থী হতে চান বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারী খান, সাবেক মেয়র আব্দুল গফুরের ছেলে ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফয়সাল কবীর রুনু, পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান, পৌরসভা বিএনপির একাংশের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ হাসান পিন্টু, পৌরসভা বিএনপির অপরাংশের সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোকবুল হোসেন।

পবা উপজেলার কাটাখালি পৌরসভায় বরখাস্ত হওয়া মেয়র ও জামায়াত নেতা মাজেদুর রহমান মাজেদ, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মেয়র মুক্তাদির রহমান, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রউফ নান্নু, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মুঞ্জুর রহমান, আব্বাস আলী, মতলেব মোল্লা ও মোতাহার হোসেন। বাগমারার উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভায় বর্তমান মেয়র ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ছাড়াও এবার মেয়র প্রার্থী হতে চান হাফ ডজন তরুণ মুখ। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মেয়র ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবু নাঈম সামশুর রহমান মিন্টু, পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলিম বাবু, পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানা, পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি এসএম আরিফ ও জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুজ্জামান মীর তপন। বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী হতে প্রচারণা চালাচ্ছেন বর্তমান মেয়র ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, পৌরসভা যুবদলের সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ ও আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা। মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভায় এবারও মেয়র প্রার্থী হবেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র শহিদুজ্জামান শহীদ এবং বর্তমান মেয়র ও পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো। এ ছাড়া পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি হাফিজুর রহমান মেয়র প্রার্থী হতে প্রচার চালাচ্ছেন। দুর্গাপুর পৌরসভায় বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জাল হোসেন ছাড়াও এবার মেয়র প্রার্থী হতে প্রচারণায় নেমেছেন পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক আজাহার আলী, উপজেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন বাবলু, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ ম-ল, সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান মুন্টু, উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌরসভা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল উদ্দিন, উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির আহবায়ক শামীম হোসেন, পৌরসভা জাতীয় পাটির সভাপতি আব্দুল মালেক। বাঘা পৌরসভায় বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আক্কাস আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান মামুন, পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক মেয়র আব্দুর রাজ্জাক।

বরিশালের ২৩

পৌরসভায়

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল থেকে জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে দলীয় প্রতীক নিয়েই স্থানীয় সরকার (পৌর) নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণার পর পরই দলীয় মনোনয়ন পেতে বরিশাল বিভাগের ২৩ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে প্রার্থীরা দলের হাইকমান্ড থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় গণসংযোগও শুরু করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পাশাপাশি বসে নেই বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দলের কয়েক শ’ সম্ভাব্য প্রার্থী। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের তৎপরতায় বিভাগের ৬ জেলার ২৩ পৌরসভায় নির্বাচন নিয়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বরিশাল নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন থেকে আগামী ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এসব পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বিভাগের ছয় জেলার পৌরসভাগুলো হচ্ছেÑ বরিশালের গৌরনদী, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ ও বানারীপাড়া। ঝালকাঠি জেলার ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভা। ভোলা, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও চরফ্যাশন। পটুয়াখালী, গলাচিপা, বাউফল ও কলাপাড়া। পিরোজপুর পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া ও স্বরূপকাঠী। বরগুনার বরগুনা, আমতলী, পাথরঘাটা ও বেতাগী। জানা গেছে, ২৩টি পৌরসভায় মেয়র পদে শতাধিক, কাউন্সিলর পদে সহস্রাধিক ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রায় ৫ শতাধিক প্রার্থী মাঠে নেমেছেন।