১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যাদবকে উত্তরসূরি বলছেন জহির

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বৃহস্পতিবার জাতীয় দলের বাইরে থেকেই ক্যারিয়ারের ইতি টানেন আধুনিক ভারতের অন্যতম সেরা পেসার জহির খান। অভিমান থেকে বিদায়, জীবনে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়েই বা কি ভাবছেন ৩১১ টেস্ট ও ২৮২ ওয়ানডে উইকেটের মালিক। ভবিষ্যত নিয়েই বা পরিকল্পনা কী? স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলেছেন ৭ অক্টোবর ৩৮-এ পা দেয়া ভারতের এই তারকা ক্রিকেটার। কেন এই অবসর ভাবনা? জহিরের উত্তর, ‘যখন বাস্তবতা অনুভব করলাম, দেখলাম সবকিছু আসলেই শেষ হয়ে আসছে। পরিষ্কার মনে হলো যে, অবসর নেয়ার এটাই সেরা সময়। আন্তর্জাতিক অঙ্গন ছাড়লেও ঘরোয়া ক্রিকেটে, আইপিএলে খেলে যাব।’ ভবিষ্যতে কোচ হবেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘এখনই সেটা বলার সময় আসেনি। তবে যে কোনভাবেই হোক আমি ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে চেষ্টা করব। খেলাটির সঙ্গে থাকলে আপনি অনেক কিছুই করতে পারেন। যখন খেলেছি দেশকে ভালবেসেছি, তবে অবসরে কেন নয়? এখনি না হলেও বিষয়টি আমার ভাবনায় থাকছে।’ ভারত কি সহসা আরেকজন জহির খান পাবে, স্থানীয় ক্রিকেটে এখন এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। জহির নিজে বলছেন উমেষ যাদবের কথা, ‘দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আমি অনেক বোলারের সঙ্গে খেলেছি। শেষদিকে এসে যাদবকে চমৎকার মনে হয়েছে। যে কোন কন্ডিশনে সফল হওয়ার ক্ষমতা ওর রয়েছে। ২৫ বছর বয়সী একটা ছেলে ১৫ টেস্টে ৪৮ এবং ৫২ ওয়ানডেতে ৭২ উইকেট নেয়া বড় কিছুর ইঙ্গিত দেয়। পেসারদের প্রধান শত্রু ইনজুরি। ফিট থাকলে এক সময় ও নাম্বার ওয়ান হবে।’ ইনজুরিতে পড়ে জহিরের ক্যারিয়ার বার বার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা মূর্ত বিষয় হচ্ছেÑ নিয়ন্ত্রণযোগ্য অবস্থাতেই নিয়ন্ত্রণ। ইনজুরিতে পড়লে কোন খেলোয়াড়ই খুশি হন না। খেলা থেকে দূরে থাকাটা অনেক হতাশার। কঠিন পরিস্থিতিতে আপনার নিজেরই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শতভাগ ফিট হয়ে ওঠার জন্য চেষ্টাটা আপনাকেই করতে হবে।’ পেস, দক্ষতা না ফিটনেস, একজন পেসারের জন্য কোনটা আগে? ‘সব কিছুর সমন্বয় হতে হবে। সবটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি আপনি বয়সে যখন তরুণ থাকবেন তখন উচিত যত দ্রুত গতিতে বল করা যায়। গতির জন্য ওটাই সঠিক সময়। যত বেশি খেলবেন তত বেশি দক্ষতা অর্জন করবেন। সুতরাং তিনটি জিনিসই প্রয়োজন। তবে সময়ের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে সেটা করতে হবে।’ কোচিংয়ের মাধ্যমে একজন পেসার কি আদৌ লাভবান হন? ‘অভিজ্ঞতাটা খুব প্রয়োজনীয়। অভিজ্ঞতাই আমাকে সাহায্য করেছিল। অনেকে রানআপ কমানের পরামর্শ দিয়েছেন। কাউন্টিতে খেলার সময় সেটা করেছি। তবে মনে করি, একজন পেসারের জন্য তিনি নিজেই তার সেরা কোচ।’