২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পটুয়াখালীতে দখল-দূষনে হারিয়ে যাচ্ছে জলাধার

পটুয়াখালীতে দখল-দূষনে হারিয়ে যাচ্ছে জলাধার

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী ॥ এক সময়ের নদী বেষ্টিত পটুয়াখালী শহরের শতাধীক পুকুর জলাশয় থাকলেও দখল এবং দূষনের কবলে এর অধিকাংশরই এখন অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে যে কয়েকটি পুকুর টিকে আছে তার অধিকাংশ পানি এখন ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। এ অবস্থায় পুকুর জলাশয় সংরক্ষণে এখনই কার্যকর উদ্দ্যোগ না নিলে আগামীতে বড়ো ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়ে অশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পটুয়াখালী শহরের বড়ো পুকুর গুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসক ও জেলা জজ আদালত ভবনের পেছনের পুকুরটি ছিলো অন্যতম। তবে কোন ধরনের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে সরকারের কোন বিভাগের অনুমতি না নিয়ে বিআইডব্লিউটিএর নদী খননের মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে ওই পুকুরটি। এর ফলে এর প্রভাব পরতে শুরু করেছে ওই এলাকায়। আগে যেখানে মানুষ একটু শীতল পরশ পেতে পুকুর পাড়ে গাছের ছায়ায় দাড়াতো সেখানে এখন পূরো এলাকা যেন মরুভূমির উত্তাপ।

এদিকে শহরের অধিকাংশ পুকুর জলাশয় ভরাট করার পরও যে কয়েকটি পুকুর এখনও টিকে আছে তারাও যেন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। বিশেষ করে শহরের কালী বাড়ি ও মদীনা মসজিদ সংলগ্ন পুকুরটি এখন ময়লা আবর্জনার ভাগারে পরিনত হয়েছে। এর অনেক আগেই পুকুরটির পানি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পরে। যে কোন সময় হয়তো এ পুকুরটিও দখল হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার জানান, শহরে এখন যে সব পুকুর টিকে আছে সে গুলো খনন করে তা সংরক্ষনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্দ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

আর পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল অফিসের পরিচালক সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘প্রতিটা পুকুরের নির্দিষ্ট মালিক রয়েছে। সরকারী পুকুর হলে তা কোন না কোন দপ্তর সেটি দেখ ভালের দায়িত্ব পালন করেন। এসব পুকুর সংরক্ষনে আগে তাদেরকে সচেতন হতে হবে। এর পরেও যদি জাতীয় স্বার্থ ছাড়া কেউ পুকুর ভরাট অথবা দখল করে তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর মামলা দায়ের করবে।’