১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গুলশানে বেপরোয়া গাড়ী ॥ পুলিশের নিস্ক্রিয়তা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

স্টাফ রিপোর্টার॥ গুলশানে ৭৪ নম্বর রোডে বে-পরোয়া গাড়ী চালানোর ঘটনায় জড়িতদের বিষয়েপদক্ষেপ গ্রহণে পুলিশের নিস্কৃয়তা কেন বে- আইনী ঘোষণা করা হবে না তাজানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।একই সঙ্গে গুলশান থানার ওসির বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাহবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে আদালতের জারি করা রুলে । আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (তদন্ত ) ও গুলশান খানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টদেরকে উক্ত রুলের জবাব দিতে বলাহয়েছে।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতিশেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো.ইকবাল কবিরের অবকাশকালীন বেঞ্চ এই আদেশদেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। সঙ্গেছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।অনীক আর হক সাংবাদিকদের বলেন, ১২ অক্টোবর গুলশানে কার রেসিংয়ের সময়দুর্ঘটনা ঘটে।পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।কিন্তু ঘটনার আটদিন পরেও পুলিশ মামলা করেনি। মটরযান আইন অনুসারে ২১ দিনেরমধ্যে মামলা না করলে আর কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তাইজনস্বার্থে সুপ্রীমকোর্টের ছয়জন আইনজীবী রিট করেন। রিটের বাদীরা হচ্ছেন, সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক, কে এইচ বাহার রুমী, মাহফুজ বিন ইউসুফ, শামীম আরা, নাজমুল খন্দকার নাজমুল আহসান ও এসএম আসলাম।এ রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট দুর্ঘটনার ঘটনায় গাড়ীর চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার পুলিশের নিস্কৃয়তা নিয়ে রুল জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

অনীক আর হক বলেন, পুলিশ যথাথ আইনি ব্যবস্থা না নিলে বিষযটি আবারও আদালতেরনজরে আনা হবে।রিট আবেদনে মেডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়। ওইসব প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২ অক্টোবর বিকেল পৌনে চারটার দিকে ঢাকার গুলশানের ৭৪নং সড়কে দুই বন্ধুর কার রেসিং-এর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতেরিকশায় মায়ের কোলে থাকা আনুমানিক তিন-চার বছরের এক শিশু নিহত হয়।অনীক আর হক বলেন, পত্রিকার প্রতিবেদনে দেখেছি গাড়ী চালকের আসনে ছিলেন

আওয়ামীলগের সাবেক এমপি এইচবিএম ইকবালের ভাতিজা ফারিজ রহমান (১৬)।তবেপুলিশ গাড়িটিকে আটক করলেও মালিককে আটক করেনি।