২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রামেও প্রতিষ্ঠা হবে গার্মেন্টস পল্লী

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গার্মেন্টস শিল্পের জন্য গার্মেন্টস পল্লী স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ধরনের পল্লী প্রতিষ্ঠা করা গেলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে রফতানির পরিমাণ ৪০ শতাংশে উন্নীত করা যাবে বলে জানানো হয়েছে বিজিএমইএ সূত্রে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অব্যবহৃত ১১ দশমিক ৬ একর জমিতে গার্মেন্টস পল্লী স্থাপনে মেয়রের সঙ্গে বিজিএমইএ’র আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের সঙ্গেও বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিএমইএ সূত্র জানায়, এক সময় তৈরি পোশাক রফতানির ৪০ শতাংশই চট্টগ্রাম থেকে হত। বর্তমানে তা ৯ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে চট্টগ্রামে গার্মেন্টস পল্লী স্থাপনের কোন বিকল্প নেই। চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ ও উদ্যোগ সময়োপযোগী বলে মত ব্যক্ত করেছেন বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যমআয়ে পরিণত করার প্রধানমন্ত্রীর যে ভিশন তা বাস্তবায়নে তৈরি পোশাক রফতানি খাতে আয় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জনে চট্টগ্রামের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরী বলে ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন এবং জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন পৃথক পৃথকভাবে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে সার্বিকভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। মেয়র ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোঃ ফেরদৌস, পরিচালক এএম মাহবুব চৌধুরী, প্রাক্তন পরিচালক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী ও চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ নব নির্বাচিত পরিচালত আ ন ম সাইফুদ্দিন, কাজী মাহবুব উদ্দিন জুয়েল, মোঃ সাইফ উল্লাহ, সৈয়দ মোঃ তানভীর, আমজাদ হোসেন চৌধুরী, প্রাক্তন পরিচালক মোঃ আবদুল ওহাব, অঞ্জন শেখর দাশ, মোঃ মুসা এবং সদস্য শওকত ওসমান, এসএম জাহিদ চৌধুরী, আবদুল হালিম দোভাষ, এমএ হান্নান, এনামুল আজিজ চৌধুরী, গাজী গোলাম জাকারিয়া জ্যোতি প্রমুখ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিবরণী জমা সহজ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিবরণী জমা সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন আর্থিক তথ্য (স্টেটমেন্ট অব এ্যাফেয়ার্স) প্রতি মাসের পরিবর্তে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রতি মাসের তারল্যের বিবরণী শুধু অনলাইনে পাঠালে চলবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এতদিন প্রতি মাসের সম্পত্তি, দায়, পরিচালন মুনাফাসহ বিভিন্ন তথ্য পরবর্তী মাসের ৭ দিনের মধ্যে পাঠাতে হতো। তবে এত কম সময়ে এসব প্রস্তুত না হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা ধারণাভিত্তিক তথ্য দিত। এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের পক্ষ থেকে প্রতি মাসের পরিবর্তে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে তথ্য নেয়ার অনুরোধ করা হয়। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মাসের তারল্যের বিবরণী হার্ড কপির পরিবর্তে আরআইটির মাধ্যমে অনলাইনে পাঠালে চলবে। পরবর্তী মাসের ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে হবে। আগামী নবেম্বর মাস থেকে অক্টোবর মাসের বিবরণী পাঠাতে হবে।

নির্বাচিত সংবাদ