২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিবসেনা আতঙ্ক-ভারত ত্যাগ আকরাম, শোয়েব ও দারের

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ভারতের কট্টর হিন্দুবাদী দল শিবসেনার পাকিস্তান বিরোধী কর্মকা-ের কারণে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এ কারণে আগেভাগেই ভারত ছেড়ে দেশে ফিরে গেছেন দুই সাবেক পাক ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম ও শোয়েব আখতার। এ দু’জনই চলমান ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অপরদিকে, আইসিসির এলিট প্যানেল আম্পায়ার আলিম দারকেও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। তিনিও ফিরে গেছেন। আলিম দারকে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন না করার হুমকি দিয়েছিল শিবসেনা। রবিবার ভারত সফরে আসেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান ও প্রধান নির্বাহী নাজাম শেঠি। সোমবারই মুম্বাইয়ে অবস্থিত ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) কার্যালয়ে বোর্ড সভাপতি শশাঙ্ক মনোহরের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিল দু’জনের। কিন্তু সকাল থেকেই বিসিসিআইয়ের সামনে শিবসেনার আন্দোলন এবং পরবর্তীতে শশাঙ্কের কক্ষে ইট-পাথর ছুড়ে মারা ও পিসিবির সঙ্গে সব আলোচনা বন্ধের সেøাগান সবকিছু প- করে দিয়েছে। পাকবিরোধী সেøাগানও দিয়েছে তারা। সফরকারী প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আলিম দারকে আর আম্পায়ারিং না করার হুমকিও দেয় তারা। অবশেষে আইসিসি দুই ওয়ানডে বাকি থাকতেই এ পাক আম্পায়ারকে সরিয়ে নিলো আইসিসি। এ বিষয়ে আইসিসি এক বিবৃতিতে বলে, ‘মুম্বাইয়ে সোমবারের ঘটনাটি কিছু আতঙ্কবাদী গোষ্ঠী ঘটিয়েছে। সেজন্যই দারকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।’ দারের বিষয়টি জানার পরপরই ওয়াসিম ও শোয়েব ভারত ত্যাগ করেন। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে চতুর্থ ওয়ানডেতে ধারাভাষ্য দেয়ার কথা ছিল এ দুই সাবেক পেসারের। ওয়াসিমের এজেন্ট আরসালান হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রথম তিন ওয়ানডেতেই ম্যাচ পরিচালনা করেছেন দার। চতুর্থ ও পঞ্চম ওয়ানডেতেও তার আম্পায়ারিং করার কথা ছিল। কিন্তু শিবসেনা হুমকি দেয় দারকে যেন আর আম্পায়ারিং না করানো হয়। দারকে সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে আইসিসি মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের মনে হয় না এ ধরনের পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক থেকে নিজের যোগ্যতা অনুসারে সর্বোচ্চ সেরা নৈপুণ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হবেন দার। আর সেজন্য তাকে প্রত্যাহার করা হলো তার পরিবর্তিত আম্পায়ার হিসেবে অন্য কারও নাম অচিরেই জানিয়ে দেয়া হবে।’ সোমবার শিবসেনার ওই প্রতিবাদের পর বিসিসিআই সেক্রেটারি অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘সৌরাষ্ট্রেও এমন প্রতিবাদ হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে যেহেতু সেখানে প্রায় ৫০ হাজার দর্শক উপস্থিত থাকেন। কাজেই এখানে হুমকি এবং আশঙ্কার কী আছে? ভারতকে আগামী বছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে হবে।