১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুমিল্লায় অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

  • ব্যাংকের গ্রাহকের টাকা লুট

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুমিল্লা, ২০ অক্টোবর ॥ কুমিল্লায় প্রাইম ও পূবালী ব্যাংকের দুই গ্রাহকের সাড়ে ১১ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ আবু তাহের, শহিদুল ইসলাম ও একরাম নামের দুর্ধর্ষ তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারী আবু তাহের নগরীর সংরাইশ এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে, সহিদুল ইসলাম কাপ্তান বাজার এলাকার আবদুস ছোবহানের ছেলে ও একরাম বজ্রপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে। পুলিশ জানায়, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের কুমিল্লা মহানগরীর ছাতিপট্টি শাখা থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর শাসনগাছা এলাকার বাদল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে বাসায় ফেরার পথে রেইসকোর্স এলাকায় পৌঁছামাত্র ওই ছিনতাইকারীরা পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এছাড়া ছিনতাইকারীদের ওই দলটি গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) মহানগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের পূবালী ব্যাংকের শাখা থেকে আরএফএল কোম্পানির প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন এক লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে যাওয়ার পথে একইভাবে অস্ত্রের মুখে টাকা ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার পূবালী ব্যাংক শাখার গ্রাহকদের টাকা ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নেয়।

বরিশালে দুর্গা মন্দিরে হামলা ॥ প্রতিমা ভাংচুর আটক সাত

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ জেলার উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পূর্ব হারতা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে একদল সন্ত্রাসী সোমবার রাতে হামলা চালিয়ে তিনটি প্রতিমা ও আসবাবপত্র ভাংচুরসহ সাজসজ্জা তছনছ করেছে। হামলাকারীরা চার নারী পূজারীকে লাঞ্ছিতসহ ৫ জনকে পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে গ্রামবাসী ধাওয়া করে তিনটি মোটরসাইকেলসহ হামলাকারী সাতজনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

হারতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হরেন রায় জানান, সোমবার দুপুরে পূজার চাঁদা তোলার সময় পার্শ্ববর্তী বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী গ্রামের জনৈক মেহেদী হাসানের মোটরসাইকেল থামানোকে কেন্দ্র করে চাঁদা উত্তোলনকারীদের বাগ্বিত-া হয়। এ ঘটনার জের ধরে রাত আটটার দিকে মেহেদীর নেতৃত্বে মান্নান মৃধা, মানিক মৃধাসহ ১০/১২ সন্ত্রাসী মোটরসাইকেলযোগে আকস্মিকভাবে এসে মন্দিরে হামলা চালায়। হামলাকারীরা মন্দিরের গণেশ, কার্তিক ও অশুরের প্রতিমা ও চেয়ার-টেবিল ভাংচুরসহ সাজসজ্জা তছনছ করে। মন্দিরের পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি উত্তম বিশ্বাস বলেন, গ্রামবাসী ধাওয়া করে তিনটি মোটরসাইকেলসহ হামলাকারী সাত সন্ত্রাসীকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল, মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম-পিপিএম, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা পূঁজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অপূর্ব কুমার বাইন রন্টু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সীমা রানী শীল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।