১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঠাকুরগাঁওয়ে টেন্ডারের লটারিতে অনিয়ম ॥ সড়ক ভবন ঘেরাও

  • নির্বাহী প্রকৌশলীর চম্পট

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও, ২০ অক্টোবর ॥ ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ সড়কের নির্মাণ কাজের টেন্ডারের লটারি অনুষ্ঠানের নামে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সেলামীর বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দেবার অভিযোগ উঠেছে। বিক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা বিতর্কিত লটারি বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার সড়ক ভবন ঘেরাও করে। আর ঠিকাদারদের ভয়ে অফিস থেকে পালিয়ে যান নির্বাহী প্রকৌশলী। অভিযোগে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও হতে পীরগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত ২২ কিঃ মিটার রাস্তা সংস্কার ও উভয় পাশে ৬ ফুট রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য ঠাকুরগাঁও সড়ক ও জনপদ বিভাগ থেকে ৫ কোটি ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ১৫৮ দশমিক ১৬০ টাকার প্রাক্কলন ধরে টেন্ডার আহ্বান করা হয় যার আইডি নং-২৯৮৪৫। যথারীতি উক্ত কাজের বিপরীতে ১৪টি সিডিউল বিক্রি হয় এবং টেন্ডার ফেলার শেষ দিনে মঙ্গলবার ৯ জন ঠিকাদার সিডিউল ড্রপ করেন।

তার মধ্যে সঠিকভাবে টেন্ডার দাখিলে ব্যর্থ হওয়ায় একজন ঠিকাদারের সিডিউল বাতিল করা হয়। এ ব্যাপারে সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ের ঠিকাদারগণ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লটারির বিষয় জানতে গেলে নির্বাহী প্রকৌশলী ইনভুলেশন না পাঠানোর অজুহাতে কয়েকদিনের মধ্যে টেন্ডারের লটারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান। নির্বাহী প্রকৌশলীর কথাবার্তায় সন্দেহ হলে ঠিকাদারগণ দিনাজপুর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পান যে, দিনাজপুর সড়ক জনপদ অফিসে গোপনে লটারি করা হয়েছে এবং মোটা অংকের সেলামীর বিনিময়ে একজন ঠিকাদারকে কাজ দেয়া হয়েছে। এতে ঠাকুরগাঁও জেলার ঠিকাদারদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং মঙ্গলবার দুপুরে তারা ঠাকুরগাঁও নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘেরাও করে। অবস্থা বেগতিক দেখে নির্বাহী প্রকৌশলী পুলিশে খবর দিয়ে নিজে অফিস থেকে পালিয়ে যান। পরে ঠিকাদারগণ টেন্ডারের ভুয়া লটারি বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক, সড়ক জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেন।

চাপের মুখে মামলা প্রত্যাহার ॥ বিচার বঞ্চিত সেই ছাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ বিচার বঞ্চিত হলো ধর্ষণের শিকার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সেই ছাত্রী। চাপের মুখে ওই ছাত্রী অভিযোগ তুলে নেয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষক সৈয়দ মাহফুজ আল হাসানকে অব্যহতি দিয়েছে আদালত। তবে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে ওই শিক্ষক-ছাত্রী’র অন্তরঙ্গ ও আপত্তিকর ছবি। এ কারণে আদালত মামলার নিষ্পত্তি করলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মামলা করার পর অব্যাহত চাপ ও হুমকির মুখে বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ তুলে নেয়। আর পুলিশও চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর গত ১১ অক্টোবর আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেন। অব্যাহতি পেয়ে শিক্ষক মাহফুজ আল হাসান ১৯ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ তুলে নেয়ার জন্য যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেছেন। তবে মামলা নিষ্পত্তি হলেও ওই শিক্ষক-ছাত্রীর আপত্তিকর ও অন্তরঙ্গ মুহূর্তের অসংখ্য ছবি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে।