১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুক্তির অপেক্ষায় টেক্সাসের বাংলাদেশি বন্দিরা

মুক্তির অপেক্ষায় টেক্সাসের বাংলাদেশি বন্দিরা

অনলাইন রির্পোটার ॥ অনশন ভেঙেছেন টেক্সাসের এল পাসো ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীরা।

রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মুক্ত থাকা যাবে- এই আশ্বাসের ভিত্তিতে ১৫৬ ঘণ্টা পর অনশন ভেঙেছেন তারা।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় তারা অনশন ভাঙেন।

দূতাবাসের মিনিস্টার (কনস্যুলার) শামসুল আলম চৌধুরী জানান, কয়েকটি শর্তে ওই ডিটেনশন সেন্টারের ৪৮ বাংলাদেশি বন্দির সবাইকেই মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট কর্তৃপক্ষ।

দেশে ফেরত পাঠানো ঠেকাতে গত ১৪ অক্টোবর অনশন শুরু করেন বাংলাদেশিসহ ৫৪ জন। এদের মধ্যে থেকে দুইদিন পর ১১ বাংলাদেশিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এছাড়া আরও ১৪ জনকে স্থানান্তর করা হয় লুইজিয়ানায়। তারাও অনশনে রয়েছেন। তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে বন্দিদের অনশনের খবর গণমাধ্যমে আলোচিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে ১৯ অক্টোবর এল পাসো ডিটেনশন সেন্টারে যান বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা শামসুল আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, “ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর অনশনরতদের মুক্তির পথ খোলে।”

দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়, বাংলাদেশ দূতাবাস সব বন্দির জন্যে পাসপোর্ট দেবে এবং প্রত্যেক বন্দির মুক্তির জন্যে একজন করে ‘স্পন্সর’ লাগবে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী কোনো বাসিন্দা তাদের জন্য মুচলেকা দেবেন।