২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশকে বাণিজ্য বাড়াতে হবে

  • বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে নজর দিতে হবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির ডায়াগনস্টিক ট্রেড ইন্টিগ্রেশন স্টাডি শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য বিশেষ করে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, প্রতিবছর যে ২০ লাখ যুবক কর্মের বাজারে প্রবেশ করছে তাদের জন্য। বুধবার এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটির বাংলাদেশ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানানো হয়।

প্রতিবেদন বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জোহানেস জাট বলেন, দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বাংলাদেশকে রফতানি বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে বড়, মাঝারি ও ছোট সব বাজারেই রফতানি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পোশাক শিল্পে সাফল্য লাভ করেছে। কিন্তু অন্যান্য শিল্পেও সফলতা আনতে পারে। যেসব ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে- পাটভিত্তিক শিল্প, জুতা শিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্প, জাহাজ নির্মাণ, ওষুধ শিল্প, লাইট ইন্ড্রাস্ট্রি বিশেষ করে বাইসাইকেল শিল্প।

স্টাডিতে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিত বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রতি। রফতানি প্রবৃদ্ধি দ্রুত বাড়াতে হলে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাজার বহুমুখীকরণ করতে হবে। সেই সঙ্গে রফতানি পণ্যের তালিকা বাড়াতে হবে। বলা হয়েছে, শ্রমিকের সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্রেতা আকর্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তাছাড়া প্রতিবাজারের প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে সাফল্যজনকভাবে রফতানি বাড়াতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

স্টাডিতে বলা হয়েছে, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ বিভিন্ন খাত উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, ওষুধ, বাইসাইকেল এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পে। বাংলাদেশের প্রয়োজন হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ যেমন চীন ও ভারত, এশিয়ান দেশ যেমন দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সঙ্গে নিবির যোগাযোগ গড়ে তোলা। কারণ এসব দেশে বাজার সম্প্রসারণের যেমন সুযোগ রয়েছে তেমনি সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ আনতে বাংলাদেশকে যেসব উদ্যোগ নিতে হবে- জমির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত ও গ্যাস সরবরাহ, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ঢাকা-চট্টগ্রাম রোড এবং রেল করিডর উন্নতসহ স্থল ও সমুদ্রবন্দরকে দ্রুত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের ব্যবস্থা করা।