২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রেমিটেন্স প্রেরণে এগিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা চলতি (২০১৫-১৬) অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসে মোট ১৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। বরাবরের মতোই দেশভিত্তিক রেমিটেন্স প্রেরণের শীর্ষে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। এখান থেকে আলোচ্য মাসে মোট রেমিটেন্স এসেছে ৭৬ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত দেশভিত্তিক রেমিটেন্স প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা জুলাই মাসে ৭৬ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে বরাবরের মতো রেমিটেন্স পাঠানোর দিক থেকে সৌদি আরব শীর্ষে রয়েছে। এদেশ থেকে মোট ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের অন্যান্য দেশ থেকে থেকে ৫১ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিটেন্স প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন। আলোচ্য সময়ে সৌদির পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এ দেশ থেকে ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে। এরপরই রয়েছে কুয়েত, ওমান, বাহরাইন ও কাতারের স্থান। এসময় কুয়েত থেকে ৮ কোটি ৮৯ লাখ, ওমান থেকে ৮ কোটি ৫৮ লাখ, বাইরাইন থেকে ৫ কোটি ১৯ লাখ ও কাতার ৩ কোটি ১৯ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা। অন্যদিকে একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে।

প্রতিযোগিতায় টিকতে বস্ত্রশিল্পকে সহায়তা করবে সরকার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিদেশী কাপড়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্র শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে বুধবার স্পেশালাইজড টেক্সটাইলস মিলস এন্ড পাওয়ারলুম ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সরকারের সহায়তা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্র শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোকে পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। মির্জা আজম বলেন, দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্র শিল্পের প্রসারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তাই বিদেশী কাপড়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি কমাতে হবে। পাশাপাশি বস্ত্র ও পোশাক রফতানি বাড়াতে হবে।