২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পিছিয়ে পড়েও সলিডের দুর্দান্ত জয়

  • শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবলে কলকাতা মোহামেডানের হার ২-১ গোলে

স্পোর্টস রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে ॥ ফুটবল যেমন গোলের খেলা, তেমনি অসম্ভবকে সম্ভব করার খেলাও। সেই সম্ভব করে দেখালো শ্রীলঙ্কার সলিড স্পোর্টস ক্লাব। পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয়ার্ধের দুই গোলে কলকাতা মোহামেডানকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া লীগের শিরোপাধারীরা। চট্টগ্রামের এমএ আজীজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে বুধবার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমার্ধে বিজয়ী দল পিছিয়ে ছিল ০-১ গোলে। এই হারে ম্লান হয়ে যায় খেলা শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে ঢাকা থেকে বাফুফের সহায়তায় কলকাতা মোহামেডানের পাঁচ ফুটবলারকে (তিন বিদেশী, দুই ভারতীয়) বিশেষ হেলিকপ্টারে উড়িয়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসাটা! ৩৮ মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে উড়ে আসা বল ছোট বক্সের একটু বাইরে থেকে আলতো টোকায় সলিড গোলরক্ষক আইটিএম ফাজিলের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়ান মোহামেডানের তাউরুস তেকোমপ্লেহ মান্নাহ (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরায় সলিড। সতীর্থের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করতে করতে এগিয়ে যাওয়া নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার এ.ও শোলা বক্সের বাইরে থেকে গতিময় শটে লক্ষ্যভেদ করেন (১-১)। যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি ড্রতেই শেষ হবে তখন ৮৮ মিনিটে গোল! ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় সলিড! ভি ফিগুরাদোর ফ্রি কিকে কলকাতা মোহামেডানের মনিরুল ম-ল হেড করলে বল যায় এস জেনানারুবানের পায়ে। চমৎকার শটে গোল করেন এই মিডফিল্ডার (২-১)। এই স্কোরলাইন ধরে রেখেই ম্যাচ জিতে অসাধ্য সাধন করে তারা। ম্যাচ শেষে কলকাতা মোহামেডানের কোচ সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাফুফের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তারা সাহায্য না করলে আজ হয়তো ম্যাচে দলই নামাতে পারতাম না! ভিসা জটিলতায় আমার পাঁচ ফুটবলার সময় মতো দলের সঙ্গে আসতে পারেনি। বাফুফে তাদের ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। ওরা ৪০ ঘণ্টার মতো জার্নি করে এসে যতটুকু পারে খেলেছে। আমি দলের খেলায় সন্তুষ্ট হলেও ফলে সন্তুষ্ট নই। সিলি মিসটেক এবং মনোসংযোগের অভাবেই আমরা দু’টো গোল হজম করেছি। তবে এই হারে আমাদের শেষ চারে যাওয়ার সম্ভাবনা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। বাকি ম্যাচগুলো জিতে লক্ষ্য পূরণের যে সুযোগ আছে সেটাকে ভাল মতোই কাজে লাগাতে চাই।’ সলিড এসসি‘র কোচ ডব্লিউপিএস জাসমিন বলেন, ‘আমরা ম্যাচের শুরুতে ভাল খেলতে পারিনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই গুছিয়ে ভাল খেলতে শুরু করি। প্রাপ্ত সুযোগগুলোর দু’টিকে কাজে লাগিয়ে গোল করে ম্যাচ জিততে সক্ষম হয়েছি। এজন্য খুব ভাল লাগছে। আশাকরি এই জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারব।’