২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কক্সবাজারে বন্যাদুর্গতদের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে জালিয়াত চক্র

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজারে পেকুয়া উজানটিয়া এলাকায় দু’দফা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২শ’ জনকে দেয়া অর্থ সহায়তা হাতিয়ে নিতে জালিয়াত চক্র কৌশল হাতে নিয়েছে। ৩২ উপকারভোগীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পাল্টিয়ে তিন হাজার টাকা হারে ইতোমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে ৯৬ হাজার টাকা। একই উপকারভোগীর প্রত্যেককে দ্বিতীয় কিস্তির আরও ছয় হাজার টাকা করে দেয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পাল্টানোর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। উপকারভোগীরা বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর চূড়ান্ত তালিকার ৩২ উপকারভোগীর নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর সব ঠিকঠাক রেখে শুধু ছবি পাল্টিয়ে অন্য ৩২ জনের ছবি লাগিয়ে দেয় জালিয়াত সিন্ডিকেট। প্রথম কিস্তির তিন হাজার টাকা হারে উত্তোলন করার পর দ্বিতীয় কিস্তির ছয় হাজার টাকা নিতে আসে ভূয়া কার্ডধারীরা।

ওই সময় চূড়ান্ত তালিকার উপকারভোগীরা ব্যাংকে হাজির হয়ে রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তাদের অভিযোগ দেয়। রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তারাও তদন্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির সত্যতা পান। বৈধ ২শ’ জনের মধ্যে ১৬৮ জনকে দ্বিতীয় কিস্তির ছয় হাজার টাকা হারে দেয়া হলেও ছবি জালিয়তি করা ৩২ জনকে টাকা উত্তোলন করতে দেননি তারা। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এক কর্মকর্তা জানান, সাইক্লোন- কোমেন অপারেশন ২০১৫ প্রকল্পের আওতায় পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ওই ২শ’ জনকে দুই কিস্তি করে নয় হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের তালিকাটি চূড়ান্ত করা হয়। স্বচ্ছতার জন্য প্রত্যেক উপকারভোগীকে চেক দিয়ে জনতা ব্যাংক পেকুয়া শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন, কাজে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও চৌকিদারদের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তের তালিকা। তিনি আরও বলেন, ‘৩২ জনের ছবি পাল্টিয়ে অন্য ৩২ জনের ছবি লাগিয়ে দেয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। চূড়ান্ত তালিকায় নাম থেকেও ৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অর্থ সহায়তা পাননি।

রাজশাহীতে দু’পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

শিক্ষকের সঙ্গে প্রতারণা

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কুরবান আলীর চাকরির মেয়াদ আরও দুই মাস থাকলেও তাকে জোর করে বাধ্যতামূলক অবসর গ্রহণের আবেদনে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে শিক্ষক কুরবান আলী চারঘাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বাঘা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস সবুর জানান, উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কুরবান আলীর চাকরির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২২ ডিসেম্বর। তবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্যসহ এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী তাকে জোর করে অবসর গ্রহণের জন্য চাপ সৃষ্টি করে।

মঙ্গলবার শিক্ষক কুরবানী আলীকে মীরগঞ্জ বাজারে ডেকে নেন ভানুকর গ্রামের গাজিউর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি। পরে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক কাজিম উদ্দিনের ফার্মেসিতে বসিয়ে জোর করে অবসর গ্রহণের একটি আবেদনপত্রে শিক্ষক কুরবান আলীর নিকট থেকে স্বাক্ষর নেয় গাজিউর রহমান, কাজিম উদ্দিন ও আনিসুর রহমান।