২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারত-পাকিস্তানসহ প্রায় দেশে স্থানীয় নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে

  • গণতন্ত্র শক্তিশালী করবে

শাহীন রহমান ॥ পক্ষে-বিপক্ষে নানা বিতর্ক থাকলেও দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন বেশিরভাগ স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দেশে অনেক দিন ধরেই নির্দলীয় ব্যানারে দলীয় ছোঁয়ায় পরিচালিত হয়ে আসছে স্থানীয় নির্বাচন। সরাসরি দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচনের সরকারী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এখন আইনগত ভিত্তি লাভ করেছে মাত্র। বাকি সবকিছুই দলীয়ভাবে পরিচালিত হয়ে এসেছে এতদিনে।

তারা বলছে, সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশের গণতন্ত্রের ভিত মজবুত হওয়ার পাশপাশি তৃণমূলের সাধারণ জনগণ রাজনৈতিক ও তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠবে। প্রায় সব মানুষই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যে চলে আসবে। ফলে তৃণমূল থেকেই উঠে আসবে দেশের নেতৃত্বে। এছাড়াও দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন হলে দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সহজ হয় বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞই।

নির্দলীয় বিধানে দেশে স্থানীয় সরকারী নির্বাচন পরিচালনা হয়ে আসলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন থেকেই দলীয় ভিত্তিতেই এসব নির্বাচনের আয়োজন হয়। উপমহাদেশে ভারত পাকিস্তানসহ প্রায় সব দেশেই এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এতদিকে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিল কেবল বাংলাদেশ। তবে দীর্ঘদিন পরে হলেও দেশের দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মত দিয়েছে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নির্বাচনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখলে দেখা যাবে প্রায় সব রাজ্যেই দলীয় ভিত্তিতেই পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালু রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পরে এ নির্বাচনী ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হয়। গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন ক্ষেত্রে সূচিত হয় বিপ্লব। ১৯৭৩ সালের পর থেকে বেশ কয়েকবার পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন সংশোধন করা হয়। এই আইন অনুসারে ১৯৭৮ সালের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত ত্রিস্তরের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভারতে এই প্রথমবার দলীয় প্রতীকের ভিত্তিতে একই দিনে পঞ্চায়েতের তিনটি স্তরে নির্বাচন হয়। সেই থেকে এখন অবধি এ ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়া পশ্চিমা বিশ্বে বিশেষ করে ইংল্যান্ড আমেরিকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালিত হয়ে আসছে দলীয় ভিত্তিতে।

সরকার গত ১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে দেশের স্থানীয় সব নির্বাচন ব্যবস্থা দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সরকারের যুক্তি হলো এতদিনে নির্দলীয় ব্যানারে রাজনৈতিক ছোঁয়ায় পরিচালিত হয়ে আসছে সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে সব স্থানীয় নির্বাচন। তাদের যুক্তি হলো এখন থেকে সরাসরি দলীয় ভিত্তিতে হতে হবে এ নির্বাচন। তবে মন্ত্রিসভায় এ প্রস্তাব অনুমোদনের পর দেশের বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষমতার বাইরে থাকা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড় থাকা বিরোধী রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দাবি করা হয়েছে সরকার এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের নীলনক্সা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

তবে এ সিদ্ধান্তের পর বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার কখনই দলের বাইরের কিছু নয়। তাহলে এ নির্বাচন জনপ্রতিনিধিরা কেন দলীয় প্রভাবমুক্ত থাকবে। তাদের মতে, আগের স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই কোন না কোন প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছিল। তাদের হয়ে প্রচারেও অংশ নিয়েছে। কিন্তু পরে সেই প্রার্থী পরাজিত হলে তার দায়ভার আর নেয়নি। তাই অনেকেই এ ব্যবস্থার অবসান চাইছে। সরকারী সিদ্ধান্তের ফলে এখন সেই সুযোগ থাকবে না। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিলে কেউ নিশ্চয়ই দায় এড়াতে পারবে না। এর ফলে দেশে গণতন্ত্রের চর্চাটা আরও বাড়বেই।

এ বিষয়ে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা সম্প্রতি বলেন, ‘ভারতের পঞ্চায়েতসহ সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে করা হয়। দেশে দীর্ঘদিন ধরে নির্দলীয় ব্যানারে দলীয়ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে স্থানীয় সব নির্বাচন। কিন্তু নির্দলীয় বলে দলীয়ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়াটা মেনে নেয়া যায় না। পারস্পরিক এই বিরোধ রাখার কোন প্রয়োজন নেই। তিনি স্থানীয় সরকার আইন পরিবর্তনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ বলেন, দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করাই বাস্তবসম্মত। তবে অতি দ্রুততার সঙ্গে এ জাতীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার পদ্ধতিটি প্রশ্নবোধক হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবেই হয়ে আসছিল এবং ভবিষ্যতেও দলীয়ভাবেই হতো এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। তবে তিনি উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কাঠামোয় দলীয়ভাবে এ নির্বাচন করা ঠিক হবে না। এ জন্য সরকারকে আইন পরিবর্তন করে সংসদীয় কাঠামো করতে হবে। যেমন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সংসদীয় পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করা হয়। তারমতে, যখন সংসদীয় পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ এর সুফল পেতে শুরু করবে।

এ বিষয়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব) সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, প্রায় সবগুলো দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে হচ্ছে। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তানসহ এ সাব-কন্টিনেন্টের প্রায় সব দেশে স্থানীয় সরকার ভালভাবেই চলছে। কোন সমস্যা হচ্ছে না। সে কারণে আমাদের দেশে এ নির্বাচনগুলো দলীয়ভাবে হলে তা ভাল ছাড়া মন্দ হবে না। কেননা, আমরা যতই বলি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় নির্বাচন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দলীয় প্রভাব থাকে। তাই বলা যায়, দেশের যে নির্বাচনই হোক না কেন তা দলীয়ভাবেই হয়ে থাকে।

জানিপপের চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার কখনই দলের বাইরের কিছু নয়। আগে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই কোন না কোন প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। তাদের হয়ে প্রচারে অংশ নিয়েছে। কিন্তু পরে সেই প্রার্থী পরাজিত হলে তার দায়ভার আর নেয়া হয়নি দলীয়ভাবে। তিনি বলেন, নতুন এ বিধানের ফলে এখন সেই সুযোগ থাকবে না। দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিলে কেউ নিশ্চয়ই দায় এড়াতে পারবে না। এর ফলে দেশে গণতন্ত্রের চর্চাটা আরও বাড়বে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আগে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে কাগজ-কলমে নির্দলীয় হলেও জনগণ দলীয় প্রার্থী বিবেচনায় ভোট দিয়েছে। এমনকি সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদেও এই পরিচয় মুখ্য হয়ে উঠেছে। ভোট চাওয়ার ক্ষেত্রেও দলীয় প্রচারে প্রাধান্য দেখা গেছে। নামেমাত্র নির্দলীয় হলেও সবই হয়েছে দলীয় বিবেচনায়। এ কারণে অনেক আগ থেকেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে করার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করা হয়েছে।

গত ২০১৩ সালে ১৫ জুন অনুষ্ঠিত হয় হয় খুলনা রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। বিধান অনুযায়ী এ নির্বাচন নির্দলীয় হলেও ভোটারদের কাছে রাজনৈতিক দলীয় পরিচয় মুখ্য ভূমিক পালন করেছে। প্রার্থী মনোনয়ন থেকে শুরু করে নির্বাচন পর্যন্ত সবই হয়েছে দলীয় বিবেচনায়। এ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন তখনকার ১৮ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে কোন বিদ্রোহী প্রার্থীকে অংশ নিতে দেখা যায়নি। এর বাইরে যারা এ চার সিটিতে মেয়র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল রাজনৈতিক পরিচয় না থাকায় ভোটের প্রাপ্তি ছিল প্রায় শূন্যের কোটায়। ফলে তাদের সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলেও সব সিটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

এছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, ঢাকার উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় পরিচয়ের বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে যেসব প্রার্থী অংশ নিয়েছে তাদের নাম পর্যন্ত ভোটারের কাছে অজানা ছিল। কিন্তু ঢাকার উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ এম আউয়ালের রাজনৈতিকভাবে কোন পরিচয় না থাকলেও বিএনপির দলীয় প্রার্থী হওয়ায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিবেচনায় বিপুলসংখ্যক ভোট পান তিনি।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হয় সারাদেশে উপজেলা নির্বাচন। আইন অনুযায়ী এ নির্বাচনও ছিল নির্দলীয় নির্বাচন। কিন্তু দুই জোটের পক্ষ থেকে প্রায় সব উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় সিদ্ধান্তেই প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়। যদি এ নির্বাচনে দলে দলের বাইরে অনেক প্রার্থী অংশগ্রহণ করে। কিন্তু দলের সমর্থন না থাকায় তারা জয়লাভ করতে পেরেছে খুব কমই। এছাড়া ২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও দলীয় ভিত্তিতেই চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ভোট হয়েছে নির্দলীয় বিধানে দলীয় ছোঁয়ায়। দলীয় পরিচয়ই ওই নির্বাচনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। এ জন্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় নির্বাচন আইনগুলো নির্দলীয় বিধান উল্লেখ থাকলেও সব কিছুই হচ্ছে দলীয় ভিত্তিতে। মিডিয়ায় প্রার্থীর দলীয় পরিচয় প্রকাশ করা হলেও বিধান না থাকায় কমিশনের পক্ষ থেকে কেবল প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় সরকার দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠানের জন্য সরকার যে প্রস্তাব অনুমোদন করেছে তা কেবল আইনী কাঠামোর নতুন রূপ ছাড়া আর কিছুই না। বাকি সব কিছুই থাকবে আগের মতো।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের ব্যবস্থা ছিল। শুরু থেকে যে নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল তা মূলত ভারতের মতো পঞ্চায়েত ভিত্তিক। অর্থাৎ অঞ্চল ভিত্তিক শাসন পরিচালনার জন্য এ প্রতিনিধি বাছাই করা হতো। আধুনিককালে গণতন্ত্রে প্রতিনিধি বাছাইয়ের উপায় হিসেবে নির্বাচনের সার্বজনীন ব্যবহার করা হচ্ছে। সভ্যতার ইতিহাসের প্রাচীনকাল থেকেই প্রাচীন গ্রীস ও প্রাচীন রোমে নির্বাচনের ব্যবহার হয়ে আসছে। গোটা মধ্যযুগে রোমান সম্রাট ও পোপের মতো শাসক বাছাই করতেও নির্বাচনের ব্যবহার হতো। প্রাচীন ভারতে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজারা বাছাই করতেন রাজাদের। তবে আধুনিক নির্বাচন হলো জনগণের ভোটে সরকার নির্বাচন।

সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠানের সরকারী প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ার পর ইসির পক্ষ থেকেও এখন দলীয়ভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদাহরণ খোঁজা হচ্ছে ইসির পক্ষ থেকে। বিশেষ করে ভারতে পঞ্চায়েত নির্বাচন পদ্ধতির নির্বাচন ব্যবস্থাকে কাজে লাগাতে কমিশন তাদের অভিজ্ঞতা নেয়ার চেষ্টা করছে। ইসি সচিব মোঃ সিরাজুল ইসলাম সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে ভারতের গ্রামীণ তৃণমূল পর্যায়ের স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। সেই নির্বাচনও হয় দলীয় মনোনয়নেই। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে তারা কীভাবে নির্বাচন করে সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হবে কমিশনের পক্ষ থেকে।