২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উৎসবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ উৎসবের সময় নতুনত্বের খোঁজে থাকা ক্রেতাদের চাহিদার বিপরীতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে, বেড়ে যায় নানা ধরনের পণ্যের বিক্রি। শুধু তাই নয়, উৎসব উপলক্ষে গ্রামীণ থেকে শুরু করে সব পর্যায়ে বিপুল কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে উৎসব কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা সামগ্রিক অর্থনীতিতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। ধুপ-ধুনো, ঢাক-ঢোল আর ভক্তের প্রণাম-প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। মন্দিরে মন্দিরে ঢুঁ, প্রতিমা দর্শন আর স্বজনদের সঙ্গে উৎসবের আমেজে সময় কাটানো। এসবেরই জন্য ধর্মানুসারীদের রয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি আর বাড়তি কেনাকাটা। তাদের চাহিদাকে মাথায় রেখে দোকানিরাও নিয়ে থাকেন বাড়তি প্রস্তুতি, যার রেশ থাকে উৎসবের পরও। আর বছর জুড়ে নানা উৎসব-পার্বণ লেগে থাকায় বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে রয়েছে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এমনটাই বলছেন অর্থনীতিবিদরা।

গবেষক বিআইডিএসের ডাঃ নাজনীন আহমেদ বলেন, উৎসবকে ঘিরে যে চাহিদা তৈরি হয় সেইসঙ্গে সরবরাহতে কর্মসংস্থান, উৎপাদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের চাহিদা বেড়ে যায়। আর উন্নত দেশেও এর ভূমিকা অনেক। আর আমাদের দেশে সারাবছরই কোন না কোন উৎসব থাকে। আর সেই রকম একটা দেশে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থান, আয়ের বৃদ্ধিতে এবং সর্বোপরি অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির চাকা ঘুরাতে উৎসব একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে উৎসব কেন্দ্রিক চাহিদাকে কেন্দ্র করে পণ্যের বাড়তি দাম হাঁকার রীতি, অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে মনে করেন তারা।