১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকায় আসবে ৪৫ কোটি লিটার পদ্মার পানি

  • যশলদিয়ায় পানি শোধনাগারের ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জের পদ্মার ৪৫ কোটি লিটার পানি প্রতিদিন যাবে রাজধানী ঢাকায়। যশলদিয়ায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার এই পদ্মা পানি শোধনাগার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যেই প্রকল্পটির ১০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখানে এখন দেশী-বিদেশীরা কর্মব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না সিএএমসির প্রধান প্রতিনিধি মি. ফেং জানিয়েছেন, ৪২ মাসের সময় নির্ধারণ থাকলে আগেই প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন। বিশুদ্ধ খাবার পানি ৩৫ লাখ মানুষের মাঝে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যেই প্রকল্পের মাটি ভরাট, সার্ভে ওয়ার্ক, কার্যক্রম পরিচালানার স্থাপনা, রাস্তা নির্মাণ এবং ১৭ হাজার মিটার পাইপ আনা হয়ে গেছে। বুধবার এই ভিত্তিফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়েই পুরোদমে চলবে এর কাজ। প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদন হয় ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর। তিন হাজার ৫০৯ কোটি টাকার এই প্রকল্পে দেশীয় অর্থ এক হাজার ৯৫ কোটি টাকা। বাকি দুই হাজার ৪১৪ কোটি টাকার বিদেশী ঋণ রয়েছে। ইতোমধ্যেই এই কাজের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসার সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির চুক্তি হয়েছে। লৌহজং উপজেলার পদ্মাপাড়ের যশলদিয়ায় ৯০ একর জমির মধ্যে নির্মিত হচ্ছে দেশের সর্ববৃহত এই পানি শোধনাগার। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এটি হচ্ছে প্রথম ফেজ। এর পাশেই শীঘ্রই শুরু হবে দ্বিতীয় ফেসের কাজ। এসব তথ্য দিয়ে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ইঞ্জিনিয়ার বজলুর রহমান জানান, প্রকল্পটির মধ্যে রয়েছেÑ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, বুস্টার স্টেশন, দুই হাজার মিলিমিটার ব্যাসের ৩৩ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণ এবং ইনটেক অবকাঠামো নির্মাণ। জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল জানান, স্বাধানীতার পর এটিই সবচেয়ে বড় পানি শোধনাগার প্রকল্প। পদ্মা সেতুর পাশেই এই প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণও ছিল কঠিন। জেলা প্রশাসক জানান, স্থানীয় সাংসদ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির সহযোগিতায় খুব সহজেই জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিফলক অনুষ্ঠান সফল করতে বুধবার উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতি সভা হয়েছে।