২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঘুরে এলাম কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর

  • নূর ইসলাম হাবিব

ঈদের পরেরদিন। ১৯ জুলাই ২০১৫। আমি, আমার স্ত্রী সালেহা আক্তার ও ছেলে নীল যাচ্ছি কুষ্টিয়া বেড়াতে। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার প্রলয় চিছিম এবং তার স্ত্রী স্বাতী জাম্বিল আমাদের নিমন্ত্রণ করেছে ঈদের ছুটিতে সেখানে বেড়াতে যাওয়ার জন্য। বেড়ানোর জন্য কুষ্টিয়া উত্তম জায়গা। এখানে দেখার মতো ঐতিহাসিক অনেক কিছু আছে। পুলিশ সুপার প্রলয় চিছিম ও তার সহধর্মিণী স্বাতী জাম্বিল আমার স্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধু। তার আমন্ত্রণ আর স্ত্রীর আগ্রহে কুষ্টিয়ায় বেড়াতে যাওয়া। পল্লবীর এসবি সুপার ডিলাক্স এসি বাস কাউন্টার থেকে বাস ছাড়ার সময় ছিল সকাল ৮টায়। কিন্তু সব যাত্রী সময়মতো না আসায় ছাড়ল পৌনে দশটায় অর্থাৎ পৌনে দুই ঘণ্টা লেট। রাস্তায় তেমন গাড়ির চাপ ছিল না। গাড়ি চলছে স্বাভাবিক গতিতে। চালক গাড়ি চালাচ্ছেন সুন্দরভাবে।

কুমারখালী পার হয়ে গড়াই নদীর আগে বাম দিকে সাইনবোর্ডে লেখা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা। সেই বিষাদসিন্ধু খ্যাত মীর মশাররফের বাড়ি ছিল এখানে। কুষ্টিয়া যেতে রাস্তার বাঁ-দিকে। বেলা তিনটার সময় আমাদের বাস থামল কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর। ঐখান থেকে আমরা গেলাম পুলিশ সুপারের বাসভবনে। আজকে শুধু বিশ্রাম আর টিভি দেখা। পরেরদিন গেলাম কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ি। আমরা দুপুরে কুঠিবাড়ি পৌঁছাই। জুমার নামাজের জন্য তখন কুঠিবাড়ির মূল ফটক বন্ধ ছিল। এই ফাঁকে আমরা গেলাম পার্শ্ববর্তী পুকুরপাড়ে। ঝিরঝির বৃষ্টি হচ্ছে। পুকুরপাড়ে গাছের নিচে গ্রামীণ শিল্পী ঢোল বাদ্য নিয়ে বসে আছে। হয়ত গান গাইবে। পুকুরের তীরে বাঁধা রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত বজরা নৌকার আদলে তৈরি একটি নৌকা। এ রকম একটি বজরায় চড়েই তিনি পদ্মা নদী দিয়ে এসেছেন শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে। আমরা ছবি তুললাম।

কুঠিবাড়ির গেট খুলে দিলে আমরা ভেতরে প্রবেশ করলাম। এটি এখন জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। কুঠিবাড়িটি তিন তলা। রং লাল। প্রথমে এর রং ছিল সাদা। নির্মাণ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। সৈয়দ মুর্তজা আলী যখন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ছিলেন তখন ১৯৫৮ সালে তিনি এটি সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত এই একদশকে বিভিন্ন সময়ে এই কুঠিবাড়িতে অবস্থান করেছেন। এখানে অবস্থানকালে তিনি অনেক বিখ্যাত কবিতা লিখেছেন। তাছাড়া লিখেছেন নিবন্ধ ও ছোট গল্প। কথা ও কাহিনী, চিত্রা, চৈতালী ইত্যাদি তিনি এ বাড়িতে বসেই লিখেছেন। এ বাড়িতে বসেই তিনি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি ইংরেজীতে অনুবাদ করা শুরু করেছিলেন। আর এ কাব্যগ্রন্থের জন্যই তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। এ বাড়িতে বসেই তিনি লিখেছিলেন তার বিখ্যাত কবিতা সোনার তরী- ‘গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা/কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।’ জাদুঘরে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন বয়সের অনেক প্রতিকৃতি । তাছাড়া আছে তাকে বহনকারী ছোট ও বড় আকারের ২টি পাল্কি। তার ব্যবহৃত চেয়ার, টেবিল, ওয়ারড্রব, খাট ইত্যাদি। এ বাড়িটি মোট ১১ একর জায়গার ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। এখানে বছরের বিভিন্ন সময়ে উৎসবের আয়োজন করা হয়। কুঠিবাড়ি পরিদর্শনে এসেছেন অনেকেই। বেশিরভাগ তরুণ-তরুণী। আগ্রহভরে দেখছেন বিভিন্ন প্রদর্শনী। কুঠি বাড়ি পরিদর্শন শেষে বের হতেই গেটে পেলাম কুষ্টিয়ার বিখ্যাত কুলফি মালাই। খুবই সুস্বাদু। প্রত্যেকে একটা করে নিলাম। দাম ত্রিশ টাকা। মাটির হাঁড়িতে বরফের মধ্যে সংরক্ষিত।

এরপর গেলাম ছেঁউড়িয়ায় লালন আখড়ায়। ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ডান দিকের সরু রাস্তা চলে গেছে লালনের সমাধির দিকে। একেবারেই পল্লী গ্রাম। নিস্তব্ধ, নিস্তরঙ্গ, কোলাহলহীন। এরই মাঝখানে লালনের সমাধি সৌধ। সমাধি সৌধের অভ্যন্তরে মহাত্মা ফকির লালন সাঁই ও তার পালক মাতা মতিজান ফকিরানীর কবর। বারান্দায় আছে শীতল শাহ ফকির, বিশখা ফকিরানী, জগো শাহ ফকির ও জগো শাহ ফকিরের নানির কবর। সমাধি প্রাঙ্গণ ও আঙ্গিনায় আছে আরও ২৬টি কবর। এগুলো সবই লালনের ভক্ত-মুরিদদের কবর। লালন সাঁই ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ১১৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। প্রথমে তার শিষ্যরা লালনের মরদেহ তার ঘরের কাছে মাটিতে ঢেকে রাখেন। পরবর্তীতে মোহিনী মিলের মালিকের মায়ের সহযোগিতায় সমাধিটি পাকা করা হয়। আরও পরে পাকিস্তান আমলে লোকগীতি সংগ্রাহক মুহাম্মদ মনসুর উদ্দীনের প্রস্তাবে গড়ে উঠে ‘লালন লোক সাহিত্য কেন্দ্র’ এবং নির্মাণ করা হয় সুরম্য বর্তমান সমাধি সৌধ। এটি মোগল স্থাপত্য কলায় দিল্লীর মুসলিম সাধক নিজামুদ্দীন আউলিয়ার মাজারের অনুকরণে নির্মাণ করা হয়।

লালন কমপ্লেক্সে আছে লালন একাডেমি, জাদুঘর ও লালন সঙ্গীত বিদ্যালয়। সঙ্গীত বিদ্যালয় অনেক বিখ্যাত শিল্পীর জন্ম দিয়েছে। এখান থেকে এ পর্যন্ত ৩৫০ জনেরও অধিক শিল্পী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এরাই সারা জনপদে ছড়িয়ে দিচ্ছেন মরমী সাধক লালন সাঁইয়ের অমর সৃষ্টি- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি/কেমনে আসে যায়/ ধরতে পারলে মনোবেড়ি/দিতাম তাহার পায়’ অথবা ‘আমি একদিনও না দেখিলাম তারে/আমার বাড়ির কাছে আরশিনগর/সেথা এক পড়শি বসত করে।’ এ রকম অজস্র গান। লালন একাডেমির উদ্যোগে এখানে প্রতিবছর কার্তিক মাসে লালন তিরোধান দিবস উপলক্ষে লালন উৎসব আয়োজন করা হয়। কার্তিকের প্রথম দিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত চলে এ উৎসব। লালন উৎসবে থাকে আলোচনা ও সঙ্গীত। মেলায় হাজার হাজার লোক জমায়েত হয়। লালন সমাধিটি কালিগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। একসময় এটি গড়াই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। এখন মৃত প্রায়। জানা যায় এই কালিগঙ্গা নদীর তীরেই অসুস্থ লালনকে পান তার পালক মা। লালন যে বাড়িতে সঙ্গীতচর্চা করতেন সেটি ছিল মলম শাহ ফকিরের বাড়ি। এখানে তার ভক্তরা আসতেন। তিনি তার দলবল নিয়ে গান গাইতেন গ্রামে গ্রামে। তিনি যেতেন কাঙ্গাল হরিণাথের বাড়ি। কাঙ্গাল হরিনাথ ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকার’ প্রকাশক- সম্পাদক ও মালিক। তাছাড়া তার যাতায়াত ছিল সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বাড়ি। রবীন্দ্রনাথের বজরায়ও যেতেন লালন সাঁই। রবীন্দ্রনাথের বজরায় বসেই ১৮৮৯ সালের ৫ মে রবীন্দ্রনাথের ভাই জ্যোতিরিন্দ্রনাথ এঁকেছিলেন লালন সাঁইয়ের স্কেচ। ছেঁউড়িয়ার লালন আখড়া থেকে আবার ফিরে যাই কুষ্টিয়া শহরে। লালন কমপ্লেক্স থেকে ছেলে নীলের জন্য কিনলাম একটি একতারা। দাম ৬০ টাকা। কাঙ্গাল হরিনাথের বাড়ি এবং গ্রামবার্তা প্রকাশিকার ঐতিহাসিক প্রেসটি দেখা হলো না। অন্য কোন এক সময় দেখা যাবে।

পরেরদিন গেলাম ঐতিহাসিক মুজিবনগর-মেহেরপুর জেলায়। কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুর জেলা সদর ৬৫ কিলোমিটার। মেহেরপুর থেকে মুজিবনগর ১০-১২ কিলোমিটার। ফাঁকা রাস্তায় দ্রুত গতিতে আমাদের গাড়ি চলছিল। রাস্তার দুই ধারে পাটক্ষেত। কৃষকরা কেউ পাট কাটছে, কেউ পাট জাগ দিচ্ছে। পাট ক্ষেতের বাইরে দিগন্তজোড়া মাঠ- মাইলের পর মাইল। লোকালয় তেমন বেশি চোখে পড়ে না। আমরা দেড়/দুই ঘণ্টার মধ্যে কুষ্টিয়া থেকে মুজিবনগর পৌঁছে গেলাম। যাওয়ার পথে ছিল মেঘলা আকাশ। তবে বৃষ্টি হলো না। বৃষ্টি শুরু হলো আমরা মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে পৌঁছানোর পর। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। স্মৃতি সৌধে আগত দর্শনার্থীরা অনেকে ভিজছেন। আমরা সবাই গাড়িতে বসে রইলাম। আধা ঘণ্টা পরে বৃষ্টি থামল। আমরা জুতা খুলে স্মৃতি সৌধের বেদিতে উঠলাম।

মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননের এই জায়গায় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ার পর এখানে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে (যেহেতু, তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে কারাগারে বন্দী ছিলেন) সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নতুন নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুজিবনগরের স্মৃতি রক্ষার্থে এখানে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। ১৯৭৩ সালে ৩১ আগস্ট মুজিবনগরে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের সরকারী নির্দেশনা দেয়া হয়। ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্মৃতি সৌধ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙালী জাতির আত্মত্যাগের প্রতীক। এ স্মৃতি সৌধে রয়েছে ২৩টি ত্রিভূজাকৃতির পিলার যা ২৩ বছরের পাকিস্তানী শোষণের প্রতীক। এগুলো বলে যাচ্ছিলেন স্মৃতি সৌধের অবৈতনিক গাইড মুক্তিযোদ্ধা সুবাস। বেদিতে অসংখ্য বৃত্ত স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎবরণকারী ৩০ লাখ বাঙালীর আত্মদানের স্মারক। বেদির এক অংশে আছে অসংখ্য নুড়ি পাথর যা সাড়ে সাত কোটি সংগ্রামী বাঙালীকে মূর্ত করে তুলেছে। শপথ গ্রহণের জায়গাটি আয়তকার লাল সিরামিক ইট দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। বেদিতে ওঠার জন্য তৈরি সিঁড়িতে ৯টি ধাপ রয়েছে যা নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতিকে প্রতীকায়িত করেছে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থানে মুজিবনগর কমপ্লেক্স নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯৮ সালের ১৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন মুজিবনগরে জাতীয় স্মৃতি কমপ্লেক্স করা হবে যা ভবিষ্যত প্রজন্মকে ইতিহাস জানানো এবং গবেষণার কাজে সহায়ক হবে। তাঁর ঘোষণার অংশ হিসেবে ২০০০ সালে মুজিবনগরকে উপজেলা করা হয়। মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সে নির্মাণ করা হয় মোটেল, হেলিপ্যাড, টেলিফোন অফিস, ছয় দফা আন্দোলনের স্মারক হিসাবে ছয়টি গোলাপ বাগান, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানচিত্র, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য এবং আরও অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারক।

মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের মানচিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ১১নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিবাহিনী এবং পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী বেশ কয়েকটি যুদ্ধের চিত্র, বাঙালী শরণার্থীদের ভারতের উদ্দেশে দেশ ত্যাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর সদর দফতর এবং জগন্নাথ হলে আক্রমণের চিত্র, বুদ্ধিজীবী হত্যা, রায়ের বাজার বধ্যভূমি, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক নারী নির্যাতন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এবং আরও অনেক পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বরতার চিত্র। মুক্তিযুদ্ধের মানচিত্রে একটি জিনিসের অনুপস্থিতি রয়েছে। সেটা হলো পাকিস্তানীদের এ দেশীয় দোসরদের বর্বরতার চিত্র। ভাস্কর্য জোনে রয়েছে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ, গার্ড অব অনার প্রদান, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, পাকিস্তানী বাহিনী কর্তৃক নারী নির্যাতন ইত্যাদি ঐতিহাসিক ঘটনার ভাস্কর্য। এসব কিছু দেখে মুক্তিযুদ্ধের দুঃখ, বেদনা, আনন্দ, গৌরব আর অহঙ্কারের স্মৃতির পুনরুজ্জীবন বুকে ধারণ করে ফিরে যাই কুষ্টিয়ায়।

লেখক : সহকারী পরিচালক,আইএসপিআর