২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সমুদ্রে তলিয়ে যাবে মায়ামি ও নিউ অরলিন্স

বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলীয় দুই শহর মায়ামি ও নিউ অরলিন্স ডুবে যাবে। তবে ব্যাপক মাত্রায় কার্বন নির্গমন কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পদক্ষেপ নিলেই শহর দুটিকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারে। সাম্প্রতিক করা এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি মার্কিন জার্নাল প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের অক্টোবর ১২ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। খবর এএফপির।

ক্লাইমেট সেন্ট্রালের সমুদ্রপৃষ্ঠ ও জলবায়ু প্রভাব বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান গবেষক বেন স্ট্রস বলেছেন, বিজ্ঞানীরা আগেই প্রমাণ করেছেন যে, ২১০০ সালের মধ্যে যদি আমরা জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়ানো কমাতে না পারি তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১৪ থেকে ৩২ ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। তবে সবচেয়ে বড় অনিশ্চিয়তা হলো কখন এমন ঘটবে। খুব দ্রুত হলে আগামী শতকেও হতে পারে, আবার কয়েক শতাব্দীও লাগতে পারে। শুধু এটা চিন্তা করুন যে, উষ্ণ রুমে বরফের স্তূপ রয়েছে। আপনি জানেন এটি গলে যাবে। কিন্তু এটা বলা কঠিন যে কত দ্রুত এটি গলে যাবে। কার্বন নির্গমন অবাধে চলতে থাকলে নরফোক, ভার্জিনিয়ার মতো শহর ২০৪৫ সালের মধ্যে ডুবে যাবে। মায়ামি ও নিউ অরলিন্সের মতো শহরগুলোর সময়সীমা ইতোমধ্যেই পার হয়ে গেছে। স্ট্রস বলেন, আমাদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে কার্বন নির্গমনের হারের উপরই অনেক শহরের ভবিষ্যত নির্ভর করছে। কিন্তু ইতোমধ্যেই কিছু কিছু নষ্ট হয়ে গেছে। আর এটি কল্পনা করাও কঠিন যে, আমরা কিভাবে মায়ামিকে রক্ষা করব। মায়ামির কম উচ্চতা ও ঝাঁজরা চুনাপাথরের ভিত্তির অর্থ হলো সমুদ্র দেয়াল ও বাঁধগুলো এটিকে রক্ষা করতে পারবে না। পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ফ্লোরিডা। এ শতাব্দী শেষেই ফ্লোরিডার বহুসংখ্যক শহর চলে যেতে পারে পানির নিচে। এরপরের তিনটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলো হলোÑ ক্যালিফোর্নিয়া, লুইজিয়ানা ও নিউইয়র্ক। বন্যার ভয়াবহ ঝুঁকিতে আছে নিউইয়র্ক। গবেষকরা বলেছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতায় ঘন ঘন ঝড় হচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে।