২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

লাইটার জাহাজ চলাচলে মানা হচ্ছে না নিয়ম

  • চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে লাইটার জাহাজ চলাচলে নিয়মনীতি মানা হচ্ছে না। ফলে পদে পদে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বিভিন্ন লাইটারেজ জাহাজ। বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশিত অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল আইন মেনে চলছে না মালিক ও চালক। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের ও বন্দর চ্যানেলে অপেক্ষমাণ নৌযান দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে অপরিকল্পিত ও বন্দর অধ্যাদেশ না মানা এসব নৌযান মালিকও চালককে সতর্ক করা হলেও আমলে নিচ্ছে না তারা। ফলে বন্দর আনলোডিং ইয়ার্ড ও চ্যানেলে অপেক্ষমাণ দেশী ও বিদেশী জাহাজ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নানা অভিযোগের পর জেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে ১১টি বিভিন্ন নৌযানকে জরিমানা ও প্রসিকিউশনের আওতায় আনা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল ব্লক করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিভিন্ন লাইটারেজ জাহাজ বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। শুধু তাই নয় দিনের পর দিন চ্যানেলে লাইটারেজ বা বিভিন্ন ধরনের নৌযান দাঁড় করিয়ে রেখেই মেরামত কাজ পরিচালনা করে। এসব নৌযানকে বার বার সতর্ক করার পরও পাইলটেরা তাদের অবৈধ কর্মকা- চালিয়ে আসছে। এমনকি বন্দরের অনুমতি না নিয়ে ও প্রতিরক্ষা বিহীনভাবে রঙের কাজও করছে। এমনও দেখা গেছে এসব মাস্টার ও ড্রাইভারের যান পরিচালনার কোন সনদ নেই।

আরও অভিযোগ রয়েছে, বন্দর চ্যানেলে আমদানি পণ্য আনলোডিংয়ের অপেক্ষায় দেশী ও বিদেশী জাহাজ থেকে পণ্য বহনেও চলছে নানা অনিয়ম। ওভারলোডিং করে এ ধরনের যান অতীতে ডুবে যাওয়াসহ মাস্টার ও চালক ডুবে মরার ঘটনাও কিন্তু নুতন নয়। প্লায়িং ও বে-ক্রসিং অনুমতি ছাড়া নৌ চলাচল অপরাধ। নৌ চলাচলের কোন আদেশ বা আইন মেনে না চলার কারণে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় ব্যাঘাত ঘটছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম বন্দরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময় লাইটারেজ জাহাজের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ বন্দরে জমা পড়ছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করায় তাদেরকে নোটিসও করা হয়েছে। অভিযানে অভিযুক্ত লাইটারেজ জাহাজ চালকদের সতর্ক করার পরও তারা সনদপত্র না নিয়ে ও নবায়ন না করে লাইটারেজ চালনা করছে মালিক পক্ষের নির্দেশনায়।

হোশি কুনিও হত্যা মামলা ॥ আসামিদের জামিন ফের নামঞ্জুর

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর ॥ জাপানী নাগরিক হোশি কুনিও হত্যা ঘটনার আজ মঙ্গলবার এক মাসপূর্ণ হলেও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও মামলার অগ্রগতিতে দৃশ্যত তেমন কোন অগ্রগতি নেই। এদিকে ওই মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামি রাশেদ উন নবী বিপ্লব ও হুমায়ুন কবীর হীরার জামিন চেয়ে সোমবার তাদের আইনজীবীরা আদালতে আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে আগামী ১৬ নবেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

সোমবার ছিল ওই মামলার ধার্য তারিখ। এদিন সকালেই সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে হাজির করা হয় তাদের। দুপুরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিন চেয়ে আবেদন জানালে দু’পক্ষের শুনানি শেষে বিচারিক হাকিম সাইফুল আলম তা নাকচ করে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।