২০ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রুখে দাঁড়ান ॥ গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

রুখে দাঁড়ান ॥ গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
  • দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে খালেদা জিয়া বিদেশে বসে গুপ্তহত্যা চালাচ্ছেন;###;দেশে জঙ্গী সন্ত্রাসী যা আছে সবই জামায়াত-বিএনপি

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, রাজনীতিতে পরাজিত ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছেন। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বিদেশে বসে গুপ্তহত্যা শুরু করেছেন। গুপ্তহত্যাসহ দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের আমি সাবধান করে বলতে চাই, যারা গুপ্তহত্যা করছে, এদের লিংক, মুরব্বি ও বড় ভাইদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেবই দেব। যারা এসব ঘটাচ্ছে তাদেরও কোন ছাড় নেই। আমরা যা বলি, তা করি। বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনচেতা, কোন ষড়যন্ত্রকারীদের সামনে কখনও মাথা নত করে না। দেশে গুপ্তহত্যা খুন যাই করুক না কেন বাংলাদেশের মানুষকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। দেশের অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।

এ বিষয়ে দেশবাসীর সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগিতা কামনার পাশাপাশি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র-চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যেকটা মানুষের কাছে আমার অনুরোধ, যে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। যারা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন, যারা দেশের উন্নতি, শান্তি ও প্রগতি চান- তারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে গুপ্তহত্যাকারী খুনীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সহযোগিতা করুন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ষড়যন্ত্রকারী ও গুপ্তহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালে কোন অপশক্তিই দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পারবে না, আমরা তা হতেও দেব না। দেশের উন্নয়নের পথে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে বাংলার জনগণ তাদের কখনই ক্ষমা করবে না। এক্ষেত্রেও বাংলার জনগণেরই জয় হবে, খুনী বা চক্রান্তকারীরা নয়।

দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষকে নিয়ে বার বার ষড়যন্ত্রের খেলা হয়েছে। কোন কোন মহল বলছে, দেশে আইএস (ইসলামিক স্টেট) ও জঙ্গী-সন্ত্রাসী আছে, জেএমবি আছে। কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, এসব জঙ্গী-সন্ত্রাস যা আছে তা বিএনপি-জামায়াতের মধ্যেই আছে। আমরা শক্ত হাতে সন্ত্রাস-জঙ্গী দমন করছে। সন্ত্রাসী যে দলেই হোক, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। বাংলাদেশের মাটিতে কোন জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না, হতেও দেব না। তিনি বলেন, যখন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি, রায় কার্যকর হচ্ছে, তখন এই খুনীদের রক্ষার জন্যই এসব গুপ্তহত্যা চালানো হচ্ছে।

সোমবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। জনসভায় তীব্র মানুষের স্রোতে জনসভাটি রীতিমতো জনসমুদ্রে রূপ নেয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ৩০ মিনিটের ভাষণে দুই বিদেশী হত্যাকা-সহ সাম্প্রতিক মুক্তমনা লেখক, প্রকাশকদের হত্যাকা-ের বিষয়টি উল্লেখ করে এসব ঘটনার সঙ্গে যে বিএনপি-জামায়াত জোট সম্পৃক্ত তা বিস্তারিতভাবেই দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরেন।

সাম্প্রতিক হত্যাকা-গুলোর জন্য পরোক্ষভাবে খালেদা জিয়াকে দায়ী করার পাশাপাশি বিদেশীসহ সব হত্যাকা-ের বিচারের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যায়, তখনই অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়। এখন গুপ্তহত্যা চালিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœœ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাসের সৃষ্টি করেছে বিএনপি-জামায়াত। রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে উনি (খালেদা জিয়া) বিদেশে বসে গুপ্তহত্যা শুরু করেছেন। এসব হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত যাকেই ধরা হয়, তারা শিবিরের অথবা ছাত্রদল-বিএনপির লোক। যখনই দেশের মানুষ স্বস্তিতে তখনই এই হত্যাকা-। দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস করতেই এসব হত্যাকা- চালানো হচ্ছে।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার বানচাল করার উদ্দেশ্যে বিদেশীসহ অন্যদের হত্যা করা হচ্ছে এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, আমার লাখো শহীদের রক্তে রাঙা পতাকা তাদের (যুদ্ধাপরাধী) হাতে দিয়েছিল জিয়াউর রহমান ও তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নিজামী-মুজাহিদ-সাকা চৌধুরীসহ আজ যারা সাজাপ্রাপ্ত তারা তাদের কেবিনেটে বসিয়েছিল। এসব যুদ্ধাপরাধীদের বিনষ্ট করতেই এসব হত্যাকা- চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে গুপ্তহত্যা চালানো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, গুপ্তহত্যা যারা করছে, তাদের কিছুকে খুঁজে বের করা হয়েছে। খুনীদের শাস্তি দেবই, আমি শুধু দেশের মানুষের সহযোগিতা চাই। গুপ্তহত্যা, খুন যাই করুক না কেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না, বাংলাদেশের মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বিশাল এ জনসমুদ্রে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সভাপতিম-লীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, শহীদ জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পুত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও শহীদ জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, কৃষক লীগের মোতাহার হোসেন মোল্লা, যুবলীগের হারুনুর রশীদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের মোল্লা মোঃ আবু কাউছার, যুব মহিলা লীগের অধ্যাপিকা অপু উকিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ। জনসভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

বেলা দুটা থেকে জনসভা শুরুর জন্য নির্ধারিত সময় থাকলেও বেলা ১২টা থেকেই মানুষের ঢল নামে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে। ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে ট্রাক-বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে সেøাগান দিতে দিতে জনসভাস্থলে উপস্থিত হতে থাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দুপুর একটা থেকেই এসব এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর আড়াইটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনসভা উপস্থিত হওয়ার আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশাল মাঠে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তিনটার পর মাঠে সঙ্কুলান না হওয়ায় হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ শাহবাগ থেকে টিএসটি হয়ে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তায় দাঁড়িয়ে মাইকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুনতে দেখা যায়। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নেতৃত্বে বিশাল বিশাল মিছিল সবার দৃষ্টি কাড়ে। এক পর্যায়ে মানুষের তীব্র স্রোতে জনসভাটি রীতিমতো জনসমুদ্রে রূপ নেয়। তবে এ জনসভাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ যখন শান্তিতে থাকে, দেশের উন্নয়ন হয়, তখন একজনের মনেই অশান্তির আগুন জ্বলে। মানুষের শান্তি তিনি দেখতে পারেন না। তিনি কে- লাখো মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন ছুড়ে দিলে সবাই একবাক্য বলে ওঠেন- ‘খালেদা জিয়া, খালেদা জিয়া’। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ অশিক্ষিত থাকবে, দরিদ্র থাকবে, ধুঁকে ধুঁকে মরবে- এটাই উনি (খালেদা জিয়া) চান। কারণ বিএনপি নেত্রী দেশের স্বাধীনতাই বিশ্বাস করেন না। ওনার পেয়ারের পাকিস্তানের পেয়ার তিনি আর ভুলতে পারেন না। এই জন্যই তিনি এসব করে যাচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশে।

অবরোধ-হরতালের নামে সারাদেশে নির্বিচারে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার ঘটনাগুলো তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, টানা ৯৩ দিন বিএনপি নেত্রী নিজেই নিজের কার্যালয়ে বসে থেকে আন্দোলনের নামে পেট্রোলবোমা মেরে পুড়িয়ে মানুষকে হত্যা করিয়েছেন। সরকারের পতন না ঘটিয়ে উনি ঘরে ফিরবেন না এ কথা বলে বীভৎস কায়দায় সারাদেশে নাশকতা ও সন্ত্রাস চালিয়েছেন। শিশু-কিশোর, অন্তঃসত্ত্বা মা এমনকি অবলা পশুও তার আগুন সন্ত্রাস থেকে রেহাই পায়নি। একাত্তরের পাকহানাদার বাহিনীর মতোই নৃশংসভাবে মানুষকে হত্যা করেছেন খালেদা জিয়া, যেমনটি তাঁর স্বামী জিয়াউর রহমানও করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে খালেদা জিয়ার মানুষ পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি প্রতিহত করেছে। ঘৃণাভরে মানুষ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। উনি অবরোধ দিয়েছিলেন এখনও তা প্রত্যাহার করেননি। এখনও তার ডাকা অবরোধ বহাল রয়েছে। কিন্তু জনগণ তাতে সাড়া দেয়নি। তিনি বলেন, মানুষ হত্যা করেও কোন কিছু করতে না পেরে নাকে খত দিয়ে খালেদা জিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে ঘরে ফিরে গেছেন। রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পরাজিত হওয়ার পর এখন বিদেশে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছেন। দেশ যখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, তখন গুপ্তহত্যা চালিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। কিন্তু এক্ষেত্রেও উনি পরাজিত হবেন।

বাংলাদেশে খালেদা জিয়া খুনের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ক্ষমতায় থাকতেও উনি খুনের রাজত্ব কায়েম করে দেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। খালেদা জিয়া দেশকে একটা সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। জিয়াউর রহমানের পথ ধরে তার স্ত্রী খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিল। উনি দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না বলেই দেশকে ধ্বংস করে দিতে চান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এর পর থেকে এদেশে বহু ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত হয়েছে। সব ষড়যন্ত্র চক্রান্ত মোকাবেলা করেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশের জন্য আনে পুরস্কার, আর বিএনপি আনে তিরস্কার। বাংলাদেশের মানুষ আর তিরস্কার দেখতে চায় না। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে চাই। গ্রামে গ্রামে মানুষের উন্নতি হচ্ছে। গ্রামের মানুষ শহরের মানুষের আয় বৈষম্য হ্রাস পেয়েছে, ধনী ও গরিবের আয় অবৈষম্যও হ্রাস পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এই উন্নয়নের পথে কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বাংলার জনগণ তাদেরকে ক্ষমা করবে না। তাদের শাস্তি পেতেই হবে। দেশবিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে রূখে দাঁড়াতে হবে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশের স্বাধীনতা এবং চলমান উন্নয়নের গতিধারা কেউ রূখতে পারবে না। বাংলাদেশকে আমরা সুখী-সমৃদ্ধ বিশ্বের বুকে উন্নত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবই তুলব।

এই মাত্রা পাওয়া