১৭ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্থলপথের তুলনায় খরচ কম হওয়া উচিত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ উদ্বোধনের পর প্রায় দুই বছর কেটে গেল। এখনও পুরোদমে চালু করা যায়নি কেরানীগঞ্জের পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল (আইসিটি)। চট্টগ্রাম থেকে নিয়মিত জাহাজ যাতায়াত না করা, অতিরিক্ত ভাড়া ও টার্মিনালের চার্জ এবং বন্দরে পণ্য খালাসের পর তা রাজধানীসহ অন্যান্য গন্তব্যে পরিবহনের ক্ষেত্রে তীব্র যানজটসহ বেশকিছু সমস্যাকে এজন্য দায়ী করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, এসব কারণেই বন্দরটির সক্ষমতার প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

এমন পরিস্থিতিতে পানগাঁও বন্দরের শতভাগ সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী নেতারা বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার পানগাঁও নদীবন্দরকে সচল করার উপায় নিয়ে রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আয়োজিত সভায় ব্যবসায়ীদের পক্ষে এসব কথা বলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ। এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই সভায় বাণিজ্য ও নৌ-মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ছাড়াও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন বলে বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম থেকে পানগাঁও বন্দরের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের ভাড়া স্থলপথের তুলনায় অন্তত ২০ শতাংশ খরচ কম হওয়া উচিত। এজন্য সর্বোচ্চ চার দিন সময় নেয়া এবং প্রতি সপ্তাহে অন্তত তিন দিন পানগাঁও বন্দরে জাহাজ যাতায়াত করার পরামর্শ দেন তারা। এ বিষয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি তিনটি বিষয়ের সমাধান হলে পানগাঁও চলবে। নইলে চলবে না। কেননা ব্যবসায়ীদের না পোষালে তারা এ বন্দর ব্যবহার করবে না। প্রায় দুই বছর আগে এটি চালু করা হলেও বন্দরটির প্রতি আমদানি-রফতানিকারকদের আগ্রহ সৃষ্টি করা যায়নি। ফলে বন্দরটির সক্ষমতার ৯০ শতাংশই অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবহন ব্যয় না কমিয়ে উল্টো সম্প্রতি নৌ মন্ত্রণালয় পানগাঁওয়ে পণ্য আনা-নেয়ার খরচ ফের ৪৭ শতাংশ বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সম্প্রতি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, এখন থেকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পানগাঁও আইসিটি ও পানগাঁও আইসিটি থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পরিবহনে ২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি কন্টেইনারের পরিবহন খরচ ১৫০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২২০ ডলার করা হয়।