২২ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নেপালে ভারতীয় সেনা হস্তক্ষেপ চান মদেসী মন্ত্রী

নেপালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল-উপদলের মধ্যে উস্কানিমূলক বাগ্বিত-া ও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ভারত-নেপাল সীমান্তবর্তী বীরগঞ্জে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার নেপালী পুলিশের দমন অভিযান শুরু হওয়ার পর বীরগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফু জারি করা হয়। এদিকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির জুনিয়র সহকারী সত্যনারায়ণ ম-ল সোমবার বিরাটনগরে এক সংবাদ সম্মেলনে মদেস অঞ্চলের জনগণের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেপাল প্রবেশ দাবি করেন। এতে নেপাল সরকারের ভেতরই তোলপাড় সৃষ্টি হয়। খবর হিন্দু অনলাইনের।

মদেসী নেতা ম-লই প্রথম নেপালী রাজনীতিক যিনি নেপালে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানালেন।

তার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ভারতীয় দূতাবাস কড়া নিন্দাসূচক বিবৃতি দেয়। এতে দূতাবাস ভারত ও নেপালের প্রাচীন সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন কিছু বলা বা করা থেকে বিরত থাকতে সব দায়িত্বশীল ব্যক্তির প্রতি আহ্বান জানায়। তবে মন্ডলের মন্তব্যে বোঝা যায় যে, বীরগঞ্জ পুলিশের তৎপরতা ঐকমত্য ভেঙ্গে দিয়েছে। এ ঐকমত্যের বলেই প্রধানমন্ত্রী অলি ১১ অক্টোবরের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে কয়েকটি মদেশী দলের কাছ থেকে শেষ মুহূর্তে সমর্থন পেতে সক্ষম হয়েছিলেন। এ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নেপালী কংগ্রেসের সুশীল কৈরালা।

২ নবেম্বরের পুলিশী তৎপরতার সময় কর্তৃপক্ষ নেপালে ২০০ ট্রাক ছাড়িয়ে আনতে সমর্থ হয়। কিন্তু তখন থেকে অনির্দিষ্টকালের কার্ফু ও স্থানীয় জনতার প্রতিবাদ-অবরোধ আরও জোরদার করে।

কাঠমা-ু থেকে সংসদীয় সমাজবাদী ফোরামের লাল বাহাদুর রাউত পুলিশী তৎপরতা সরকার ও মধেসিদের মধ্যকার আস্থাবোধ বিনষ্ট করেছে বলে পুনরায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের আবেগের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলব না।

আগুনে পুড়ে সাবেক ভারতীয় এমপির পুত্রবধূ ও তিন নাতির মৃত্যু

ভারতীয় কংগ্রেস পার্টির সাবেক এমপি সিরিসিল্লা রাজাইয়ার বাড়িতে আগুন লেগে তার পুত্রবধূ ও তিন নাতি পুড়ে মারা গেছেন। বুধবার ভোরে অন্ধ্র প্রদেশের ওয়ারেঙ্গেল শহরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাও হতে পারে বলে সন্দেহ করছে নিহত পুত্রবধূ সারিকার পরিবার। বাড়িটির দোতলায় নিজের শোবার ঘরেই তিন পুত্র, অভিনভ (৭), অয়ন (৩) ও শ্রিয়ানসহ (৩) জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান সারিকা। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের সূত্রপাত নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। সবদিক বিবেচনায় রেখে পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেছেন। পুলিশ রাজাইয়ার ছেলে অনিলকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। সূত্র: ওয়েবসাইট।