১৮ নভেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ছয় ম্যাচে ৮৮ গোল, ১৯ হ্যাটট্রিক, সাবিনারই ১০ গোল

  • জাতীয় মহিলা ফুটবল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ‘কেএফসি জাতীয় মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ’- এর দ্বিতীয় দিনে (বুধবার) বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ছয় খেলা। তাতে গোল এবং হ্যাটট্রিক হয়েছে কত? উত্তরটা শুনলে হয়তো চোখ কপালে উঠে যেতে পারে পাঠকদের? ৮৮ এবং ১৯! এ যেন মুড়ি মুড়কির মতো গোল আর হ্যাটট্রিকের ছড়াছড়ি। প্রশ্ন উঠতেই পারে, জাতীয় পর্যায়ে এত গোল কিভাবে হয় বা এত দুর্বল প্রতিপক্ষ কেন?

যশোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সাতক্ষীরা ৪-১ গোলে হারিয়েছে বাগেরহাট জেলাকে। বিজয়ী দলের পারভীন হ্যাটট্রিক করেন। জান্নাত করেন অপর গোলটি। বিজিত দলের একমাত্র গোলদাতা আকলিমা। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টাঙ্গাইল ১৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সিরাজগঞ্জকে। বিজয়ী দলের কৃষ্ণা রানী ও মিথিলা হ্যাটট্রিক করেন। কৃষ্ণা একাই করেন দুটি হ্যাটট্রিকসহ সাত গোল। এছাড়া মিথিলা করেন একটি হ্যাটট্রিকসহ ৪ গোল। এছাড়া সালমা ২টি, রিমা ও তিথি ১টি করে গোল করেন। মেহেরপুরে অনুষ্ঠিত খেলায় বিজেএমসি ২৬-০ গোলে পরাভূত করে চুয়াডাঙ্গাকে। বিজয়ী দলের পক্ষে পাঁচজন হ্যাটট্রিক করেন। ফরোয়ার্ড সাবিনা খাতুন একাই করেন তিন হ্যাটট্রিকসহ ১০ গোল! এছাড়া মিরোনা একটি হ্যাটট্রিকসহ ৫ গোল, সুরাইয়া একটি হ্যাটট্রিকসহ ৪ গোল, বিথি ও মুক্তা একটি করে হ্যাটট্রিক করেন। অপর গোলটি অনন্যার। ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে গোপালগঞ্জ ৯-০ গোলে হারায় মুন্সীগঞ্জকে। বিজয়ী দলের সাদিয়া হ্যাটট্রিক করেন। নমিতা ও বিথি করেন জোড়া গোল। নুরজাহান ১টি গোল করেন। আরেকটি গোল হয় আত্মঘাতী। লক্ষ্মীপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আনসার ও ভিডিপি ২৫-০ গোলে হারায় নোয়াখালীকে। বিজয়ী দলের মুনমুন ২টি হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল করেন। উচিং মারমা করেন দুটি হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল। মাউই মারমা করেন দুটি হ্যাটট্রিক। ১টি করে গোল করেন মাচি মারানা, স্বপ্না, বালি, সাজদা খান ও খালেদা। রংপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ঠাকুরগাঁও ৮-০ গোলে হারায় পঞ্চগড়কে। বিজয়ী দলের বেবি রানী হ্যাটট্রিকসহ করেন ৫ গোল।

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক গ্র্যাভেনি আর নেই

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক এবং ব্যাটসম্যান টম গ্র্যাভেনি আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৮৮ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। মঙ্গলবার তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ব্রিটেনের প্রেস এ্যাসোসিয়েশন। ক্রিকেটীয় অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৯ সালে তাকে হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্তও করেছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। খেলোয়াড়ি জীবনে ইংল্যান্ডের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান ছিলেন গ্র্যাভেনি।