১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কর্মচারীদের হিসাব থেকে অর্ধ কোটি টাকা হাওয়া

  • রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

মামুন-অর-রশিদ, রাজশাহী ॥ শিক্ষা বোর্ড কর্মচারীদের নামে হিসাব নম্বর থেকে অর্ধ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন এক কর্মকর্তা। গত তিন বছর ধরে কয়েক দফায় টাকা তুলে নেয়া হয়। বিভিন্ন খাতে সেই টাকার ব্যয়ও দেখানো হয়েছে। তবে যাদের নামের হিসাব নম্বর থেকে টাকা তোলা হয়েছে, সেসব কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা কিছুই জানে না। আবার যাদের সম্মানি হিসেবে অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে সেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও টাকা পাননি। বিভিন্ন সময়ে এভাবে অর্থ তুলে আত্মসাত করেছেন শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) আকবর হোসেন।

তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আকবর হোসেন কোন কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘টাকা কিভাবে উঠেছে, খরচ হয়েছে তা কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা বলতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ২০০৯ সালে উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) পদে যোগদান করেন আকবর হোসেন। এরপর কর্মচারী ইউনিয়নের নামে সোনালী ব্যাংকের গ্রেটার রোড শাখায় হিসাব খোলেন। যার নম্বর-৪৬০৯৩৪০৩০১৪১। ওই হিসাব নম্বর থেকে ২০১৩ সালে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪০১ টাকা, ২০১৪ সালে ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা ও এ বছর ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৯১২ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সবগুলো চেকে স্বাক্ষর করেছেন উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) আকবর হোসেন। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী জানান, কর্মচারীরা নিজেরা চাঁদা তুলে খরচ নির্বাহ করেন। তাদের নামে ব্যাংক হিসাব ছিল। সেই হিসাব নম্বরটি আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিপুল পরিমাণ টাকা তাদের হিসাব নম্বরে ছিল না। ওই হিসাব নম্বরটিতে এত টাকা কারা জমা করল এবং কী ভাবে তোলা হয়েছে তা উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) আকবর হোসেন বলতে পারবেন বলে তিনি জানান। সোনালী ব্যাংকের গ্রেটার রোড শাখায় গিয়ে জানা যায়, হিসাব নম্বরটি ২০০৯ সালে খোলা হয়েছিল। এ বছর সেই হিসাব নম্বরটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে সেখানে কোন টাকা নেই। এছাড়া আর কোন তথ্য দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মীর হাসান মোঃ জাহিদ।

কক্সবাজারে মানব পাচারকারী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ ভাল চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজারে চকরিয়া থেকে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে পুলিশ আসমাউল হুসনা নামে এক তরুণীকে উদ্ধার ও নুরুল আমিন নামের এক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার রাতে ফাসিয়াখালী ছায়রাখালী পাহাড়ী এলাকা থেকে তরুণীকে উদ্ধার ও পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার তরুণী বদরখালী নতুনঘোনা গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে। পাচারকারী নুরুল আমিন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার মৃত ফয়েজ উল্লাহর পুত্র। চকরিয়া থানার ওসি বলেন, ভাল চাকরি পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সংঘবদ্ধ একটি মানবপাচারকারী চক্র কয়েকদিন ধরে চকরিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ নারীকে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য জড়ো করে। মঙ্গলবার রাতে ওসব নারীদের ছায়রাখালী পাহাড়ী এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।

নির্বাচিত সংবাদ