১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কবি হেয়াত মামুদের কাব্যপাঠ

  • এবিএম রমজান আলী

কবি হেয়াত মামুদের কাব্য রচনার সময়কাল বিবেচনা করলে তার জন্মের আনুমানিক কাল ১৭০০ খ্রিস্টাব্দ। তাঁর রচিত ৪ (চার) খানি কাব্যের প্রত্যেকটিতে রচনাকাল উল্লেখ করেছেন। প্রথম কাব্য জঙ্গনামা রচনাকাল সন এগারো শ’ ত্রিশ-এ অর্থাৎ ইংরেজী ১৭২৩ খ্রিস্টাব্দের কোন এক সময়। মাত্র ২৩ বৎসর বয়সে জঙ্গনামা কাব্য লিখিয়া থাকেন তাহলে ১৭০০ সালে জন্ম হয়েছে বলে ধরে নিতে হয়। কাজেই তার বয়স অনেকটা অনুমাননির্ভর। কিন্তু এত অল্প বয়সে কাব্য লিখিবার নিদর্শন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে খুব বেশি নাই।

কবি হেয়াত মামুদ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত বিশিষ্ট কবি। সমগ্র মধ্যযুগে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে তাঁর ন্যায় প্রতিভাসম্পন্ন কবি খুব কমই জন্মগ্রহণ করেছেন। তাঁর প্রতিটি কাব্যই প্রতিভার স্বাক্ষর সুস্পষ্ট। কবি হেয়াত সহজ সরল বক্তব্য দিয়ে হৃদয়স্পর্শী ও বেগবান করেছেন। তাঁর অধ্যাত্ম সাধনা ও কাব্য রচনা উভয় কারণে তিনি স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলন। বছরের একটি দিনে তাঁর অসংখ্য ভক্ত তাকে স্মরণ করে এবং আত্মার মাগফিরাতের জন্য উরস অনুষ্ঠান করেন। তাই বলা যায়, কাব্য সৃষ্টির মাধ্যমে কবি অমর হয়ে আছেন।

মুঘল আমলে ঘোড়াঘাট বাংলাদেশের অন্যতম সরকার হিসেবে গড়ে ওঠে। এ ঘোড়াঘাটের অন্তর্গত বাগদ্বার বা বাগদুয়ার পরগনায় অবস্থিত ঝাড়বিশিলা গ্রামে কবি হেয়াত মামুদ জন্মগ্রহণ করেন। ঘোড়াঘাট দিনাজপুরের অন্তর্গত থানা। ঝাড়বিশিলা গ্রাম ও বাগদ্বার পরগনা বর্তমানে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার অন্তর্গত। কবি হেয়াত মামুদের পিতার নাম ছিল কবির মাহমুদ, মাতার নাম খায়রুন্নেছা বলে বংশ তালিকায় উল্লেখ আছে।

কবি হেয়াত মামুদের কাব্যের সংখ্যা চারটি। তাঁর প্রথম কাব্যের নাম জঙ্গনামা বা মহরত পর্ব, দ্বিতীয় কাব্যের নাম সর্বভেদবাণী বা চিত্ত উল্লাসবাণী, তৃতীয় কাব্যের নাম হিতজ্ঞানবাণী এবং চতুর্থ বা শেষ কাব্যের নাম আম্বিয়াবাণী কাব্য। জঙ্গনামা কাব্যটি (রচনাকাল ১৭২৩ খ্রিস্টাব্দ) কারবালার বিষাদময় কাহিনীকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। হযরত আলী বা মাবিয়ার মৃত্যুর পর মাবিয়ার পুত্র ইয়াজিদ কিভাবে হযরত আলীর পুত্রদ্বয় ও আত্মীয়-পরিজনকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেছিল এবং কিভাবে হযরত আলীর অপর পুত্র মোহাম্মদ হানিফা ও তাঁর অন্যান্য অনুচরবর্গ এ হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিল তার বর্ণনা এ কাব্যের কাহিনীতে বিবৃত হয়েছে।

দ্বিতীয় গ্রন্থ সর্বভেদবাণী কাব্যটি (রচনাকাল ১৭৩২ খ্রিস্টাব্দ) বিষ্ণশর্মা রচিত হিতোপদেশ বা পঞ্চতন্দ্র গ্রন্থের বাংলা তরজমা। হিতোপদেশ সংস্কৃত রচিত কিন্তু কবি ইহার ফারসী অনুবাদ দেখে বাংলায় তর্জমা করেছেন। তাজলমূলক রচিত গ্রন্থের নাম মুফরিহল কলুব বেদ মনোবিকাশ। কবি হেয়াত মামুদ সেই কেতাবের অনুসরণে সর্বভেদবাণী কাব্য রচনা করেন। কাব্যটি চারখ-ে বিভক্তÑ প্রথম খ- মিত্রভাব, দ্বিতীয় খ- বৈবীভাব, তৃতীয় খ-ে মায়াপ্পন এবং চতুর্থ খ-ে সিদ্ধাভাব।

তৃতীয় কাব্য ‘হিতজ্ঞানবাণী’ (রচনাকাল-১৭৫৩)। এ কাব্যে কিভাবে অজু, গোসল করতে হয়, নামাজ, রোজা করতে হয় ও ইসলাম ধর্ম মোতাবেক দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নির্বাহ করতে হয় ইত্যাদি বর্ণনা ছন্দে লেখা হয়েছে। ইসলাম ধর্মের বিধি নিষেধ ও বিভিন্ন বর্ণনাই এ কাব্যের মূল উপজীব্য বিষয়।

চতুর্থ বা শেষ গ্রন্থ ‘আম্বিয়াবাণী’ কাব্য (রচনাকাল-১৭৫৭)। আম্বিয়াবাণী আম্বিয়া হেচ্ছালামদের জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত। এ কাব্যের প্রথমদিকে বন্দনার পরে অদ্যের বাহিনী বর্ণনায় কবি সৃষ্টির ইতিহাস তুলে ধরেছেন। বন্দনা অংশে তিনি পয়গম্বরগণের বন্দনা ছাড়াও এত দেশীয় ও বিদেশী অনেক সুফী সাধকদের বন্দনা লিখেছেন।

তাঁর কাব্যগুলো প্রায় ছন্দই বেশি ব্যবহৃত হয়েছে, তবে ত্রিপদী ও লঘুত্রিপদীও কাব্যগুলোতে আছে। শব্দ প্রয়োগের রীতি অন্যান্য কাব্যের ন্যায় ও কাব্যের সাধারণ ও স্বাভাবিক অর্থাৎ সমাজে নিত্য ব্যবহৃত শব্দগুলোকে তিনি কাব্যে সুকৌশলে ব্যবহার করেছেন। তাতে কাব্যের কাহিনীকে একদিকে সহজবোধ্য ও অন্যদিকে গতিশীল করে তুলেছেন।

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রচনার মৌখিক প্রেরণা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্মীয় প্রেরণা হতে এসেছে। মানব হৃদয়ে অনুভূতির রাজ্য সে অসীম, মধ্যযুগের কবিরা তার সন্ধান সার্থকভাবে আবিষ্কার করতে পারেন নাই। সে জন্য মধ্যযুগের সাহিত্যে খাঁটি মানবীয় কাহিনী বিশেষ দেখা যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানুষের স্বাভাবিক চলার পথ ধর্মীয় অনুশাসনে বাঁধা ছিল এবং সাহিত্যে তাই প্রাধান্য লাভ করেছে। মানবজীবনের সুখ-দুঃখের চিত্র মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত, আনন্দ-বেদনা ও হাসি-কান্নার ছবি বিশিষ্ট দুই একজন কবির কাব্যে ছিটেফোটা ধরা পড়লেও সামগ্রিকভাবে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ইহা নাই। ধর্মীয় প্রেরণা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে মানুষের মনে প্রতিষ্ঠিত ছিল বলেই সেকালের কবিরা ধর্মের বাঁধাধরা গ-ির বাইরে আসতে পারেননি। তাদের সাহিত্য সাধনা বহু স্থানে ধর্ম সাধনা বা ধর্ম শিক্ষার নামান্তর ছিল। মানুষকে সুপথে আনয়নের জন্য তাহারা কাব্য লিখেছেন অথবা নিজেদের ধর্মীয় মতবাদেই যে শ্রেষ্ঠ এর প্রচারকল্পে তারা বাণী রচনা করেছেন। মননশীল ও সৃষ্টিধর্মী মনের এক আবেগ বহুল রসময়তার এবং আনন্দোচ্ছ্বল অনুভূতির স্বাভাবিক, প্রকাশের ব্যাকুলতায় ব্যাস হয়ে তারা সৃষ্টিকার্যে হাত দেন নাইÑ তাদের নিস্তারের জন্য পথ নির্দেশের প্রেরণা অথবা ধর্মের অপপ্রচারে ব্যথিত কবিকে বিকৃত কাহিনীর সংশোধন প্রচেষ্টায় অগ্রসর হতে লক্ষ্য করা যায়। তাই তাদের কাব্যে রক্ত- মাংসের মানুষ নাই। আছে ধর্মের বাঁধাধরা কথা অথবা দেবতার হাতে সাধিকার প্রতিষ্ঠায় আগ্রহান্বিত মানুষের লাঞ্ছনা। আধুনিক সাহিত্যে ধর্ম সাহিত্যের সমস্ত গতিপথকে রোধ করে দাঁড়ায়নি। মানুষের ব্যাপক ও বিচিত্র অনুভূতির স্বাভাবিক বিকাশের সম্ভাবনাকে ধর্ম শ্রদ্ধার সহিত পথ ছেড়ে দিয়েছে। তাতে মানুষের মাহাত্ম প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে ধর্মও মহিমান্বিত হয়েছে। আসলে ধর্ম মানুষের আত্মিক বিকাশের জন্য। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চিরাচরিত এই ধর্মপ্রবণ রীতিতে প্রথম সার্থক ব্যতিক্রমের সৃষ্টি করেছেন যে মসুলমান কবিরা তাতে সন্দেহ করার কিছু নেই। তাঁদের রচিত অথবা অনুদিত রোমান্টিক কাহিনী-কাব্য মানুষের অনুভূতির রাজ্যকেও মানুষের ভালোলাগা ও মন্দ লাগাকে বড় করে তুলেছে।

হেয়াত মামুদ মূলত ধর্মীয় ভাবধারার কবি হলেও তাঁর কাব্যে সমাজ-সচেতন দৃষ্টির অভাব নেই। সমাজের যেখানেই কদর্যতা ও গ্লানি দেখেছেন কবি সেখানেই মানুষ সর্তক করতে চেষ্টা করেছেন। এজন্যই তাঁর সবগুলো কাব্যেই নীতিপ্রিয়তার ছাপ লক্ষ্য করা যায়। তিনি যেন সাহিত্য সাধনার মধ্য দিয়ে সমাজ সংস্কারের ভারও নিজের স্কন্ধে তুলে নিয়েছেন।

কবির কাব্যগুলোর আর একটি বৈশিষ্ট্য পরমতসহিষ্ণুতা। কবি যদিও ইসলাম ধর্মের অনুশাসনে আবদ্ধ অন্য ধর্মাবলম্বীদের ছোট করে দেখাতে চেষ্টা করেননি। অনেক স্থানেই হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীর বা নাথ ধর্মের দু’একটি ভাবকল্পনা তাঁর কাব্যে প্রবেশ করেছে।

কাহিনী বা আখ্যানভাগ সৃষ্টিতে কবির নিজস্বতা চোখে পড়ে। ছন্দ রচনায় তাঁর কৃতিত্ব সম্পূর্ণ নিজস্ব। তাঁর কৃতিত্ব প্রকাশ পেয়েছে অন্তমিল সার্থকভাবে সম্পন্ন করায়, তাঁর স্বাভাবিক শব্দ চয়ন; ছন্দের তালমান বজায় রেখে পর্ব ও যতির যথার্থ বিধান সাধন। এর ফলে তাঁর রচনা সুখপাঠ্য, সঙ্গীতাত্মক, জনমগ্রাহ্য এবং গতিশীল হয়ে উঠেছে। শব্দ চয়নের বেলায় সংস্কৃত, ফারসী, বাংলা এবং প্রচলিত দেশী শব্দ কাব্যের প্রয়োজনানুরোধে যখন যেমন পেরেছেন তিনি ব্যবহার করেছেন। এছাড়া উপমা প্রয়োগেও অনুপ্রাসে সৃষ্টিতে তাঁর কৃতিত্ব অস্বীকার করার উপায় নাই। হেয়াত মামুদের কাব্যগুলোতে কবির সারল্য ও অকপটতা সত্যই মনোমুগ্ধকর। কবি যা অনুধাবন করেছেন তা প্রকাশ করতে কোন সংকোচবোধ করেননি। সে জন্যই শাস্ত্রের বা ইতিহাসের বাধাধরা পথ মাঝে মাঝে অতিক্রম করে মানব জীবনের একেবারে সাধারণ ক্ষেত্রে অথবা দেশের সাধারণ মানুষের জীবন ও পরিবেশের মধ্যে তিনি নেমে আসতে পেরেছেন।

একথা স্বীকার করতেই হবে যে, হেয়াত মামুদ যে যুগে এবং দেশের যে অংশে বাস করেছেন সেখানে মানুষের জীবন নিরবচ্ছিন্ন কৃষি সংস্কৃতির ধারায় স্নাত ছিল। সে যুগে বা সে সমাজে বর্তমানকালের জটিল জীবন জিজ্ঞাসা ও তীক্ষè বুদ্ধিগ্রাহ্য মানসিকতা ছিল অনুপস্থিত।

যা হোক, হেয়াত মামুদ এই নিস্তরঙ্গ কৃষি সংস্কৃতির আবহাওয়ায় লালিত-পালিত একজন কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যপাঠের সময় আমাদের সেই সমাজ ও যুগের কথা ভাবতে হবে। তাঁর কাব্যে নীতি ও ধর্মীয় চেতনার মূল উৎস এ সমাজ মানসিকতা হতে উৎসারিত। অষ্টাদশ শতাব্দী দূরের কথা, আজিকার একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতেও এ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যে খুব বেশি পরিবর্তিত হয়েছেÑ এমন মনে হয় না। হেয়াত মামুদের কাব্যের ও কবি প্রতিভার চারিত্র্য বিচারের সময় আমরা এ কথা স্পষ্টভাবেই বুঝতে সমর্থ হই যে, তাঁর চিন্তাধারা ও পরিকল্পনার ফসল মূলত গ্রামীণ পরিবেশ ও কৃষি সংস্কৃতির পলিমাটির রস সঞ্চয় করে সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছিল।

(জঙ্গনামা কাব্যের অংশ বিশেষ)

জঙ্গনামা কাব্য

(জঙ্গনামা বা মহরম পর্ব)

সর্বত্রে খোদার নামে শুকুর হাজার

যাহাতে উৎপত্তি হৈল সৃষ্টের৩৩৯প্রচার॥

দয়ার সাগর সেহি মায়ার নিধান।

কে করিতে ৩৪০ পারে তার মহিমা৩৪১

ব্যাখ্যান৩৪২॥

নবীর চরণ বন্দো ৩৪৩ করিয়া ভকতি।

যাহার চরণ বিনে অন্য নাহি গতি॥

মুক্তি পদ হএ যার কলেমা পড়নে।

অন্তকালে উদ্ধারির উম্মত আপনে॥

হাসন হুসন আদি৩৪৪ য়্যার চারিজন।

প্রণতি ৩৪৫ করিয়া বন্দো সভার চরণ।

বিবি ফাতেমার পদ ৩৪৬ শিরেতে বন্দিয়া।

রচিব পুস্তুক আমি কিতাব দেখিয়া৩৪৭॥

আপনে করিবে মাতা মোর তরে দয়া।

উত্তম করিয়া পদ দিবেন জোটায়॥

তবে সে রচিতে পারি কিতাবের বাণী।

মোর কণ্ঠে মিত্রাক্ষর জোটের আপনি॥

সর্বকাল হউক মোর তোমাতে ভকতি।

তুমি সে করিবে মোর সর্বতত্ত্বে গতি॥

তুমি বিনা কেবা আছে কার নিব ছায়া।

নবীর আওলাদ বিনে কে করিবে দয়া॥

এমামের পদ পদ্ম শিরেতে বন্দিয়া।

হেয়াত মামুদ রচে কিতাব দেখিয়া॥

ধুয়া ঃ

হায় হায় হায় আল্লাহ শুকুর হাজার।

কে কহিতে পারে আল্লা মহিমা তোমার॥

পয়ার ঃ

হায় হায় হায় ভাই করি নিবেদন।

না ধর আমার দোষ না বোল কেমন॥

শুন ভাই সর্বজন মিনতি আমার।

সকলের তরে মুঞি করো পরিহার॥

পড়িনু শুনিনু ভাই আরবী ফারসী।

ইমামের কথা শুনি দুঃখ মনে বাসি।

যতেক শুনিনো মুঞি পুশক বয়াতে।

কথো আছে কথো নাহি কিতাবের মতো॥

নাহি জানে আদ্য কতা নাহি পায় তত্ত্ব।

পচাল পারিয়া মিথ্যা ফিরয়ে সতত॥

তাহা শুনি মনে মোর দ্বিধা সর্বক্ষণ।

রচিনু পুস্তুক তবে জানিতে কারণ॥

যেবা নাহি জানে শুনে কেতাবের বাণী।

এবে সে জানিবে সব তত্ত্বের কাহিনী।

যেন তেন মতে আমি কৈন পদ বন্দ।

ইহাতে আমাকে কেহ না বলিবে মন্দ॥

এক মনে শুনিলে পাতক দূর যায়।

হেয়াত মামুদে কহে সর্ব লোকের পায়॥