১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পার্বতীপুরে অভিনব প্রতারনার মাধ্যমে অর্থ আদায়

নিজস্ব সংবাদদাতা, পার্বতীপুর ॥ যৌনতাকে পুজি করে পার্বতীপুরে একটি অপরাধীচক্র বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের ট্রাপে পড়ে জনৈক কলেজ ছাত্র ও তার পিতা। তারা ১২ ঘন্টা পার্বতীপুর মডেল থানায় আটক থাকার পর দুই পক্ষের মধ্যে লিখিত আপোষনামার মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১০ টায় ছাড়া পায়। শর্ত অনুযায়ী পরিশোধ করতে হয় ৮০ হাজার টাকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট এলাকা মনম্মথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ আলী শাহ ও সে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। জানা যায় মনম্মথপুর এলাকার জনৈক স্কুলগামী ছাত্রী ও বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুরের ইন্টারমেডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রের মধ্যে মামাতো-ফুপাতো বোনের সম্পর্ক। এ সূত্রে তাদের মধ্যে কথাবার্তা ও মোবাইল যোগাযোগ রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেওয়ানীর বাজারের জনৈক কম্পিউটার অপারেটরের নেতৃত্বে ৩ বেকার যুবক কলেজপড়–য়া ছাত্রটিকে প্রলোভন দিয়ে গত সোমবারে মনম্মপুরের ভবেরবাজারে ডেকে এনে ধমকায়। তার মোবাইলে কাটিং করা মেয়ের নগ্ন ছবি আছে।এছাড়াও মেয়ের কাছে লক্ষ টাকা দাবী করা হয়েছে। না দিলে ইন্টারনেট অথবা ফেসবুকে ছাড়ার হুমকির অভিযোগ তুলে ছেলেটির হাত থেকে মোবাইলটি কেড়ে নেয়। বুধবার ছিনতাইকৃত মোবাইল উদ্ধার করতে গিয়ে দেওয়ানীর বাজারে ছেলে ও তার পিতাকে বেধড়ক পিটিয়ে আটক করা হয় । খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। থানার এস আই রেজা জানান, বুধবার রাত আনুমানিক ৮ টায় আটক অবস্থা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলের পিতা জনৈক স্কুল শিক্ষক দাবী করেছেন , তার মেধাবী ছেলের এসব নোংরামীতে জড়িত থাকার প্রশ্নেই উঠেনা। এটি সম্পূর্ন সাজানো ঘটনা। তদন্তকারী থানার এস আই রেজা জানিয়েছেন, ছেলের র্স্মাট ফোনে মেয়ের নগ্ন ছবির আলামত পাওয়া যায়নি।যোগাযোগ করলে পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি মাহমুদুল আলম আজ শুক্রবার দুপুরে জানান, অভিযোগকারী না থাকায় মামলা করা হয়নি। দুপক্ষের লিখিত আপোষের মাধ্যমে পুত্র ও তার পিতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।