১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অভিজিত, দীপন হত্যার বিচার শুরু না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে

  • রাজধানীজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচী ॥ গণজাগরণের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম

স্টাফ রিপোর্টার ॥ অভিজিত, দীপনের হত্যার মূল নায়কদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় না করানো পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন দেশের বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীকে রাষ্ট্র মদদ দেবে তা কোনভাবেই সহ্য করা হবে না। হত্যাকা-ের বিচার হবে না? একের পর এক মানুষ হত্যা করা হবে এটা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে চলবে না। মুক্তমনা মানুষরা ভয়ে থাকবে আর উগ্র

মৌলবাদী গোষ্ঠী অপরাধ করেও নিরাপদ থাকবে এমন বাংলাদেশ আমরা চাইনি। শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত পৃথক পৃথক কর্মসূচীতে বক্তারা এসব কথা বলেন। এদিকে সকল হত্যাকারীকে গ্রেফতারে সরকারকে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। অন্যথায় ২০ নবেম্বর সমাবেশ করে কঠোর কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে। একই দাবিতে ৯ নবেম্বর শাহবাগ থেকে শহীদমিনার পর্যন্ত সমাবেশ ও আলোর মিছিল কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে।

‘পুলিশ আছে, বন্দুক আছে কিন্তু ‘গুলি’ নেই’ ॥ দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুদৃঢ় করে সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদ রুখে দিতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চা। শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদমিনারে সংগঠনটির আয়োজনে এক প্রতিরোধ সমাবেশে বক্তারা এ আহ্বান জানান। সমাবেশে শেষে কেন্দ্রীয় শহীদমিনার থেকে একটি মশালমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে টিএসসি হয়ে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশ উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। সাংবাদিক আবেদ খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসিরুদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আহাদ চৌধুরী, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, কবি সামাদ, সাংবাদিক অঞ্জন রায় ও মুক্তিযোদ্ধা কন্যা নুজহাত চৌধুরী প্রমুখ।

বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক বলেন, যারা একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল, যারা পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল, যারা জেল হত্যা এবং ২১ আগস্টের হামলার সঙ্গে জড়িত তারাই এ হত্যাকা-ে জড়িত। এরা কারা সবারই জানা। তিনি বলেন, এখন যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দমিয়ে রাখার জন্য এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে লবিং করছে তারা কারা? সাধারণ মানুষ এখন এগুলো সম্পর্কে অবগত। আইনশৃঙ্খলাসহ দেশের গোয়েন্দা ও পুলিশ বাহিনীকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতিশীঘ্র ব্লগারসহ পুলিশ হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে বিচার নিশ্চিত করুন।

দেশে চলমান জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি বলেন, ২০০১ সাল থেকে বিএনপি-জামায়াতের ছত্রছায়ায় এদেশে জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার উত্থান হয়। আজ পর্যন্ত এই জঙ্গীবাদ তাদের কারণেই বিকশিত হচ্ছে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে যাতে কোন মহল এদেশের গায়ে জঙ্গীবাদের তকমা না লাগাতে পারে।

মুক্তিযোদ্ধা আহাদ চৌধুরী বলেন, ছোটগল্পের মতো আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম ৪৬ বছর হয়ে গেল, শেষ বয়সে কি এদেশ স্বাধীনতা বিরোধীশক্তি মুক্ত দেখে যেতে পারব না? আর এই আশা পূরণ করার জন্য তরুণদের এগিয়ে এসে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, আগামীতে আর কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি যাতে বাংলাদেশে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের এই ছোটগল্পের অবসান ঘটাতে হবে।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারছে না উল্লেখ করে সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, পুলিশ আছে, বন্দুক আছে কিন্তু ‘গুলি’ নেই। এটি হাস্যকর ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে আমাদের রক্ষা করবে কে? মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হত্যা করা হলেও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নীবর।

মুক্তচিন্তার সংহতি সমাবেশ ॥ দেশে মুক্তচিন্তার মানুষের ওপর একের পর এক হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সরকরের উদ্দেশে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডাঃ ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, ভিন্নমত দমন নয় বরং জঙ্গীবাদ দমন করুন। সরকারকে জঙ্গীবাদ দমনের জন্য ক্ষমতায় আনা হয়েছে; ভিন্নমত দমনের জন্য নয়।

রাজধানীর শাহবাগে মুক্তচিন্তার সংহতি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তচিন্তার হামলা রুখে দাঁড়াও বাংলা প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনের হত্যাকারী ও প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল ও ব্লগার তারেক রহিম, রণদীপন বসুর হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদ ও জানমালের নিরাপত্তা দাবিতে এ সংহতি সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

নিহত ব্লগার অভিজিত রায়ের পিতা অধ্যাপক ড. অজয় রায়ের সভাপতিত্বে সংহতি সমাবেশে বক্তব্য দেন বীরমাতা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, কলামিস্ট মমতাজ লতিফ, সঙ্গীতা ইমাম, নাট্যব্যক্তি আজাদ আবুল কালাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদুল হক, ভাস্কর রাশা, শম্পা বসু প্রমুখ।

ইমরান বলেন, একে একে ব্লগার, মানুষ হত্যা করার প্রতিবাদে আমরা ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচী পালন করে আসছি। সহযোদ্ধা হত্যা হলে আমরা ধারাবাহিকভাবে একই ধরনের কর্মসূচী পালন করে আসলে আজ পর্যন্ত এর কোন প্রতিকার কিংবা বিচার পাইনি। হত্যাকারীদের বিচার তো হয়নি বরং তাদের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাত্র খবর পেলাম উত্তরায় তাইওয়ানের দুই নাগরিকের ওপর হামলা করা হয়েছে। তারা এখন হাসপাতালে। জঙ্গীবাদ দমনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছিল আমরা এখন তার উল্টোটা দেখছি। ধর্মের নামে হত্যাকে উৎসাহিত না করে সরকারকে এখনই মানবতাবিরোধী, জঙ্গীবাদী গোষ্ঠীকে কঠোরহস্তে দমন করতে হবে।

অধ্যাপক অজয় রায় বলেন, দেশে বর্তমানে ব্লগার হত্যার নামে জঘন্যভাবে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। সন্তান হারানোর কী বেদনা সেটা আমি বুঝি। অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক ছেলে হত্যার বিচার না চাইলেও তিনি ব্লগারসহ যেকোন হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক যে কথা বলেছেন সেটা দর্শনগত। অভিজিত, দীপনের হত্যার মূল নায়কদের বিচারের কাঠগড়ায় না দাঁড় করানো পর্যন্ত আমার সংগ্রাম চলবে।

অজয় রায় আরও বলেন, অধিকার কিভাবে আদায় করতে হয় তা জানা আছে। সবাইকে সম্মিলিতভাবে রাস্তায় নামতে হবে। সংগ্রাম ছাড়া অধিকায় আদায় হয় না। সারাদেশের মানুষের মধ্যে সংগ্রাম ছড়িয়ে দিতে হবে। এ সংগ্রামে জয়ী হওয়ার মাধ্যমেই যুদ্ধাপরাধী এবং নব্য রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ অর্জিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলেন, সরকারের বিবেক কোথায়? মানুষকে রক্ষার জন্য গণজাগরণ মঞ্চ থেকে কেন আহ্বান জানাতে হবে। সরকার জাতিকে রক্ষা করার জন্য এখনই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

খুশি কবির বলেন, জনগণের ওপর আমাদের সকলের আস্থা থাকা উচিত। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো প্রায় সময়েই সে কথা ভুলে যায়। বাংলাদেশকে আমার জঙ্গীবাদী, মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হতে দেব না। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার যদি ভোটের রাজনীতির কথা চিন্তা করে ব্লগার হত্যার নামে মানুষ হত্যার ব্যাপারে নির্লিপ্ত থাকে তবে তাদের ৭০-এর কথা মনে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, জনগণের ওপর আস্থা রাখা উচিত, সরকার সেটা ভুলে যায়। স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে দেব না। আপনারা ব্যর্থ হলে বলেন, আমরা সহযোগিতা করব।

মাহফুজা খানম বলেন, একে একে মানুষ হত্যা করে খুনীরা পালিয়ে গেলেও সরকার আজ পর্যন্ত কাউকে ধরতে পারেনি। এটার ধিক্কার জানানোর ভাষা আমাদের নেই। এখন লেখক ও প্রকাশক হত্যা হলেও ভবিষ্যতে হয়ত পাঠকদের হত্যা করা হবে।

অপশক্তির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। একতাবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তিকে আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে।

খালেকুজ্জামান বলেন, আমাদের দেশ মধ্যম আয়ে গেলেও সমাজ মধ্যযুগে চলে গেছে। দেশপ্রেম কাব্য চেতনা এগুলো ধর্মের ভিত্তিতে হয় না। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন তারা জাতীয় বীর হিসেবে গণ্য হবে।

আজাদ আবুল কালাম বলেন, এই অপশক্তির বিরুদ্ধে যদি আমরা রুখে দাঁড়াতে না পারি তবে আজ লেখক-প্রকাশক আক্রান্ত হচ্ছে, কাল পাঠক আক্রান্ত হবে পরশু যারা ভাবছে তারা আক্রান্ত হবে। আমরা যদি একত্রিত হতে না পারি তবে আমাদের সমস্ত শুভ শক্তির ওপর আঘাত আসতে পারে।

কর্মসূচী ॥ এদিকে সমাবেশ শেষে চলমান আন্দোলনে নতুন একগুচ্ছ কর্মসূচী ঘোষণা করে গণজগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডাঃ ইমরান এইচ সরকার। এগুলো হলো আগামী ৯ নবেম্বর শাহবাগ থেকে শহীদমিনার পর্যন্ত সমাবেশ ও আলোর মিছিল, ১৩ নবেম্বর বিকেল চারটায় প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ, ২০ নবেম্বর শাহবাগে গণ-সমাবেশ। এছাড়া আগামী ডিসেম্বর মাস জুড়ে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-গুলোতে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করবে গণজাগরণ মঞ্চ। সমাবেশে সরকারকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়ে নতুন এসব কর্মসূচী ঘোষণা করেন ইমরান। অন্যথায় ২০ তারিখ সমাবেশ থেকে কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

জামায়াতের নেতৃত্বে জঙ্গীবাদী তৎপরতা চলছে- ওয়ার্কার্স পার্টি ॥ বাংলাদেশে বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে মৌলবাদী-জঙ্গীবাদী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করে ১৪ দলের অন্যতম শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি। এই প্রেক্ষাপটে দলটির নেতাদের দাবি, এই জঙ্গী তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে সরকারকেই। কোন অবস্থাতেই প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীকে ছাড় দেয়া যাবে না।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী আবারও মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যের ডাক ॥ জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় ঐক্য গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, পরিস্থিতি এখনই মোকাবেলা করা না গেলে আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ আহ্বান জানান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির (একাংশের) প্রয়াত চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদের প্রতি ‘নাগরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারার সভাপতি ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

দোষীদের গ্র্রেফতারে ব্যর্থতা পুলিশ এড়িয়ে যেতে পারে না- গণফোরাম ॥ আশুলিয়ায় পুলিশ খুনের ঘটনা, প্রকাশক দীপন হত্যা-লালমাটিয়ায় প্রকাশক-লেখকদের হত্যা চেষ্টার ঘটনাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল কাশেম ফজলুল হককে হত্যার হুমকির ঘটনা দেশবাসীকে আতঙ্কিত করে তুলেছে বলে মনে করে গণফোরাম।