২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অবশেষে মাফিয়া ডন ছোটা রাজন ভারতে পৌঁছেছে

  • রাখা হয়েছে সিবিআই হেফাজতে

অবশেষে ভারতে ফিরিয়ে আনা হলো ছোটা রাজনকে। শুক্রবার ভারতীয় তদন্তকারীরা এই গ্যাংস্টারকে নিয়ে বিশেষ বিমানে ভারতের উদ্দেশে রওনা হন। শুক্রবার ভোর ৫টা নাগাদ দিল্লীর পালাম বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তাঁরা। আন্তর্জাতিক স্তরে দু’দশক তল্লাশির পর দিন বারো আগে অস্ট্রেলিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার পথে বালিতে গ্রেফতার হন এই মাফিয়া ডন। এর পর থেকেই রাজনকে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্র : এএফপি/ওয়েবসাইটের।

পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিমানবন্দর থেকেই ছোটা রাজনকে নিñিদ্র নিরাপত্তায় ঘিরে সিবিআই সদর দফতরে নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত তাদের হেফাজতে রয়েছে সে। হস্তান্তর সম্পর্কিত জটিলতা আগেই কেটে গিয়েছিল। ইন্দোনেশিয়া সরকারের কাছে এই সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছেন ভারতীয় প্রতিনিধিরা। ইন্দোনেশিয়ায় বালিতে ধৃত মাফিয়া ডন রাজনকে নিয়ে দু’দিন আগেই ভারতে ফেরার কথা ছিল সিবিআই, দিল্লী ও মুম্বাই পুলিশের যৌথ দলটির। কিন্তু মঙ্গলবার বালির কাছেই মাউন্ট রিনজানি আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু হয় অগ্ন্যুৎপাত। যার জেরে বাতিল করতে হয়েছে বেশকিছু বিমানের উড্ডয়ন। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় বালির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর খোলার পরে ফের তৎপরতা শুরু হয়। বালির জেল থেকে বেরিয়ে কড়া প্রহরায় গাড়িতে ওঠার আগে রাজন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে ফিরছি। আমি খুশি।’

বুলেটপ্রুফ গাড়িতে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে বালির বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয় রাজনকে। ভারতীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে আটটা নাগাদ তাঁকে নিয়ে দিল্লীর দিকে পাড়ি দেয় বিশেষ বিমান। শুক্রবার রাজনের বিরুদ্ধে সব মামলা তড়িঘড়ি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, রাজন আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই ধরনের অপরাধের তদন্ত সিবিআই-ই করতে পারে। তাই মামলাগুলো ওই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে দেয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারী সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে রাজনের। সেই সমঝোতা মেনেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলাগুলো মুম্বাই পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে নেয়া হলো। কারণ, মুম্বাই পুলিশের একাংশ তাঁর শত্রু দাউদ ইব্রাহিমের হয়ে কাজ করছে বলে মনে করেন রাজন। সরকারী সূত্রে খবর, এ কথা বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারাও। তাই রাজনকে আপাতত মুম্বাই না পাঠিয়ে দিল্লীতে সিবিআইয়ের সদর দফতর বা দিল্লী পুলিশের বিশেষ সেলের অফিসে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।