১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নীলাভ পানি আর কোরাল পাথর আলোড়িত করে মনকে

শীত মৌসুমকে বেড়ানোর জন্য উপযুক্ত সময় মনে করে ভ্রমণ পিপাসুরা। প্রতিবছর শীত এলেই শুরু হয় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটন মৌসুম। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা এসে ভিড় জমায় সৈকত রানী কক্সবাজারে। এমনকি বিদেশী পর্যটকদের অনেকে প্রতি বছর ভ্রমণে আসে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। নবেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন লাখো পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয় পর্যটন নগরী কক্সবাজারের বালিয়াড়ি। দেশের বিভিন্ন স্থানে দর্শনীয় স্থান রয়েছে। তবে পাথুরে বীচসহ কক্সবাজারের পর্যটন স্পট ভ্রমণ পিপাসুদের পছন্দ বেশি। একদিকে বিশাল সাগর অন্যদিকে সুউচ্চ পাহাড়, টিলা, পর্বতসম গিরিপথ, আদিনাথ মন্দির, দেশের মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সেন্টমার্টিন এবং পাশে রয়েছে মিয়ানমার রাষ্ট্র। এছাড়াও বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ে ছিটকে পড়া জলরাশি ও পাথরের লুকোচুরি খেলায় নান্দনিক সৈকতে পরিণত হয়েছে কক্সবাজারের সাগর কন্যা ইনানী। সমুদ্রের পূর্বদিকে বৃহত্তম অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী হচ্ছে হাতি, হরিণ, চশমা বানরসহ অসংখ্য বন্য পশু প্রাণীর আবাসস্থল। সমুদ্র সৈকতের কাছাকাছি নয়নাভিরাম ইনানী পাহাড়ের মায়া ত্যাগ করেনি এখনও অসংখ্য বন্য পশু প্রাণি। উখিয়ার উপকূলীয় জনপদ ২৮ কিলোমিটার সৈকত সংলগ্ন সাড়ে ১০ হাজার হেক্টর বনাঞ্চল নিয়ে ইনানীর অবস্থান। দেশের মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও ছেরাদিয়ায় ভ্রমণ করতে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ আসে দেশ-বিদেশ থেকে। সমুদ্রের মাঝখানে চতুর্দিকে নারিকেল বাগানে এ দ্বীপে রাতে জোছনার আলোতে প্রিয়জনকে নিয়ে গল্প করার মুখ্য মৌসুম শীতকাল।

Ñএইচএম এরশাদ, কক্সবাজার থেকে