১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে দামুড়হুদায় পাম চাষ

ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে দামুড়হুদায় পাম চাষ

সংবাদদাতা, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা ॥ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে শুরু হয়েছে পাম চাষ। এ চাষের প্রসার ঘটলে এলাকার ভোজ্যতেলের চাহিদা মিটিয়ে তেল রফতানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। তেলের ঘাটতি দূর করাসহ পামচাষ হতে পারে ভাগ্যবদলের অন্যতম হাতিয়ার- এমনটাই মনে করেন অভিজ্ঞজনরা।

জানা গেছে, পামগাছের বৈজ্ঞানিক নাম এলিইস গিনিসিস। এটি প্রায় পাঁচ হাজার বছর ধরে পশ্চিম আফ্রিকা, সিয়েরালিয়ন, সেনেগাল, গিনি, গাম্বিয়া, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চাষাবাদ হয়ে আসছে।বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৮ সালে বন বিভাগের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সিলেটের হবিগঞ্জ, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে পামগাছের চারা রোপণ করা হয়। সঠিক পরিচর্যা ও অনীহার কারণে তার প্রসার ঘটেনি। বর্তমানে আমাদের দেশে যে পরিমাণ ভোজ্যতেল উৎপাদন হয় তা চাহিদার সামান্য অংশ পূরণ করে। চাহিদার বাকি অংশ পূরণ করতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে বিদেশ থেকে তেল আমদানি করতে হয়।

দামড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু সুফিয়ান বলেন, এ জনপদের মাটি ও পরিবেশ সব ফসলের জন্য উপযোগী। পামতেলের অন্যতম উৎপাদনকারী দেশ মালয়েশিয়া ও আমাদের দেশের আবহাওয়ার অনেকটা একই রকম। তাই আমাদের দেশেও পামফলের ফলন ভালো হওয়ার কথা। পামগাছের চারা রোপণ করে তার সঠিক পরিচর্যা করলে চার-পাঁচ বছরের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। এ এলাকায় পাম চাষ শুরু হলে স্থানীয়ভাবে পামফলের বাজারজাতকরণ ও এ ফল থেকে তেল উৎপাদনের ব্যবস্থা গড়ে উঠলে শত শত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পামগাছ ভূমিকা রাখবে। পামগাছ রোপণ করে সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে এ পাম চাষই পাল্টে দিতেপারে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের চালচিত্র।