১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিএনপির সঙ্গে কোন আলোচনা হবে না : শেখ সেলিম

নিজস্ব সংবাদদাতা, গোপালগঞ্জ ॥ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি বলেছেন, খালেদা জিয়া জিএমবি আইএস সহ সব সন্ত্রাসী সংগঠনের নেত্রী। বিএনপি আন্দোলনের নামে দেশে হত্যা, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে। আন্দোলনের নামে তারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে। শুধু তাই নয় বিদেশী নাগরিক হত্যা করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির কাজ করে চলেছে। তারা পুলিশকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন, কোন রাজনৈতিক দল নয়। তাদের সাথে কোন আলোচনা হবে না। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। তিনি রাজাকারদের পুনর্বাসিত করে গেছেন। আজকে তিনি বেঁচে থাকলে তারও বিচার হতো। শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দানকালে এ কথা বলেন।

কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে আয়োজিত ওই সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওযামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহম্মদ আবদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য এনামুল হক শামীম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী এমদাদুল হক, এ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল এমপি, ইসমত কাদির গামা, এস এম কামাল হোসেন, মোক্তার হোসেন, আমিনুর রহমান আমিন ও এম এ খায়ের সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ীমীলীগের সভাপতি আব্দুর রউফ মিয়া।

সম্মেলন শেষে মোক্তার হোসেনকে সভাপতি এবং কাজী জাহাঙ্গীর আলমকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন সম্মেলনের প্রধান অতিথি শেখ ফজলুল করিম সেলিম। কমিটির অন্যান্য নেতাদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

এদিকে, সেই ২০০৩ সালের ২৪ মে সম্মেলনের দীর্ঘ এক যুগ পর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে গোটা উপজেলা জুড়ে বিরাজ করছিল উৎসব-মূখর পরিবেশ। কর্মী-সমর্থকদের ক্রমাগত মিছিল-স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছিল সম্মেলন স্থল। নেতাদের জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থণকে জানান দিতে রঙ্গিন পোষ্টার আর ব্যানারে ছেঁয়ে ছিল চারদিক। সকালেই সব ইউনিয়ন থেকে রিক্সা-ভ্যান, ইজি-বাইক, নসিমন ও বাস ভরে নানা রংয়ের ব্যানার-ফেস্টুনসহ র‌্যালী সহকারে কর্মী-সমর্থকরা আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে জড়ো হয় সম্মেলন স্থলে।