১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তারপরও সুচির পক্ষে মুসলিমরা

জাতিগত নিপীড়নের সময় মিয়ানমারের মুসলিম সম্প্রদায় দেশটির বিরোধীদলীয় নেত্রী আউং সান সুচিকে পাশে না পেলেও নির্বাচনে অন্যদের তুলনায় তার ওপরই ভরসা রাখছেন তারা। দেশটির সাধারণ নির্বাচনের আগে রাজধানী ইয়াঙ্গুনে কয়েকজন মুসলিমের সঙ্গে কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া গেছে। খবর ওয়েবসাইটের।

নির্বাচনী প্রচারে রাখাইন রাজ্যে গিয়ে সুচি বলেছিলেন, জাতিগত ও ধর্মীয় বঞ্চনার হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করা জরুরী। দেশের সব মানুষকে এক হতে হবে। একে অপরের প্রতি ঘৃণা ও ভীতি প্রদর্শন কোন সফলতা বয়ে আনে না। সরাসরি না হলেও মূলত তার এই কথায় ভরসা পাচ্ছে মিয়ানমারের মুসলিমরা, যাদের অধিকাংশেরই আবাস রাখাইন রাজ্যে (এক সময় এটি আরাকান নামে পরিচিত ছিল) এবং রোহিঙ্গা নামে পরিচিত মুসলিমদের ভোটাধিকারও নেই। ইয়াঙ্গুনের এক মুসলিম ট্যাক্সিচালক ওয়েন নাইং বলেন, আমরা আজ বৈষম্যের শিকার। আমার কয়েকজন আত্মীয়ও দেশছাড়া হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে আছেন। আমাদের প্রত্যাশাটা ছোটই। সুচি ক্ষমতায় গেলে আমরা সমান অধিকার পাব, নির্যাতনের শিকার হবো না, এই প্রত্যাশায় আমাদের ভোট পড়বে তার বাক্সেই, যদিও নেত্রী আমাদের পক্ষে কথা বলেননি, পাশে দাঁড়াননি। তারপরও...।

বিহারে ১২০-১৩০ আসন পেতে পারে বিজেপি জোট

ভারতের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ২৪৩টি আসনের মধ্যে ১২০ থেকে ১৩০টি আসন পেতে চলেছে বিজেপি জোট। এনডিটিভির নতুন এক্সিট পোল শনিবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে এগিয়ে রেখেছে। খবর এনডিটিভি ও জি নিউজের।

অপরদিকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের জেডিইউ নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেতে পারে ১০৫ থেকে ১১৫টি আসন। এমনটাই বলা হয়েছে ওই বুথ ফেরত সমীক্ষায়। এই বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী তিন দফার ভোটে বেশি ভাল ফল করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার ভোটে অনেক বেশি আসন পাচ্ছে এই জোট। বিহারের পাঁচ দফার ভোট শুরু হয় ১২ অক্টোবর এবং ৫ নবেম্বর শেষ দফার ভোট অনুষ্ঠিত হয়। আজ রবিবার ভোটের ফল ঘোষণা করা হবে।