১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আরএফ হোসেন

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটডের পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সেলিম আরএফ হোসেনকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি ৮ নবেম্বর, ২০১৫ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং খাতে কাজ করেছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাত্র ছয় বছরে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের লক্ষ্যণীয় ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির প্রধান কারিগরের ভূমিকা পালনের জন্য ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আইডিএলসির দুটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন। -বিজ্ঞপ্তি

প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান যুক্তরাষ্ট্রে

অক্টোবরে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। গত মাসে ২ লাখ ৭১ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের পর সর্বোচ্চ। দেশটির শ্রম অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে বেকারত্বের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশ, যা ২০০৮ সালের পর সর্বনিম্ন। এ সময়টায় ভোক্তা খরচ বাড়ায় চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশটির উৎপাদন খাত। এ কারণে বাড়ছে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার। বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনীতির এ চাঙ্গাভাব ফেডের ডিসেম্বরের মধ্যে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। -অর্থনৈতিক রিপোর্টার

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রবৃদ্ধি ১.৯ শতাংশ

২০১৫ সালে ২৮টি দেশের সমন্বিত অঞ্চল ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রবৃদ্ধি হবে ১ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে তা দাঁড়াবে ২ শতাংশ এবং ২০১৭ সালে তা পৌঁছবে ২ দশমিক ১ শতাংশে। এছাড়া ১৮টি একক মুদ্রা ব্যবহারকারী অঞ্চল ইউরোজোনের প্রবৃদ্ধি চলতি বছর হবে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৬ সালে তা হবে ১ দশমিক ৮ এবং ২০১৭ সালে তা পৌঁছবে ১ দশমিক ৯ শতাংশে। সম্প্রতি এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে ইইউ। ইইউর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রণোদনা পরিকল্পনা বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে। তবে চীনের ধীরগতি এবং বিশ্ববাজারের অস্থিরতার কারণে এ অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও জানানো হয় রিপোর্টে। বেকারত্ব হার এবং বাজেট ঘাটতি কমার ব্যাপারে দেশগুলো বেশ আশাবাদী হলেও উল্টো অবস্থা বিশ্লেষকদের। -অর্থনৈতিক রিপোর্টার