২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকা কমার্স কলেজের রজতজয়ন্তী উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বর্নাঢ্য র‌্যালি, গুণীজন ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনাসহ বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শনিবার ঢাকা কমার্স কলেজের রজতজয়ন্তী উদযাপিত হয়েছে। প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কলেজ চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে। মিলনমেলাকে স্মৃতিময় করতে মেতে ওঠে ছাত্রছাত্রীরা। প্রবেশের রাস্তা থেকে শুরু করে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে আনন্দের হাওয়া, উৎসবের রঙ। আড্ডা-গান ও গল্পে পুরাতন শিক্ষার্থীরাও স্মরণ করেন হারানো দিন। স্মৃতিতে ধারণ করে রাখতে সেলফি তোলার উৎসবে মাতে বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা।

সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর উদ্বোধন করেন কলেজের গবর্নিং বডির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সফিক আহমেদ সিদ্দিক। পরে সাড়ে দশটায় কলেজ হলরুমে রক্তদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন গবর্নিং বডির সদস্য প্রফেসর ডাঃ মোঃ আব্দুর রশিদ। হলরুমে দিনভর বহু ছাত্রছাত্রী রক্তদান করে।

গুণীজন ও কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবু সাইদ। এ সময় স্মরণীকার মোড়ক উন্মোচন শেষে অতিথিদের মধ্যে ক্রেস্ট, স্বর্ণপদক প্রদান করা হয় ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ছাত্রছাত্রীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হতে হবে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের আজ যে উন্নয়ন, তা ঘটিয়েছে এ দেশের মানুষ। বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২৯তম। দেশের ৯৯ শতাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলে যাচ্ছে। বর্তমানে ৬৭ শতাংশ মানুষ শিক্ষিত। খুব বেশিদিন নেই এদেশের একটি মানুষও অশিক্ষিত থাকবে না। স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্যে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তরুণ প্রজন্মই তা গড়তে পারে।

ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আমি যা পারি নাই, তোমাদের তা পারতে হবে। দেশের মানুষের কথা বিবেচনা করে আমি পদত্যাগ করেছিলাম। তোমাদেরও মনে রাখতে হবে-দেশের মানুষের সঙ্গে বেইমানি করা যাবে না। দেশমাতৃকা রক্ষার জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের গবর্নিং বডির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সফিক আহমেদ সিদ্দিক। বিকেলে স্মৃতিচারণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠান শেষ হয়।

বিএসএমএমইউর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ভর্তি সম্পন্ন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মার্চ-২০১৬ইং শিক্ষাবর্ষে রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম ফেইজ এ-এর ভর্তি পরীক্ষা কোন ধরনের অভিযোগ ছাড়াই সুষ্ঠু, সুন্দর ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মার্চ-২০১৬ইং শিক্ষাবর্ষে মোট চারটি অনুষদের ৯৫৯টি আসনের বিপরীতে মোট ৭১৬২ পরীক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে মেডিসিন অনুষদে ৪১৩টি আসনের বিপরীতে ৩০০২ জন, সার্জারি অনুষদে ৪০০ আসনের বিপরীতে ২৭৫৩ জন, বেসিক সায়েন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদে ১১১ আসনের বিপরীতে ১০৪৭ জন এবং ডেনটিস্ট্রি অনুষদে ৩৫টি আসনের বিপরীতে ৩৬০ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেন। তবে পরীক্ষায় সর্বমোট ৭১৬২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯৮৯ পরীক্ষার্থী অংশ নেন এবং ১৭৩ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এদিন রাতের ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (িি.িনংসসঁ.বফঁ.নফ) প্রকাশ করা হয়। -বিজ্ঞপ্তি