২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দরপতনের মধ্যে আজ দুই ফান্ডের চাঁদা গ্রহণ শুরু

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলনে উদ্দেশ্যে আজ থেকে শুরু হচ্ছে দুটি প্রতিষ্ঠানের আবেদন। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফিন্যান্স মিউচুয়্যাল ফান্ড ওয়ান ও এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড। তারল্য সঙ্কটের কারণে বাজারে প্রতিনিয়ত দরপতন ঘটলেও প্রতিষ্ঠান দুটি বাজার থেকে ২০০ কোটি টাকা তুলে নিয়ে যাবে। এরমধ্যে ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফিন্যান্স সংগ্রহ করবে ১৫০ কোটি টাকা ও এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর আগে গত ২ নবেম্বর থেকে ইনফর্মেশন টেকনোলজি কনসালট্যান্টস লিমিটেড (আইটিসিএল) আইপিও আবেদনের মাধ্যমে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন শুরু করেছে।

সব মিলিয়ে এই মাসে পুঁজিবাজার থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠান উত্তোলন করছে ২১২ কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আইপিও আর্কাইভ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফিন্যান্স ॥ প্রতিষ্ঠানটির আইপিও আবেদন আজ রবিবার শুরু হয়ে ১২ নবেম্বর পর্যন্ত চলবে। আইপিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ১৫ কোটি ইউনিট ছাড়বে। প্রতিটি ইউনিটের মূল্য ১০ টাকা হিসেবে পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করবে ১৫০ কোটি টাকা। সংগৃহীত অর্থে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করা হবে। বিডি ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ফান্ডের স্পন্সর। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি) এর ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ডের কাস্টডিয়ান (জিম্মাদার) হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।

এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ॥ প্রতিষ্ঠানটির আবেদন একই দিন শুরু হবে। চলবে ১৬ নবেম্বর পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠানটি আইপিওর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে বাজারে ৫ কোটি ইউনিট ছাড়বে, যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি ইউনিটে। অর্থাৎ প্রতিটি আইপিও অবেদনে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আর এর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে প্রতিষ্ঠানটি। বিএসইসির গত ৭ অক্টোবরের সভায় প্রতিষ্ঠানের আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্ট্রাটেজিক ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং স্পন্সর হিসেবে রয়েছে লেকচার পাবলিকেশন্স লিমিটেড। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি) প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এর কাস্টডিয়ান (জিম্মাদার) হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।

এদিকে, বাজারে মন্দাবস্থার মাঝেও আইপিও অনুমোদনকে বাজারে স্থিতিশীলতার পথে এক ধরনের বাধা বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে একসঙ্গে দুটি মিউচুয়াল ফান্ডের চাঁদা গ্রহণকে কোনভাবেই মানতে পারছেন না তারা। তাদের মতে, ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা বা এক্সপোজার নিয়ে এক ধরনের সঙ্কট চলছে। সেখানে মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন অগ্রহণযোগ্য। এছাড়া বাজারে যেসব মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে সেগুলোর অবস্থাও খুবই নাজুক।