১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন কলেজ সরকারীকরণের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরায় অবস্থিত ‘শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন মহাবিদ্যালয়ের নামকরণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতির জনকের দেয়া নামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা রক্ষায় কলেজটি সরকারীকরণের দাবি উঠেছে।

বাঙালী জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশের ক্ষেত্রে যে কজন অকুতোভয় বুদ্ধিজীবীর অবদান চিরস্মরণীয় তাদের মধ্যে সিরাজুদ্দীন হোসেন অন্যতম। তিনি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের বার্তা সম্পাদক। ছাত্রজীবনে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ হোস্টলে বঙ্গবন্ধু ও সিরাজুদ্দীন হোসেন পাশাপাশি রুমে থাকতেন। স্বাধীনতার ঊষালগ্নে ১০ ডিসেম্বর স্বাধীনতার শত্রুরা তাকে অপহরণ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেনের পাঁচ ছেলে শাহিন রেজা নূর, নাসিম রেজা নূর, শাহীদ রেজা নূর, জাহিদ রেজা নূর ও তৌহিদ রেজা নূর প্রধানমন্ত্রীর কাছে কলেজটি সরকারীকরণের দাবি জানিয়ে বলেছেন, কলেজটি সরকারীকরণ করা হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবী সিরাজুদ্দিন হোসেনের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা হবে। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মারাত্মক ফল বিপর্যয় ঘটলেও এই কলেজের পাসের হার ছিল ৮৬। জিপিএ ৫ পায় পাঁচজন। কলেজের বিএম শাখা থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ১৬ বিঘা জমির ওপর নির্মিত ৪ ভবনে ৪০টি কক্ষ রয়েছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে। এছাড়া ১২ বিঘা জমির উপর একটি দিঘীসহ রয়েছে ১ম ক্যাম্পাস। কলেজ ভবন, বিস্তৃত খেলার মাঠ এবং বৃক্ষরাজী সুশোভিত পরিবেশের কলেজটি ডিগ্রী কলেজ হিসেবে পূর্ণতা পেয়েছে। সংসদ সদস্য রণজিৎ কুমার রায় কলেজটি সরকারীকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে গত জুলাই মাসে একটি ডিও লেটার দেন।

না’গঞ্জে ফিল্মি স্টাইলে বরের গাড়ি আটকে নববধূ অপহরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ, ৭ নবেম্বর ॥ আড়াইহাজারে ফিল্মি কায়দায় বরের গাড়ি বহরে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে নববধূ সুবর্ণা আক্তারকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। সন্ত্রাসীদের হামলায় বরসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে।

জানা গেছে, উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের নোয়াগাঁও চৌধুরীবাড়ীর আঃ লতিফের মেয়ে সুবর্ণা আক্তারের সঙ্গে গত ৯ অক্টোবর রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর পুটিয়া গ্রামের জহিরুল হকেরে ছেলে নাদিমের কাবিন হয় ।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে কনের বাড়ি থেকে প্রাইভেটকারযোগে বর পক্ষ কনেকে নিয়ে রূপগঞ্জ যাচ্ছিল। তারা উপজেলার রসুলপুর গেলে দুটি সিএনজি অটোরিক্সা বরের গাড়িটির সামনের দিক থেকে গাড়ির করে। মোফাজ্জল, আলমগীর ও রাকিকের নেতৃত্বে ৭-৮ সন্ত্রাসী পিস্তল, চাপাতি, ছোরা নিয়ে বর নাদিমসহ তার সহযাত্রীদের পিটিয়ে নববধূ সুবর্ণাকে জোর করে সিএনজিতে তুলে মাধবদীর দিকে চলে যায়।

সুবর্ণার পিতা আঃ লতিফ জানান, গত ঈদের দিন নামাজের পর তুচ্ছ ঘটনায় এ সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে আহত করে। এ বিষয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করায় সন্ত্রাসীরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল। শুক্রবার রাতে কনের বাবা আঃ লতিফ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মেয়ের সঙ্গে এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ধারণা করা হচ্ছে সুবর্ণার প্রেমিক ও তার লোকজনই নববধূকে নিয়ে গেছে। পুলিশ রাতেই নববধূ সুবর্ণাকে উদ্ধার করতে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়।