১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজধানীতে পাবলিক টয়লেটের অভাব

রাজধানীতে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেটের অভাবে জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। দীর্ঘদিনেও নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে নতুন করে পাবলিক টয়লেট হয়নি। পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট না থাকায় যততত্র মলমূত্র ত্যাগে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, হাইকোর্ট মাজারের আশপাশের এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে, ফুটপাথ ও খোলা স্থানে প্রকাশ্যে মলমূত্র ত্যাগ করছেন অনেকে। রাজধানীর বেশকিছু সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। রাজধানীর কমলাপুর মসজিদের পশ্চিম পাশের সড়ক ও ফুটপাথ, কমলাপুর আইসিডির বিশাল এলাকার ফুটপাথ ও সড়ক এবং ওভারব্রিজে ওঠার স্থানের আশপাশে মলমূত্রের মধ্য দিয়ে মানুষকে চলাচল করতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির পেছনের অংশে, হাকিম চত্বরের গুরু দুয়ারা নানক শাহীর সামনের ফুটপাথে, টিএসসির পশ্চিম পাশের সড়কে, জগন্নাথ হলের শিববাড়ির মোড় সংলগ্ন সড়ক ও ফুটপাতে, মুহসীন হল, এফ রহমান হলসংলগ্ন সড়ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম পাশের সড়ক এবং ফুটপাথ এলাকায় মলমূত্রের মধ্য দিয়ে মানুষকে বাধ্য হয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। সরেজমিন দেখা গেছে, এসব এলাকায় নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে প্রায় প্রতিদিনই মানুষের মলমূত্র থাকে। আগারগাঁও তালতলার বাসস্ট্যান্ডের উল্টো পাশে, আইডিবি ভবনের উল্টো পাশে, তালতলা থেকে আগারগাঁও সড়কের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড এলাকার পশ্চিম পাশের ফুটপাথ ও সড়ক, মিরপুর ডেল্টা ক্যান্সার হাসপাতালের পূর্ব পাশের ফুটপাথ, জজকোর্টসংলগ্ন সড়ক এবং তাঁতীবাজারের নৈসর্গিক সৌন্দর্য ভাস্কর্যের পাশের রাস্তায় প্রায় সব সময় মলমূত্রের দুর্গন্ধ ছড়ায়। মানিকনগর কলোনির পূর্ব পাশে ও উত্তরা স্টেশনের পাশে রাস্তায় প্রায় সব সময় মানুষের মলমূত্রের দুর্গন্ধ ছড়ায়। জানা গেছে, রাজধানীতে অবস্থানকারী হাজার হাজার ভাসমান মানুষ সন্ধ্যার পর থেকে রাতে মলমূত্র ত্যাগ করেন। রাজধানীর রাস্তা, ফুটপাথ ও খোলা স্থানে অবস্থানকারী, ভাসমান মানুষ, ফকির, ভবঘুরে, কুলিমজুর, রিক্সাওয়ালাদের অনেকেই রাতের আঁধারে এসব কাজ করেন। তাই বিভিন্ন মোড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করার জন্য রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে জনগণের পক্ষ থেকে আবেদন জানাচ্ছি।

রুহুল আমিন (দুলাল)

চৌধুরীপাড়া, ঢাকা

গুলিস্তানের সৌন্দর্য

যা প্রত্যক্ষ করছি তাই নিয়ে লিখছি। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নাকের উজানে চোখের নিচে অস্থিত ফুলের বাগান নামে খ্যাতহ গুলিস্তান ঢাকা মানে গুলিস্তান। গুলিস্তান এখন ময়লা আর্জনার শহর। সামান্য বৃষ্টি বাদলে এক হাঁটু কাদা। স্থানে স্থানে পানি জমে থাকছে। ছেঁড়া কাগজ, ঠোঙ্গা, পলেথিন, খড়কুটা, মোরগ-মুরগির পালক সবই রয়েছে এখানে। প্রাইভেটকার দাঁড়িয়ে আছে হ্যান্ড মাইকে উলঙ্গ অশ্রাব্য শব্দগুলো চলন্ত পথিকদের কানে আঘাত করছে, ক্যানভাসার বীরদর্পে শব্দ প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ওষুধ বিক্রি করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকার ঘিরে ধরছে গুলিস্তানকে। স্বল্প হলুদ বাতির জোনাকি পোকার আলো তিন ফুট দুরত্বে মুখম-লের চেহেরা লক্ষ্য করা কঠিন। কোথায় লাইট পোস্ট কোথায় উজ্জ্বল আলো। চিৎকার, হৈ চৈ, কান্নার আওয়াজ আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। পকেটমার, ছিনতাইকারী, টানা ও মলমপার্টি তাদের সঠিক কাজ করে যাচ্ছে। এলোমেলো সব কাজ। ফুটপাথ দখল, সড়কে দোকান, মূল সড়কে একাধিক ময়লা ফেলার কনটেইনার রাস্তাকে আরও সরু করেছে। সামান্য বৃষ্টিতে গুলিস্তানের প্রধান সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। টাউট-বাটপারে ভরপুর গুলিস্তানে নিরাপত্তার অভাব ষোল আনা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনপ্রধান নির্বাহী ও আইজিপি সিভিল ড্রেসে গুলিস্তান ভ্রমণ করে এসব প্রত্যক্ষ করুন, উপলদ্ধি করুন। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

মেছের আলী

শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ