২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্রিসবেন টেস্ট ॥ চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ রানের বন্যা বইয়ে দিয়ে ব্রিসবেন টেস্টে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ৫৫৬/৪Ñ এর পর ৪ উইকেটে ২৬৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। সব মিলিয়ে ৫০৩ রানের লিড পায় অসিরা। জবাবে প্রথম ইনিংসে ৩১৭ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪২ রানে হারিয়েছে ৩ উইকেট। জয়ের জন্য আজ শেষ দিনে আরও ৩৬২ রান চাই কিউইদের। পঞ্চম দিনে চতুর্থ ইনিংসে এ রান করে জিততে হলে ব্রেন্ডন ম্যাককুলামদের নতুন ইতিহাস রচনা করতে হবে! সাত ব্যাটসম্যান নিয়ে সারাদিন ক্রিজে টিকে থাকাও প্রায় অসম্ভব। বৃষ্টিই কেবল বাঁচাতে পারে অতিথিদের, যেমনটা হয়েছে চতুর্থ দিনে। গ্যাবায় তাই পুরোপুরি চালকের আসনে স্টিভেন স্মিথের দল। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলছে দুই তাসমান প্রতিবেশী।

বৃষ্টির জন্য রবিবার খেলা হয়েছে মাত্র ৫৩ ওভার। ব্যাট হাতে না নেমে সকালেই দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্মিথ। যাতে বোলাররা প্রতিপক্ষকে অলআউট করে দিতে পুরো দুইদিন সময় পান। রান পাহাড়ে চাপা পড়ে অতিমাত্রায় সাবধানী শুরুর পরও উদ্বোধনী জুটিতে ২২.৩ ওভারে মাত্র ৪৪ রান তুলতে পারেন টম লাথাম ও মার্টিন গাপটিল। ২৯ রানে টম লাথাম স্টার্কের বলে এলবিডব্লিউ হন। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান কেন উইলিয়ামসন নেমে রানের গতি বাড়ালেও উল্টো দিকে যেন প্রস্তুর যুগের ব্যাটিংয়ে ফিরে যান গাপটিল। দু’জনের বিপরীতমুখী ব্যাটিংয়েই আসে মূল্যবান ৫৪ রানের জুটি। স্পিনার নাথান লেয়নের বলে মাত্র ২৩ রান করতেই ১৩৩ বল খেলেন মার্টিন গাপটিল! ১৩৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে টেস্টটিকে নিজেদের প্রত্যাশমতো জয়ের দিকেই এগিয়ে নিচ্ছিলেন অসি বোলাররা।

আর ৬ রান পর হয় চা বিরতি। সেখানেই শেষ দিনের খেলা। বিরতির ওই সময় ব্রিসবেনের আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি এলে শেষ সেশনে আর খেলাই হয়নি। প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের পথে সেঞ্চুরি তুলে নেন ডেভিড ওয়ার্নার (১৬৩) ও উসমান খাজা (১৭৪)। দ্বিতীয় ইনিংসেও হেসেছে ওয়ার্নারের ব্যাট। এবার মারকাটারি উইলোবাজ ১১৩ বলে করেন ১১৬ রান। জীবনের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছেন ওপেনিংয়ে তার তরুণ সঙ্গী জো বার্নসও (১২৩ বলে ১২৯)। ব্রিসবেনে নিউজিল্যান্ডের জয়ের প্রসঙ্গ না তোলাই ভাল, কারণ সেজন্য তাদের করতে হবে ৫০৪ রান! শেষ দিনে আজ কিউই ব্যাটসম্যানরা কেবল একটা কাজই কেবল করতে পারেন, মাটি কামড়ে পরে থেকে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা। প্রকৃতির কৃপাই একমাত্র ম্যাককুলামদের হারের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে!