১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাতক্ষীরায় মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ অবস্থান ধর্মঘট

  • পূর্ণাঙ্গ সুবিধা দাবি

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা ॥ জেলার ২৫০ শয্যা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩০ শয্যাবিশিষ্ট শুধু মেডিসিন ওয়ার্ডটি নামমাত্র লোকবল নিয়ে চালু হয়েছে। মেডিক্যাল কলেজের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ক্লিনিকার ক্লাস। অথচ চালু হওয়া ৩০ বেডের মেডিসিন ওয়ার্ড তাদের ক্লিনিক্যাল ক্লাসের জন্য যথেষ্ট নয়। পরীক্ষার জন্য এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের পেশার কথা চিন্তা করে প্রয়োজন ২৫০ শয্যার সকল সুযোগ-সুবিধা। যা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই জরুরী। আর এ দাবিতে গত দশ দিন ধরে কলেজের শিক্ষার্থীরা ধর্মঘটসহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও সড়কের ওপর শুয়ে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে। সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর ২০১১ সালে সেপ্টেম্বরে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ চালু হয়। বর্তমানে এখানে ২০৮ জন ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গরূপে হাসপাতাল চালু হয়নি। বহুবার প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও তার কোন বাস্তবায়ন হয়নি। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু না হলে অতি দ্রুত তাদের অন্য যে কোন পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর হতে হবে যা তাদের জন্য কষ্টের। আর এই প্রক্রিয়া একবার শুরু হলে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজের ভবিষ্যত প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, যতদিন না তাদের শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চালু হচ্ছে ততদিন ক্লাস, আইটেম, কার্ড, ওয়ার্ড এবং সকল কার্যক্রম বর্জন করা হবে। ইতোমধ্যে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করেছে। মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে।

চট্টগ্রামে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম নগরীর দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রেলওয়ের জায়গা থেকে ৪০টি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে নগরীর ষোলশহর ও দেওয়ানহাট এলাকা থেকে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ইশরাত রেজা।

ইশরাত রেজা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রেললাইনের পাশে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছিল ছিন্নমূল লোকজন।