১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইয়েমেনে রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমায় নিহত ১৬ সেনা

ইয়েমেনের রাজধানী সানার পূর্ব দিকে মারিব প্রদেশে রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে অন্তত পক্ষে ১৬ সরকারী সেনা নিহত হয়েছেন। দেশটির সামরিক সূত্রগুলো রবিবার এ খবর জানিয়েছে। এ ঘটনায় আরও ছয় সেনা আহত হয়েছেন। খবর ওয়েবসাইটের।

মারিবে একটি সেনা শিবিরের কাছে সেনা টহল দলকে লক্ষ্য করে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছে তা পরিষ্কার নয়।

আরব উপদ্বীপের সবচেয়ে দরিদ্র রাষ্ট্র ইয়েমেনে চলমান গৃহযুদ্ধ ও সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন উপসাগরীয় সুন্নি আরব দেশগুলোর বিমান হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচ হাজার ৬শ’ জন নিহত হয়েছেন। লড়াইরত পক্ষগুলোর এক পাশে রয়েছে ইরান সমর্থিত শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা ও তাদের মিত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আব্দুল্লাহ সালেহর অনুগত সেনারা।

অপরদিকে রয়েছে নির্বাসিত সুন্নি প্রেসিডেন্ট আব্দ-রাব্বু মনসুর হাদির পক্ষের সশস্ত্র কয়েকটি গোষ্ঠী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট বাহিনী। সম্প্রতি জোট বাহিনী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কিছুটা এলাকা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এর পরও প্রায় প্রতিদিন চালানো জোট বাহিনীর বিমান হামলা সত্ত্বেও হুতিরা দেশটির অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।

আফগানিস্তানে ন্যাটোর প্রশিক্ষণ সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ

ন্যাটো সহযোগীরা এখন আফগানিস্তানে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা মিশন আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। তালেবানের জঙ্গী তৎপরতা মোকাবেলায় স্থানীয় বাহিনী এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে না ওঠায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ব্রাসেলসে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। খবর ওয়েবসাইটের।

সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে তালেবান উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজ শহর দখল করে নিয়ে সেটি কিছুদিন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল। এ ঘটনায় আফগানিস্তানের আন্তর্জাতিক সহযোগীদের টনক নড়ে। দেশটিতে শক্তিশালী নিরাপত্তা বাহিনী গড়ে তুলতে বহুজাতিক বাহিনী ইতোমধ্যেই শত শত কোটি ডলার খরচ করেছে। উদ্দেশ্য ছিল বহুজাতিক বাহিনী দেশটি ছেড়ে গেলেও আফগানিস্তান যেন নিজেকে রক্ষা করতে পারে। কিন্তু ন্যাটো বাহিনীর সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। আফগানিস্তান ফেরত জার্মানির দ্বিতীয় সিনিয়র জেনারেল হ্যান্স লোথার ডোমরোসি স্পেনে ন্যাটোর এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে আমরা যে রকম আশা করেছিলাম ততটা স্থিতিশীল নয়।’ তিনি আরও বলেন, দেশের অনেক অংশের ওপর এখন সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। প্রশাসনের মধ্যে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ায় সরকারের পক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তার কথায়, ‘আমরা যদি এখানে অবস্থান না করি তবে আফগান সরকারের পক্ষে নিজেদের টিকিয়ে রাখাই কঠিন হবে। আর সরকারের পতন ঘটলে পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ।’

নির্বাচিত সংবাদ