১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এলসি খোলা কমেছে

অর্থনেতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ৯৭৭ কোটি ৮৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারের এলসি খুলেছেন আমদানিকারকরা, যা ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ কম। গত অর্থবছর প্রথম তিন মাসে এক হাজার ৮৩ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে চাল, গম, ডাল, দুগ্ধজাত খাবার ও চিনি আমদানি বাবদ খরচ কম হয়েছে। তবে এই সময়ে শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি, কয়লা, পেপার অ্যান্ড পেপার বোর্ড আমদানি গতবছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে চাল আমদানির জন্য ৫ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৪৭ শতাংশ কম। গতবছর এ সময়ে ১০ কোটি ৩৬ ডলারের এলসি খুলেছিলেন চাল ব্যবসায়ীরা। গম আমদানিতে এলসি কমেছে ২৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ২৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের গমের এলসি খোলা হয়। আগের বছর একই সময়ে খোলা হয়েছিল ৩৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের এলসি। চিনি আমদানির জন্য জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ১৫ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, গতবছর যার পরিমাণ ছিল ২৩ কোটি ১৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এলসি কমেছে ৩৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ডাল আমদানিতে এলসি খোলা কমেছে ৩৮ দশমিক ৬২ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ৭ কোটি ১৭ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে ডালের জন্য। আগের বছর হয়েছিল ১১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের।

দুগ্ধজাত খাবার আমদানিতে এলসি খোলা কমেছে ৪৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। এবার জুলাই-সেপ্টেম্বরে যেখানে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, গতবছর একই সময়ে হয়েছিল ৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের।